Columbus | ১৭ আগস্ট, ২০২৬ | ২ ভাদ্র, ১৪৩৩
সর্বশেষ খবর
খায়রুল হকের দেশত্যাগে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক ‘নতজানু পররাষ্ট্রনীতির অবসান, জাতীয় স্বার্থই এখন অগ্রাধিকার’: মাহদী আমিন চীনা বাজারে নতুন কৌশল, আলিবাবার সহায়তায় নিজস্ব এআই মডেল বানাচ্ছে অ্যাপল ইরান ইস্যু ও কিমের সঙ্গে সম্পর্ক: দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মহড়া কমালেন ট্রাম্প রাজধানীতে কাল থেকে পিংক বাস, চালক-কন্ডাক্টরও নারী সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের মামলা বিশ্ববাজারে ফের চড়ছে স্বর্ণের দাম ঢাবিতে হল প্রাধ্যক্ষকে উদ্ধারে সংঘর্ষ, ভিপি\-জিএসসহ আহত অনেকে ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ, পেনসিলভেনিয়ায় শোক ও শ্রদ্ধার আয়োজন আনন্দ-উচ্ছ্বাসে সম্পন্ন হলো গ্রেটার ময়মনসিংহ অ্যাসোসিয়েশন অব পেনসিলভানিয়ার বার্ষিক বনভোজন মহাকাশে ধান চাষে চীনের যুগান্তকারী সাফল্য, খুলছে চাঁদ-মঙ্গলে কৃষির দ্বার খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিনে মালয়েশিয়ায় বিএনপির দোয়া ও স্মরণসভা যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ ঝড়-বন্যা: ইন্ডিয়ানায় চার বছরের শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু পান মসলা বিজ্ঞাপন ঘিরে বিপাকে তিন তারকা, শাহরুখ-অজয়-টাইগারকে FDA-এর নোটিশ বাসা ভাড়ার অজুহাতে অভিনব লুট, খাবারে ঘুমের ওষুধ—রহস্য উদঘাটনে পুলিশ
হোম আন্তর্জাতিক গণহত্যা চালিয়ে সেই রোহিঙ্গাদেরই সাহায্য চাইছে জান্তাবাহিনী

গণহত্যা চালিয়ে সেই রোহিঙ্গাদেরই সাহায্য চাইছে জান্তাবাহিনী

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৩:২৫ পিএম, ০৮ এপ্রিল, ২০২৪ 154
গণহত্যা চালিয়ে সেই রোহিঙ্গাদেরই সাহায্য চাইছে জান্তাবাহিনী

৭ বছর আগের কথা! মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বাসিন্দা রোহিঙ্গাদের ওপর ভয়াবহ ‘জাতিগত নিধন’ চালিয়েছিলো ক্ষমতাসীন জান্তাবাহিনী। এবার সেই জান্তাই বিদ্রোহ দমনে রোহিঙ্গাদের সহায়তা চাইছে। সোমবার (৮ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানায়।

বিবিসি প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে জান্তাবাহিনী অন্তত ১০০ রোহিঙ্গাকে বাহিনীতে ভর্তি করেছে। তাদের মধ্যে ৩১ বছর বয়সী মোহাম্মদ নামের একজন জানান, জান্তাবাহিনীকে তিনি সব সময়ই ভয় পান। তবে তারপরও যেতে হয়েছে। কারণ, যদি সেনাবাহিনী ভর্তি না হন, তাহলে তার পরিবারের ক্ষতি করা হবে। 


ভয়ভীতি দেখিয়ে মোহাম্মদের মতো আরও শতাধিক তরুণদের জোর করে জান্তাবাহিনীতে ভর্তি করানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে। আরও একাধিক রোহিঙ্গা জানিয়েছেন, রাখাইনের রাজধানী সিতওয়ের কাছের যে আশ্রয় শিবিরে তারা থাকেন, সেখানে প্রায় প্রতিদিন সামরিক কর্মকর্তারা এসে বাহিনীতে ভর্তি হওয়ার জন্য ভয় দেখিয়ে যায়।


তবে যেই রোহিঙ্গাদের জোর করে জান্তাবাহিনীতে ঢোকানো হচ্ছে, মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী তারা স্থানীয় নৃগোষ্ঠী হিসেবেই বিবেচিত না। এখনো দেশটিতে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বই অস্বীকার করা হয়। এমনকি, দেশের ভেতরেও তাদের চলাচল সীমাবদ্ধ। সেই সাথে দেশের বাইরেও যেতে দেয়া হয় না তাদের।