অপরাধে জড়িতদের বিএনপির মনোনয়ন নয়: এমপি ফখরুল ইসলাম
মুছাপুর ক্লোজারে সাড়ে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা তুলে ধরলেন তিনি
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের উদ্দেশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, বিএনপিতে কোনো অপরাধীর ঠাঁই হবে না। যাঁদের বিরুদ্ধে শালিস-বাণিজ্য, মাদক ব্যবসা ও সেবন, অবৈধ বালুর ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ঘর দখল কিংবা চর দখলের অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের নিজেদের সংশোধন হতে হবে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে বসুরহাট পৌরসভা গণমিলনায়তনে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফখরুল ইসলাম বলেন, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিরা মেম্বার বা চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়নের জন্য এলে তাঁদের যথাযথ জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে। কারা কী করছেন, সে বিষয়ে তাঁদের কাছে তথ্য রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, মুছাপুর ক্লোজার প্রকল্পের জন্য প্রায় সাড়ে ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ আনা হয়েছে। মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকার কার্ড, জুলাই যোদ্ধাদের আহত ও নিহতদের জন্য ভাতা এবং কৃষি কার্ড চালুর উদ্যোগের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “আমরা জনগণের সঙ্গে আছি, জনগণ আমাদের মূল্যায়ন করবে।”
চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির ১১ জন চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশীর নাম আলোচনায় রয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আহছান উল্যাহ মানিক, গোলাম রাব্বানী বিপ্লব, মো. শাহজাহান, রইস উদ্দিন মাসুদ, জহির উদ্দিন সেলিম, আলহাজ শাহজাহান সেন্টু, ইঞ্জিনিয়ার আবু ছায়েদ রিপন, মাস্টার ওবায়দুল হক, শিহাব উদ্দিন রিপন, শরীফ উদ্দিন আজাদ ও নজরুল ইসলাম জহির।
দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ক্ষেত্রে সততা, স্বচ্ছতা, জনসম্পৃক্ততা ও অপরাধমুক্ত ভাবমূর্তিকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি সভার বক্তব্যে বিশেষভাবে উঠে আসে। তবে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেই তা প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় না; অভিযোগের সত্যতা যথাযথভাবে যাচাই করা জরুরি।