পেনসিলভানিয়া | ১৩ আগস্ট, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩
সর্বশেষ খবর
মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে ৩টি মনোনয়নপত্র জমা লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ও অপেক্ষা ছাড়া আপাতত কোনো উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী ‘র’ প্রধানের বাংলাদেশ সফর নিয়ে জল্পনার কিছু নেই: ডা. জাহেদ ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কে নতুন বার্তা: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সৌদি আরবে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড: রিয়াদে প্রাণ গেল ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের নিউইয়র্কে করোনা ত্রাণ তহবিল জালিয়াতি: ৯ জনের দোষ স্বীকার, ফেরত দিতে হবে ১০ লাখ ডলারের বেশি কর-সংক্রান্ত জটিলতা ও আর্থিক তথ্য গোপনের প্রশ্নের মধ্যে পদত্যাগ করলেন আপার ডার্বি ট্রেজারার ড্যানি সাইদুজ্জামান অতিরঞ্জিত প্রশংসা বা অযৌক্তিক সংবাদ 🇧🇩 জুলাই বর্ষা বিপ্লবের দুই বছর 🇧🇩 বৃহত্তর কুমিল্লা সোসাইটি অব পেনসিলভেনিয়ার সাধারণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত APWU Local Area #89 নির্বাচন ২০২৬: নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত, ট্রাস্টি পদে বিজয়ী এমডি মাহিদুন্নবী রুকু ফিলাডেলফিয়া ও আশপাশের এলাকায় ঈদুল আযহার জামাতের সময়সূচি প্রকাশ Philadelphia-এ ডেমোক্র্যাটিক কমিটি পার্সন নির্বাচিত হওয়ায় মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ঐতিহাসিক জয়: টানা ৫ম বারের মতো জর্জিয়া স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হলেন শেখ রহমান
হোম বিনোদন ৯০ দশকের অসাধারন কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “বইপড়া”

৯০ দশকের অসাধারন কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “বইপড়া”

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:০৫ পিএম, ২৫ মে, ২০২৪ 750
৯০ দশকের অসাধারন কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা        “বইপড়া”

তানজিমা আক্তার

৯০ দশকের বই পড়ার কথা নিশ্চয়ই সবার মনে আছে।ঐসময় আজকের মতন বিনোদনের এত মাধ্যম ছিল না গল্পের বই ছিল আমাদের বিনোদন।গল্পের বইটাই তখন লুকিয়ে পড়তে হত কারণ পাঠ্য বই ছাড়া মা গল্পের বই পড়তে দিত না।এমনও দিন ছিল যখন পাঠ্য বইয়ের ভেতরে গল্পের বই লুকিয়ে রেখে পড়েছি আমরা অনেকেই।সারাদিন কানে শুধু মার একটাই কথা বাজতে থাকতো পড়তে বস,পড়তে বস,পড়তে বস।সেই সময় কি ভুলেও ভেবেছি মাকে রেখে এত দূরে থাকবো যে মাকে ছাড়া সকাল হতো না রাতে ঘুমাতে যেতাম না সে মাকে এখন বছরের পর বছর কাছে পাইনা।মার বকুনি,আদর,ভালোবাসা সবকিছু মিস করি।সেই সময় আমাদের জন্য গল্পের বই পাওয়াটা ও সহজলভ্য ছিল না।তখন"নীলক্ষেত"থেকে গল্পের বই আনতে হতো।নীলক্ষেতে সব ধরনের বই পাওয়া যায় যেত।সেখানে পুরনো গল্পের বইও পাওয়া যেত।অনেকে ৫ টাকা ১০ টাকা করেও বই নিয়ে আসতো কয়েক দিনের জন্য সেই বই আবার সময়মতো ফিরিয়ে দিয়ে আসতে হতো।আজকালের বাচ্চারা এসব শুনলে হাসবে কিন্তু আমাদের জন্য সেটাই অনেক আনন্দের ছিল।গল্পের বইয়ের মধ্যে অনেক লেখকের বই আমাদের সময় জনপ্রিয় ছিল।হুমায়ুন আহমেদ স্যার এর লেখা বইগুলো সেই সময় আমাদের খুব পছন্দের গল্পের বই ছিল।গল্পের বইয়ের কথা বলব আর আমার বড় বোনের তিন গোয়েন্দার বই পড়ার কথা বলবো না তা কি করে হয়।আমি যখন ছোট ছিলাম আমার বোন তিন গোয়েন্দার বই পড়তেন।আমার বড় বোন একসাথে দশ বারোটা বই নিয়ে আসতেন এবং পড়ে শেষ করতে করতেন।আমার বোনের তিন গোয়েন্দার বই খুব পছন্দ ছিল।আমাদের সময় যুগান্তর পত্রিকায় সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন আসতো বিচ্ছু নামে তার অপেক্ষায় থাকতাম পুরো সপ্তাহ।বিচ্ছু ম্যাগাজিন টা জমানোর খুব শখ ছিল তার জন্য সপ্তাহ ধরে অপেক্ষা করতাম।সময়টা সত্যি দারুন কেটেছে।সে সময় পত্রিকা গুলোর সাথে বিচ্ছু বলেন আর ছুটির দিন বলেন সেগুলোর মধ্যে এমন কিছু ছিল যা আমাদের অপেক্ষায় রাখত।এখনের বাচ্চাদের মধ্যে বই পড়ার প্রবনতা আগের মত দেখা যায় না।ওরা যেন ওদের রাজ্যেই ব্যস্ত।৯০ দশকের বই পড়া নিয়ে ক্ষুদ্র কিছু স্মৃতি মনে করার চেষ্টা করলাম।আশা করি সবার ভালো লাগবে।চলবে……