যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের বোস্টনে আয়োজিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ও ঈদ পুনর্মিলনী। আয়োজক ছিলেন নিউ ইংল্যান্ডের সর্বস্তরের বাঙালি। অনুষ্ঠানে সাধারন দর্শক ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সেখানে গান গেয়ে প্রবাসীদের মাতালেন এ সময়ের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী সাব্বির জামান। স্থানীয় সময় শনিবার (১৩ই এপ্রিল) ম্যাসাচুসেটসের মেডফোর্ডের মিডল স্কুল মিলনায়তনে অনেক দর্শকশ্রোতার উপস্থিতিতে তার সব জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন সাব্বির।
গান শুরুর আগেই সাব্বির বলেন, ’প্রবাসে যারা থাকেন দেশের প্রতি তাদের মায়া মমতা আমাদের চেয়ে বেশি। যারা বাংলা গানকে ভালবাসেন তাদেরকে এ মিলনায়তনে উপস্থিত দেখে আমি সত্যিই আনন্দিত।’
বিকেল থেকে শুরু হয় বোস্টনের বৈশাখী মেলা। হরেক রকমের কাপড়, জুয়েলারি আর খাবারের দোকানে চলে বেচাকেনা। সন্ধ্যার পর শুরু হওয়া সঙ্গীতানুষ্ঠান চলে রাত ১১টা পর্যন্ত।
তনুশ্রী বড়ূয়ার সঞ্চালনায় প্রথম পর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব নিউ ইংল্যান্ড (বেইন)-এর সাবেক সভাপতি শাহীন খান, শহিদুল ইসলাম প্রিন্স, মূলধারার রাজনীতিবিদ নাজদা আলম, বেইনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-ই খোদা (খোকা), সাজ্জাদুর রহমান সাজু ও শেখ বাহাউদ্দিন সুমন।
অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়ক মাহবুব-ই খোদা (খোকা) বলেন, ’জীবন ঘনিষ্ট একটি আয়োজন তখনি পূর্ণতা পায় যখন সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহন নিশ্চিত হয়। আর তাই আমাদের এই অর্জনটাকে আপনাদের প্রতি উৎসর্গ করা। বিদেশ বিভুঁয়ে বাঙালিয়ানার স্বাদ পেতে বাংলা নববর্ষ এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ভাগ করে নিতেই আপনাদের জন্য আমাদের এই আন্তরিক প্রয়াস।’
অনুষ্ঠানে আবারও বেইনের গত নির্বাচনে ভোট কারচুপির বিষদ ব্যাখ্যা তুলে ধরেন কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট শেখ বাহাউদ্দিন সুমন।
স্থানীয় শিল্পীদের মধ্যে-কৌশলী ইমা, জুয়েল আলম, তামান্না ইসলাম উর্মি ও আঞ্জুমান মুক্তা গান পরিবেশন করেন। এদের গানের ফাঁকে ফাঁকে নৃত্য পরিবেশন করেন স্থানীয় শিশু শিল্পী তিতিক্ষা, মেধা, ঐশী বড়ূয়া, মাসুই মার্মা, উমা মার্মা ও মাধবী।
শিল্পীদেরকে যন্ত্রে সংগত করেন-মোন্তাকিন চৌধুরী নাইস, সাইদুজ্জামান রিড ও মিঠূ। অনুষ্ঠান শেষে র্যাফেল ড্র’র মাধ্যমে ৫টি পুরুস্কার প্রদান করা হয়।
র্যাফেল ড্র’তে বিজয়ীদের হাতে পুরুস্কার তুলে দেন যথাক্রমে-সৈয়দ বদরে আলম সাইফুল, ড.বামন দাস বসু, কাজী নুরুজ্জামান ও টিপু চৌধুরী।