দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রার্থিতা বহাল: আইনি জটিলতা ও বিতর্কে নির্বাচন
ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা
বাংলাদেশে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে আইনি জটিলতা ও বিতর্ক নতুন নয়। সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী এ বিষয়ে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সাম্প্রতিক নির্বাচনে প্রায় ২০ জন প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও তাদের প্রার্থিতা বহাল থাকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন অথবা সেই রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেন, তবে তিনি সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা হারান। এই সাংবিধানিক বিধান থাকা সত্ত্বেও দ্বৈত নাগরিক প্রার্থীদের অংশগ্রহণ নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি কআইনি চ্যালেঞ্জ ও হলফনামা বিতরনির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী, বিদেশি পাসপোর্টধারী বা অন্য দেশের নাগরিকত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন না। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক প্রার্থী তাদের বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগের দাবি করে হলফনামা দাখিল করলেও এর সত্যতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল হলফনামা দিলেই নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয় ‘বেগম পাড়া’ প্রসঙ্গ ও দায়বদ্ধতার প্রশ্দ্বৈত নাগরিক প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনায় বারবার উঠে আসছে তথাকথিত ‘বেগম পাড়া’ প্রসঙ্গ। সাধারণভাবে এটি বিদেশে—বিশেষত কানাডায়—দ্বৈত নাগরিকদের বিলাসবহুল জীবনযাপন ও সম্পদ পাচারের অভিযোগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। সমালোচকদের মতে, বিদেশে সম্পদ ও বসবাসের সুবিধা থাকা প্রার্থীদের রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পানির্বাচন কমিশনের ভূমিকা
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ পেলে নির্বাচন কমিশনের তদন্ত করার এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিল করার বিধান রয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও একাধিক প্রার্থীর মনোনয়ন বহাল থাকায় কমিশনের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা বাড়ছে।
আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে স্পষ্ট ও কঠোর প্রয়োগ না হলে ভবিষ্যতে নির্বাচন ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত ও নির্দিষ্ট প্রার্থীদের তথ্য জানতে নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।রে।
ন