Columbus | ১৭ আগস্ট, ২০২৬ | ২ ভাদ্র, ১৪৩৩
সর্বশেষ খবর
খায়রুল হকের দেশত্যাগে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক ‘নতজানু পররাষ্ট্রনীতির অবসান, জাতীয় স্বার্থই এখন অগ্রাধিকার’: মাহদী আমিন চীনা বাজারে নতুন কৌশল, আলিবাবার সহায়তায় নিজস্ব এআই মডেল বানাচ্ছে অ্যাপল ইরান ইস্যু ও কিমের সঙ্গে সম্পর্ক: দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মহড়া কমালেন ট্রাম্প রাজধানীতে কাল থেকে পিংক বাস, চালক-কন্ডাক্টরও নারী সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের মামলা বিশ্ববাজারে ফের চড়ছে স্বর্ণের দাম ঢাবিতে হল প্রাধ্যক্ষকে উদ্ধারে সংঘর্ষ, ভিপি\-জিএসসহ আহত অনেকে ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ, পেনসিলভেনিয়ায় শোক ও শ্রদ্ধার আয়োজন আনন্দ-উচ্ছ্বাসে সম্পন্ন হলো গ্রেটার ময়মনসিংহ অ্যাসোসিয়েশন অব পেনসিলভানিয়ার বার্ষিক বনভোজন মহাকাশে ধান চাষে চীনের যুগান্তকারী সাফল্য, খুলছে চাঁদ-মঙ্গলে কৃষির দ্বার খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিনে মালয়েশিয়ায় বিএনপির দোয়া ও স্মরণসভা যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ ঝড়-বন্যা: ইন্ডিয়ানায় চার বছরের শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু পান মসলা বিজ্ঞাপন ঘিরে বিপাকে তিন তারকা, শাহরুখ-অজয়-টাইগারকে FDA-এর নোটিশ বাসা ভাড়ার অজুহাতে অভিনব লুট, খাবারে ঘুমের ওষুধ—রহস্য উদঘাটনে পুলিশ
হোম আন্তর্জাতিক লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে গ্রেনেড হামলা

লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে গ্রেনেড হামলা

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১১:২৫ এএম, ০১ এপ্রিল, ২০২৪ 151
লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে গ্রেনেড হামলা

লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ আল-দিবেইবাহর বাড়িতে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রবিবার ত্রিপোলির হেয় আনদালুস এলাকায় তার বিলাসবহুল বাড়িতে এই হামলা হয়।

জানা গেছে, হামলায় আরপিজি (রকেট প্রোপেলড গ্রেনেড) ব্যবহার করা হয়। এতে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক লিবিয়ার একজন মন্ত্রী হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হামলায় বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি। বিস্ফোরণের পর ওই এলাকায় বিপুল সংখ্যক সশস্ত্র নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়।


২০১১ সালের ন্যাটো-সমর্থিত বিদ্রোহের পর লিবিয়ায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়। ২০১৪ সালে দেশটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তখন থেকে লিবিয়ার পূর্ব ও পশ্চিম অংশ শাসন করছে দুটি পৃথক প্রশাসন।


২০২১ সালে জাতিসংঘ-সমর্থিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দিবেইবাহের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠিত হয়। কিন্তু জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর লিবিয়ার পূর্ব অংশ তার বৈধতাকে স্বীকৃতি দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এর ফলে দেশটিতে দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক অচলাবস্থা দেখা দেয়।

গত মার্চের শুরুর দিকে লিবিয়ার তিনজন প্রধান নেতা বলেছিলেন, তারা একটি নতুন ঐক্যবদ্ধ সরকার গঠনের ‘প্রয়োজনীয়তার’ বিষয়ে সম্মত হয়েছেন, যা বিলম্বিত নির্বাচনের তত্ত্বাবধান করবে।


তবে জাতীয় নির্বাচন ছাড়া নতুন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী দিবেইবাহ।