Columbus | ১৭ আগস্ট, ২০২৬ | ২ ভাদ্র, ১৪৩৩
সর্বশেষ খবর
খায়রুল হকের দেশত্যাগে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক ‘নতজানু পররাষ্ট্রনীতির অবসান, জাতীয় স্বার্থই এখন অগ্রাধিকার’: মাহদী আমিন চীনা বাজারে নতুন কৌশল, আলিবাবার সহায়তায় নিজস্ব এআই মডেল বানাচ্ছে অ্যাপল ইরান ইস্যু ও কিমের সঙ্গে সম্পর্ক: দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মহড়া কমালেন ট্রাম্প রাজধানীতে কাল থেকে পিংক বাস, চালক-কন্ডাক্টরও নারী সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের মামলা বিশ্ববাজারে ফের চড়ছে স্বর্ণের দাম ঢাবিতে হল প্রাধ্যক্ষকে উদ্ধারে সংঘর্ষ, ভিপি\-জিএসসহ আহত অনেকে ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ, পেনসিলভেনিয়ায় শোক ও শ্রদ্ধার আয়োজন আনন্দ-উচ্ছ্বাসে সম্পন্ন হলো গ্রেটার ময়মনসিংহ অ্যাসোসিয়েশন অব পেনসিলভানিয়ার বার্ষিক বনভোজন মহাকাশে ধান চাষে চীনের যুগান্তকারী সাফল্য, খুলছে চাঁদ-মঙ্গলে কৃষির দ্বার খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিনে মালয়েশিয়ায় বিএনপির দোয়া ও স্মরণসভা যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ ঝড়-বন্যা: ইন্ডিয়ানায় চার বছরের শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু পান মসলা বিজ্ঞাপন ঘিরে বিপাকে তিন তারকা, শাহরুখ-অজয়-টাইগারকে FDA-এর নোটিশ বাসা ভাড়ার অজুহাতে অভিনব লুট, খাবারে ঘুমের ওষুধ—রহস্য উদঘাটনে পুলিশ
হোম আন্তর্জাতিক ১০০ বছর পর খুলে দেয়া হলো গ্রিসের ঐতিহাসিক ইয়েনি যামি মসজিদ

১০০ বছর পর খুলে দেয়া হলো গ্রিসের ঐতিহাসিক ইয়েনি যামি মসজিদ

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৩:০০ পিএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪ 166
১০০ বছর পর খুলে দেয়া হলো গ্রিসের ঐতিহাসিক ইয়েনি যামি মসজিদ

গ্রিসের ঐতিহাসিক ইয়েনি যামি মসজিদ, ১শ’ বছর ধরে যেখানে বন্ধ ছিল নামাজ আদায়। অর্থোডক্স খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠদের দেশটিতে গত শতক থেকেই বহাল ছিল এমন সিদ্ধান্ত। সম্প্রতি, মত পাল্টায় দেশটির কর্তৃপক্ষ। এক শতাব্দি পর, বুধবার আদায় হয় ঈদুল ফিতরের নামাজ।

অনন্য স্থাপত্যশৈলীর প্রাচীন নিদর্শনটি কখনো ব্যবহার হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে, কখনো বা জাদুঘর। আদতে এক সময় যা ছিল মসজিদ। একশ বছর পর, আবারও মুসলিমদের জন্য খুলে দেয়া হলো গ্রিসের ঐতিহাসিক ইয়েনি যামি মসজিদ। পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে দেশটির সংখ্যালঘু মুসলিমরা ফিরে পান হারানো ঐতিহ্য।


গ্রিসের এক নাগরিক বলেন, গ্রিসে, মুসলিম আর সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এ ধরনের উদ্যোগ তারই বার্তা দেয়। আমার দেশ, আমার ধর্মকে সম্মান করছে। প্রার্থনা করতেও সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। সুতরাং, এটি খুবই ভালো আর গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।


অটোম্যান শাসনামলে মসজিদটি তৈরি হয়েছিলো মূলত ডনমেহ সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য। যারা ইহুদি থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। ১৯২৩ সালে, গ্রিস এবং তুরস্কের মধ্যকার চুক্তি অনুসারে বিনিময় হয় দু’দেশের সংখ্যালঘু মুসলিম ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। এর ফলে বন্ধ হয়ে যায় মসজিদটিতে মুসলিমদের প্রার্থনা।


গ্রীসের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরে অবস্থিত এই মসজিদ সম্পর্কে অজানা ছিলেন অনেকেই। সম্প্রতি, দেশটির কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিলে মসজিদটিতে ঈদের নামাজে অংশ নেন ৭০ মুসল্লি। এসময়ে এক মুসল্লি বলেন, আমাদেরকে বলা হয়েছে ১শ’ বছরের মধ্যে এই প্রথম, মসজিদটির দরজা খুলে দেয়া হবে। তাই নামাজ পড়তে এসেছিলাম। এতদিন এটাকে জাদুঘর হিসেবে চিনলেও, জানতাম না এটা একটা মসজিদ। প্রায় ৬৩ ব্ছর যাবৎ এখানে আছি, আজকেই প্রথম দেখলাম।


প্রায় এক শতাব্দিরও বেশি সময়ের আগের ((১৯০২)) মসজিদটির স্থাপত্যে দেখা মেলে ইসলামিক কারুকার্যের। ১৯০২ সালে, ইতালিয়ান স্থপতি ভিতালিনো পোসেলির হাত ধরেই গড়ে ওঠে অনন্য নিদর্শনটি।


ইউরোপের দেশ, গ্রিসের অধিকাংশই অর্থোডক্স খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। ২০২০ সাল পর্যন্তও দেশটিতে মুসলিমদের জন্য ছিল না কোনো মসজিদ। বর্তমানে, মোট জনসংখ্যার মাত্র ২ শতাংশ ইসলাম ধর্মের অনুসারী।