Columbus, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির এজিএম অনুষ্ঠিত, গঠিত হলো নতুন কমিটি অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা
হোম › বিনোদন › ৯০ দশকের অসাধারন কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “বইপড়া”

৯০ দশকের অসাধারন কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “বইপড়া”

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:০৫ পিএম, ২৫ মে, ২০২৪ 774
৯০ দশকের অসাধারন কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা        “বইপড়া”

তানজিমা আক্তার

৯০ দশকের বই পড়ার কথা নিশ্চয়ই সবার মনে আছে।ঐসময় আজকের মতন বিনোদনের এত মাধ্যম ছিল না গল্পের বই ছিল আমাদের বিনোদন।গল্পের বইটাই তখন লুকিয়ে পড়তে হত কারণ পাঠ্য বই ছাড়া মা গল্পের বই পড়তে দিত না।এমনও দিন ছিল যখন পাঠ্য বইয়ের ভেতরে গল্পের বই লুকিয়ে রেখে পড়েছি আমরা অনেকেই।সারাদিন কানে শুধু মার একটাই কথা বাজতে থাকতো পড়তে বস,পড়তে বস,পড়তে বস।সেই সময় কি ভুলেও ভেবেছি মাকে রেখে এত দূরে থাকবো যে মাকে ছাড়া সকাল হতো না রাতে ঘুমাতে যেতাম না সে মাকে এখন বছরের পর বছর কাছে পাইনা।মার বকুনি,আদর,ভালোবাসা সবকিছু মিস করি।সেই সময় আমাদের জন্য গল্পের বই পাওয়াটা ও সহজলভ্য ছিল না।তখন"নীলক্ষেত"থেকে গল্পের বই আনতে হতো।নীলক্ষেতে সব ধরনের বই পাওয়া যায় যেত।সেখানে পুরনো গল্পের বইও পাওয়া যেত।অনেকে ৫ টাকা ১০ টাকা করেও বই নিয়ে আসতো কয়েক দিনের জন্য সেই বই আবার সময়মতো ফিরিয়ে দিয়ে আসতে হতো।আজকালের বাচ্চারা এসব শুনলে হাসবে কিন্তু আমাদের জন্য সেটাই অনেক আনন্দের ছিল।গল্পের বইয়ের মধ্যে অনেক লেখকের বই আমাদের সময় জনপ্রিয় ছিল।হুমায়ুন আহমেদ স্যার এর লেখা বইগুলো সেই সময় আমাদের খুব পছন্দের গল্পের বই ছিল।গল্পের বইয়ের কথা বলব আর আমার বড় বোনের তিন গোয়েন্দার বই পড়ার কথা বলবো না তা কি করে হয়।আমি যখন ছোট ছিলাম আমার বোন তিন গোয়েন্দার বই পড়তেন।আমার বড় বোন একসাথে দশ বারোটা বই নিয়ে আসতেন এবং পড়ে শেষ করতে করতেন।আমার বোনের তিন গোয়েন্দার বই খুব পছন্দ ছিল।আমাদের সময় যুগান্তর পত্রিকায় সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন আসতো বিচ্ছু নামে তার অপেক্ষায় থাকতাম পুরো সপ্তাহ।বিচ্ছু ম্যাগাজিন টা জমানোর খুব শখ ছিল তার জন্য সপ্তাহ ধরে অপেক্ষা করতাম।সময়টা সত্যি দারুন কেটেছে।সে সময় পত্রিকা গুলোর সাথে বিচ্ছু বলেন আর ছুটির দিন বলেন সেগুলোর মধ্যে এমন কিছু ছিল যা আমাদের অপেক্ষায় রাখত।এখনের বাচ্চাদের মধ্যে বই পড়ার প্রবনতা আগের মত দেখা যায় না।ওরা যেন ওদের রাজ্যেই ব্যস্ত।৯০ দশকের বই পড়া নিয়ে ক্ষুদ্র কিছু স্মৃতি মনে করার চেষ্টা করলাম।আশা করি সবার ভালো লাগবে।চলবে……