Columbus | ১৪ আগস্ট, ২০২৬ | ৩০ শ্রাবণ, ১৪৩৩
সর্বশেষ খবর
মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করা: তারেক রহমানের বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের প্রতিফলন মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে ৩টি মনোনয়নপত্র জমা লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ও অপেক্ষা ছাড়া আপাতত কোনো উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী ‘র’ প্রধানের বাংলাদেশ সফর নিয়ে জল্পনার কিছু নেই: ডা. জাহেদ ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কে নতুন বার্তা: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সৌদি আরবে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড: রিয়াদে প্রাণ গেল ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের নিউইয়র্কে করোনা ত্রাণ তহবিল জালিয়াতি: ৯ জনের দোষ স্বীকার, ফেরত দিতে হবে ১০ লাখ ডলারের বেশি কর-সংক্রান্ত জটিলতা ও আর্থিক তথ্য গোপনের প্রশ্নের মধ্যে পদত্যাগ করলেন আপার ডার্বি ট্রেজারার ড্যানি সাইদুজ্জামান অতিরঞ্জিত প্রশংসা বা অযৌক্তিক সংবাদ 🇧🇩 জুলাই বর্ষা বিপ্লবের দুই বছর 🇧🇩 বৃহত্তর কুমিল্লা সোসাইটি অব পেনসিলভেনিয়ার সাধারণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত APWU Local Area #89 নির্বাচন ২০২৬: নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত, ট্রাস্টি পদে বিজয়ী এমডি মাহিদুন্নবী রুকু ফিলাডেলফিয়া ও আশপাশের এলাকায় ঈদুল আযহার জামাতের সময়সূচি প্রকাশ Philadelphia-এ ডেমোক্র্যাটিক কমিটি পার্সন নির্বাচিত হওয়ায় মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
হোম রাজনীতি স্বৈরাচার হাসিনার ভোট করার সব পথ বন্ধ হলো

স্বৈরাচার হাসিনার ভোট করার সব পথ বন্ধ হলো

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১২:৫৭ এএম, ০৮ অক্টোবর, ২০২৫ 112
স্বৈরাচার হাসিনার ভোট করার সব পথ বন্ধ হলো

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কারো বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হলে তিনি আর নির্বাচন করার যোগ্য হবেন না, জনপ্রতিনিধি হয়ে থাকলে সেই পদে থাকার যোগ্যতাও তিনি হারাবেন। এর ফলে অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ভোটে অংশ নেওয়ার সব সুযোগ বন্ধ হয়ে গেল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইন এক বছরের মধ্যে তৃতীয়বারের মত সংশোধন করে সোমবার (৬ অক্টোবর) এই বিধান যুক্ত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। 


১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন সংশোধন করে ২০ সি নামে একটি নতুন ধারা যোগ করার প্রস্তাবে গত ৪ সেপ্টেম্বর অনুমোদন দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। সব আনুষ্ঠানিকতা সেরে সোমবার রাতে তা অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছে, যার শিরোনাম ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (তৃতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’।


এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইসিটি আইন অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হলে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বা ওই পদে বহল থাকার অযোগ্য হবেন।


একইভাবে তিনি যে কোনো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সদস্য, কমিশনার, চেয়ারম্যান, মেয়র বা প্রশাসক হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার বা বহাল থাকার অযোগ্য হবেন। এমনকি প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োগ পাওয়ার বা অন্য কোনো সরকারি পদে অধিষ্ঠিত হওয়ারও অযোগ্য হবেন তিনি।


যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালের রায়ে অব্যাহতি বা খালাস পান, তাহলে এই অযোগ্যতা তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।


আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনে অভিযুক্ত কেউ যেন বিচারাধীন অবস্থায় রাষ্ট্রের কোনো দায়িত্বে থাকতে না পারেন, তা নিশ্চিত করাই আইন সংশোধনের মূল উদ্দেশ্য।


২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। সে দিন দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী-এমপি ও নেতাদের অনেকেই গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। অনেকেই বিদেশে বা আত্মগোপনে চলে গেছেন। তাদের অধিকাংশই এখন বিভিন্ন হত্যা মামলার আসামি।


একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার ২০১০ সালে যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিল, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের চালানো দমন পীড়নকে ‘গণহত্যা’ বিবেচনা করে নেই আদালতেই বিচারের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।


ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একটি মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে।