Columbus, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় লালনমেলা, পুলিশের অভিযানে গাঁজা সেবনের দুই হাজার সরঞ্জাম জব্দ। শীতের আমেজে ফুটবল উন্মাদনা, কুড়িগ্রামে বসছে যোগীপাড়া মিনিবার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসর বর্তমান সরকার পরামর্শ গ্রহণের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান কুড়িগ্রামে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, আটক ১ বদলে গেছে সেনবাগ হাসপাতালের চিত্র, আকস্মিক পরিদর্শনে সন্তোষ এমপি ফারুকের জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও নিলামে চায়ের মূল্য বাড়ছে না শীতের আমেজে ফুটবল উন্মাদনা, কুড়িগ্রামে বসছে যোগীপাড়া মিনিবার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসর আহ্বায়ক-সদস্য সচিব দুই সরকারি শিক্ষক! ফুলবাড়ী বিএনপিতে চরম ক্ষোভ, কেন্দ্রে নালিশ কুড়িগ্রামে দৈনিক কালবেলার জেলা কার্যালয় উদ্বোধন, জেলার রাজনৈতিক সাংবাদিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের মিলন মেলায় পরিনত নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাথে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ: সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বাণিজ্য সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ পলাশে সমতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও তরুণদের অধিকার বিষয়ে আলোচনা সভা প্রতিমন্ত্রীর সফরের মধ্যেই উত্তপ্ত কুমারখালী, হাতাহাতির ঘটনায় লাঞ্ছিত ৩ সাংবাদিক চিকিৎসকের বদলে অন্য ব্যক্তির সিজার করায় নবজাতকের মৃত্যু; হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার নওগাঁয় প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১, আহত ৯ জন; আটক ১
হোম › জাতীয় › বর্তমান সরকার পরামর্শ গ্রহণের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান

বর্তমান সরকার পরামর্শ গ্রহণের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৯:৪৩ এএম, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ 8
বর্তমান সরকার পরামর্শ গ্রহণের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান
মোঃ আখতারুজ্জামান
মোঃ আখতারুজ্জামাননরসিংদী প্রতিনিধি॥

বর্তমান জনগণ দ্বারা নির্বাচিত ও গণতান্ত্রিক সরকার সুশীল সমাজ এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও সুপারিশ গ্রহণের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। আমরা এমন একটি নীতি প্রণয়ন করতে চাই যা সত্যিই দেশের মানুষের কল্যাণে আসবে।


"প্যারিস থেকে আন্তালিয়া: প্রকৃতির জন্য জলবায়ু অর্থায়নের পর্যালোচনা" শীর্ষক এক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এ কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি বিগত তিন দশকে বৈশ্বিক জলবায়ু পদক্ষেপের ধীরগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ​আজ বানানীর একটি হোটেলে বেসরকারি সংস্থা চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ এই সংলাপের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে দেশীয় জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


​অনুষ্ঠানে বক্তব্যে ড. মঈন খান ৩৫ বছর আগে জাতিসংঘে পরিবেশ বিষয়ক তাঁর দেওয়া একটি ভাষণের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি আক্ষেপের সঙ্গে উল্লেখ করেন, দূষণকারী ক্ষতিপূরণ দিবে-এমন নীতির মতো তৎকালীন আলোচিত মৌলিক বিষয়গুলো আজ বিশ্বজুড়ে আজও অমিমাংসিত অবস্থায় রয়ে গেছে।


​ড. মঈন খান বলেন, মাঝে মাঝে মনে হয়, আজ আমরা অনুভব করছি যে, ৩৫ বছর আগে আমরা জাতিসংঘে যেসব পরিবেশগত শঙ্কা ও উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছিলাম, আজও আমরা সেগুলোই পুনর্ব্যক্ত করছি। বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের জন্য দায়ী ধনী দেশগুলো ঐতিহাসিকভাবে তাদের দায়ভার গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলে আমাদের সামগ্রিক বৈশ্বিক পরিবেশ প্রতিনিয়ত সংকটাপন্ন হচ্ছে।


বক্তব্যে ড. খান বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জনপ্রতিনিধিদের কঠিন চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যেখানে সাধারণ জনগণ তাৎক্ষণিক অবকাঠামো, রাস্তাঘাট ও শিল্পের উন্নয়ন চায়, সেখানে জননেতাদের স্বল্পমেয়াদী এই প্রত্যাশার পাশাপাশি সুদূরপ্রসারী পরিবেশগত টেকসই রূপরেখার একটি সঠিক ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর উন্মুক্ত মনোভাবের উল্লেখ করে বলেন, তাঁর উদাহরণ এদেশের মানুষের জন্য শিক্ষণীয়।


জলবায়ু অর্থায়ন ও জাতীয় ঋণ ইস্যুতে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে ড. মঈন খান বলেন, ঋণ গ্রহণ নিজেই কোনো বড় সমস্যা নয়, আসল সমস্যা হলো সেই অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বহু বছর ধরে ঋণ নিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ করলেও আন্তর্জাতিকভাবে উচ্চ ঋণগ্রস্ত দরিদ্র দেশের তালিকায় পড়েনি। আমরা ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা সফলভাবে বজায় রেখেছি। এর মূল কারণ বাংলাদেশের শক্তিশালী অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি, যা মোট অর্থনীতির আনুমানিক প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ জুড়ে বিস্তৃত এবং কোটি কোটি মানুষের জীবনযাত্রাকে টিকিয়ে রেখেছে। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির পুনর্গঠনের উদাহরণ টেনে বলেন, সঠিক জায়গায় বিনিয়োগ করা হলে ঋণ নিয়ে উন্নয়ন করা একটি সুদূরপ্রসারী কৌশল হতে পারে, যদি তা স্বচ্ছতার সাথে ব্যবহার করা হয়।


​নেপালের একটি ঐতিহাসিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদাহরণ টেনে তিনি দেখান কীভাবে জনসচেতনতা ও পরিবেশগত আন্দোলন প্রকৃতিকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি জলবায়ু আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত স্থানীয় গোষ্ঠীগুলোকে শুধু তারকা হোটেলগুলোর বলরুমেই সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ও মাঠপর্যায়ে তাদের প্রচারণা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।