ডাকসুতে শিবিরের ভূমিকম্প–সদৃশ জয়
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫:
দীর্ঘ ছয় বছর পর অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যব শিক্ষার্থী জোট ব্যাপক জয় অর্জন করেছে। ভিপি, জিএস ও এজিএসসহ অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন, যা এবারের নির্বাচনে এক প্রকার “ভূমিধস জয়” হিসেবে দেখা হচ্ছগুরুত্বপূর্ণ পদে জয়
ভিপি পমো. আবু সাদিক কায়ে ১৪ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন প্রায় ৫ হাজার ৭০০ ভোএস এম ফরহাদ ১০ হাজার ৭৯৪ ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী তানভীর বারী হামিম (ছাত্রদল) পান ৫ হাজারের কিছু বেশি ভোট।
এছাড়া এজিমুহা. মহিউদ্দিন খান ১১ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।সম্পাদকীয় পদে প্
১২টি সম্পাদকীয় পদের মধ্যে ৯টিতেই জয় পেয়েছে শিবির–সমর্থিত প্রার্থীরা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
• মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলফাতেমা তাসনিম জুমা – ১০,৬৩১ ভোট
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক: ইকবাল হায়দা – ৭,৮৩৩ ভোট
• আন্তর্জাতিক সম্পাদক: খান জসিম – ৯,৭০৬ ভোট
• কমন রুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক:উম্মে ছালমা – ৯,৯২০ ভোট
নির্বাচনী পরিবেশ
ভোর থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলে বিকেল পর্যন্ত। মোট ৮টি কেন্দ্রে ৮১০টি বুথে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে। প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেএই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা একটি সুন্দর মডেল উপস্থাপন করতে পেরেছি।”
অভিযোগ ও প্রতিক্রিয়া
অন্যদিকে পরাজিত প্রার্থীরা কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান ফল প্রত্যাখ্যান করে জানা“এটি ছিল পরিকল্পিত প্রহসন।”
স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা নির্বাচনকে “সম্পূর্ণ নির্লজ্জ কারচুপি” আখ্যা দিয়ে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।সারসংক্ষেপ
ডাকসুর এবারের নির্বাচনে শিবির–সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের জয় শুধু নেতৃত্বের কাঠামোতে পরিবর্তন আনেনি, বরং ক্যাম্পাস রাজনীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়েও নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে ওঠা প্রশ্ন নির্বাচনের বৈধতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করে,্পাদাব পিএস ে
ছে।
নন সমরভএসট।
জদ