পেনসিলভানিয়া | ১৩ আগস্ট, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩
সর্বশেষ খবর
মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে ৩টি মনোনয়নপত্র জমা লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ও অপেক্ষা ছাড়া আপাতত কোনো উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী ‘র’ প্রধানের বাংলাদেশ সফর নিয়ে জল্পনার কিছু নেই: ডা. জাহেদ ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কে নতুন বার্তা: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সৌদি আরবে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড: রিয়াদে প্রাণ গেল ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের নিউইয়র্কে করোনা ত্রাণ তহবিল জালিয়াতি: ৯ জনের দোষ স্বীকার, ফেরত দিতে হবে ১০ লাখ ডলারের বেশি কর-সংক্রান্ত জটিলতা ও আর্থিক তথ্য গোপনের প্রশ্নের মধ্যে পদত্যাগ করলেন আপার ডার্বি ট্রেজারার ড্যানি সাইদুজ্জামান অতিরঞ্জিত প্রশংসা বা অযৌক্তিক সংবাদ 🇧🇩 জুলাই বর্ষা বিপ্লবের দুই বছর 🇧🇩 বৃহত্তর কুমিল্লা সোসাইটি অব পেনসিলভেনিয়ার সাধারণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত APWU Local Area #89 নির্বাচন ২০২৬: নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত, ট্রাস্টি পদে বিজয়ী এমডি মাহিদুন্নবী রুকু ফিলাডেলফিয়া ও আশপাশের এলাকায় ঈদুল আযহার জামাতের সময়সূচি প্রকাশ Philadelphia-এ ডেমোক্র্যাটিক কমিটি পার্সন নির্বাচিত হওয়ায় মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ঐতিহাসিক জয়: টানা ৫ম বারের মতো জর্জিয়া স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হলেন শেখ রহমান
হোম জাতীয় “প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা কোথাও ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং, বিদ্যুৎ গেল কোথায়”

“প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা কোথাও ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং, বিদ্যুৎ গেল কোথায়”

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০২:৫০ পিএম, ০৫ মে, ২০২৪ 150
“প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা কোথাও ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং, বিদ্যুৎ গেল কোথায়”

বর্তমানে গ্রামগঞ্জে মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোথাও ১২ ঘণ্টা, কোথাও ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং। আমার এলাকাতেই ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। সরকার বলেছে ২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সক্ষমতা আছে। তাহলে বিদ্যুৎ গেল কোথায়? 

রোববার (৫ মে) জাতীয় সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নু এ কথা বলেন।

চুন্নু বলেন, এই মুহূর্তে সারাদেশের মানুষ অনেক সমস্যায় আছেন। তার মধ্যে দুটি সমস্যায় মানুষ অনেক বেশি আক্রান্ত, তার একটি হচ্ছে বিদ্যুৎ। বর্তমানে গ্রামগঞ্জে লোডশেডিং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোথাও ১২ ঘণ্টা, কোথাও ৮ ঘণ্টা। আমার এলাকায় ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। সরকার বলেছে ২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সক্ষমতা আছে, তাহলে এত বিদ্যুৎ গেল কোথায়? গ্রামে লোডশেডিং হয় না চ্যালেঞ্জ করবেন কেন?

তিনি বলেন, কি যে একটা অসহনীয় অবস্থা, ঢাকা থেকে আপনারা বুঝবেন না। আমার এলাকার মানুষ বলেছে, লোডশেডিং হয় কিনা সেটা দেখাতে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীকে এলাকায় ১ দিন থাকার দাওয়াত দেওয়ার জন্য। আগের অধিবেশনে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আমাকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। আমি চ্যালেঞ্জ চাই না, আমি চাই উনি সশরীরে আমার এলাকায় যাবেন। দেখবেন সারাদিনে কয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে। 

আইএমএফের প্রস্তাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মন্ত্রী দাম বৃদ্ধিকে বলেন সমন্বয়। এ সমন্বয় এক বছর করেছেন। আগামী তিন বছরে ১২ বার করবেন। ভর্তুকি পুরো তুললে বিদ্যুতের দাম দ্বিগুণ হয়ে যাবে। মানুষ কিনতে পারবে কি না আমি জানি না। দাম বৃদ্ধি না করে এমন পদক্ষেপ নেন, যেটাতে জনগণের ওপর চাপ না পড়ে সহনীয় পর্যায়ে আপনারা সরকারেও থাকতে পারেন। আর বিদ্যুৎও যাতে পাওয়া যায়।