পেনসিলভানিয়া, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ | ২ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র আজ ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফ সংক্ষিপ্ত আয়োজন, সাধারণ দর্শকদের জন্য সীমিত সুযোগ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি হলে ‘খুবই কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প বাংলাদেশের তিন দিক ঘিরে পাঁচটি বিমানঘাঁটি সচল করছে ভারত আকাশে সর্বোচ্চ সংখ্যক জাতীয় পতাকা উড়িয়ে গিনেস বিশ্বরেকর্ডে বাংলাদেশ বাংলাদেশের জন্য তিনটি সুখবর দিলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত দণ্ডিত ২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেছেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট বিক্ষোভকারীদের ‘আল্লাহর শত্রু’ ঘোষণা ইরানের, মৃত্যুদণ্ডের হুঁশিয়ারি ঋণখেলাপি হয়েও টিকেছেন ৩১ প্রার্থী, অর্ধেক বিএনপির দেশের সকল হাসপাতালের জন্য জরুরি নির্দেশনা সঙ্কটাপন্ন ওবায়দুল কাদের পররাষ্ট্র উপ‌দেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ, হলো যে কথা মনোনয়ন বাতিলের পর যা বললেন ডা. তাসনিম জারা কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে বিভক্তি ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: জামায়াত আমির বাংলাদেশ নীতিতে দিল্লির রাজনৈতিক পরাজয়

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো, ব্যাপক ধরপাকড় ও নির্যাতন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৫৮ এএম, ২৭ এপ্রিল, ২০২৪

গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এসব আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন শিক্ষকরাও। নজিরবিহীন এ আন্দোলন ঠেকাতে ব্যাপক মারমুখি দেশটির পুলিশ। নির্যাতন ও ধরপাকড়ের শিকার হচ্ছেন শিক্ষকরাও। বহিষ্কারের হুমকি দেয়া হচ্ছে ছাত্রদের। এতকিছুর পরও দমানো যাচ্ছে না আন্দোলনকারীদের। ধীরে ধীরে আরও তীব্র হচ্ছে আন্দোলন।

বলা হচ্ছে, সাম্প্রতিক ইতিহাসে এত বড় ছাত্র আন্দোলন দেখেনি যুক্তরাষ্ট্র। ক্যালিফোর্নিয়া থেকে বোস্টন, নিউইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটন; হার্ভার্ড থেকে জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি, ওহাইও থেকে নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি একের পর বিশ্ববিদ্যালয় শামিল হচ্ছে গাজায় গণহত্যা বন্ধের দাবিতে। যুক্তরাষ্ট্রের পর ইসরায়েলবিরোধী এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়াতেও।


আন্দোলনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, ইসরায়েল ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে আর্থিক সম্পর্ক বাতিল করতে হবে। সব ছাত্র ও শিক্ষকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ফিলিস্তিনের জন্য আন্দোলনের কারণে যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে তাদের বহিষ্কারাদেশ তুলে নিতে হআরেক আন্দোলনকারী বলেন, ফিলিস্তিনে যে গণহত্যা চলছে, সেটি ছাত্ররা বসে বসে দেখতে পারে না। ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্কের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এই হত্যাযজ্ঞে শামিল হতে পারে না।


আন্দোলনের তীব্রতা যত বাড়ছে, সমান তালে চলছে দমনপীড়ন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার, হুমকিধামকি, ধরপাকড়ের পরও অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

এবিষয়ে এক আন্দোলনকারী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এতগুলো বিশ্ববিদ্যালয় গাজার মানুষের প্রতি একাত্মতা জানিয়েছে। আমাদের দাবি, ইসরায়েলের সাথে সব ধরণের অ্যাকাডেমিক সম্পর্ক বাতিল করতে হবে। গাজায় গণহত্যা ইস্যুতেও দৃষ্টি আকরআরেকজন বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবো। ইসরায়েলের অর্থায়ন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ বন্ধ হবে না।






মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad