পেনসিলভানিয়া, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
আজ ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফ সংক্ষিপ্ত আয়োজন, সাধারণ দর্শকদের জন্য সীমিত সুযোগ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি হলে ‘খুবই কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প বাংলাদেশের তিন দিক ঘিরে পাঁচটি বিমানঘাঁটি সচল করছে ভারত আকাশে সর্বোচ্চ সংখ্যক জাতীয় পতাকা উড়িয়ে গিনেস বিশ্বরেকর্ডে বাংলাদেশ বাংলাদেশের জন্য তিনটি সুখবর দিলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত দণ্ডিত ২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেছেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট বিক্ষোভকারীদের ‘আল্লাহর শত্রু’ ঘোষণা ইরানের, মৃত্যুদণ্ডের হুঁশিয়ারি ঋণখেলাপি হয়েও টিকেছেন ৩১ প্রার্থী, অর্ধেক বিএনপির দেশের সকল হাসপাতালের জন্য জরুরি নির্দেশনা সঙ্কটাপন্ন ওবায়দুল কাদের পররাষ্ট্র উপ‌দেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ, হলো যে কথা মনোনয়ন বাতিলের পর যা বললেন ডা. তাসনিম জারা কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে বিভক্তি ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: জামায়াত আমির বাংলাদেশ নীতিতে দিল্লির রাজনৈতিক পরাজয় মির্জা আব্বাসের ১৪৫ কোটি টাকার বিশাল সম্পদের পাহাড়

“৯০ দশকের অসাধারন কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা”

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪:১৩ পিএম, ০৩ মে, ২০২৪

তানজিমা আক্তার

ঠিক কোন স্মৃতি দিয়ে শুরু করব বুঝতে পারছি না তবে শুরুটা হওয়া জরুরি। শুরুটা কি এমন হতে পারে ধরুন আমাদের ৯০ দশকের শৈশবের কিছু স্মৃতি এবং তার প্রতি ভালোবাসা।তবে তাই হোক।

 আমি শুরু করছি আমার কিছু শৈশবের অভিজ্ঞতা নিয়ে যা আশা করছি অনেকের শৈশবের সাথে মিলে যাবে।

  আমাদের বাড়িটা ছিল ঐ সময়ের ঢাকার মধ্যে বিশাল বড় একতালা বাড়ি।বাড়িটির উপরে ছাদের পাশে ছাদ ঘর ছিল সেখানে সন্ধ্যায় জমে উঠত আড্ডা।আর নিচতালায় অনেকগুলো ঘর একসাথে ছিল যেখানে আমরা জেঠা জেঠী ভাই বোনরা একসাথে সবাই ছিলাম।

  আমার বড় জ্যাঠামনির ঘরে একটাই টিভি ছিল সেটাও আবার “সাদাকালো”।যার মধ্যে একটাই চ্যানেল ছিল “বিটিভি”।আমাদের বাসায় আমার বলে কিছু ছিল না সব সময় সবাই বলতাম “আমাদের“এই ছোট্ট শব্দটির মধ্যে অনেক আবেগ লুকিয়ে আছে যা আজ আর খুজেঁ পাওয়া যায় না।

  সেই “সাদাকালো” টিভিতে শুক্রবার হলেই আমরা ভাই বোনেরা অনেক ধরনের অনুষ্ঠান দেখার জন্য অপেক্ষা করতাম এবং একসাথে সবাই দেখতাম এ যেন মিলন মেলা। শুক্রবার হলে আমাদের বাসার সবাই থাকতো সকাল থেকে পুরো বাসা সবার কথায় গুমগুম করত এবং আমরা ছোট ছোট ভাই বোনেরা খুবই খুশি থাকতাম কারণ আমাদের আব্বু,বড় জ্যাঠা,ছোট জ্যাঠা,বড় ভাই সবাই বাসায় থাকতো।

  আমার বড় জ্যাঠা সব সময় অফিস থেকে বাড়ি ফেরার সময় পকেট ভরে “মিমি” নিয়ে আসতেন আমাদের ভাই বোনদের জন্য।সময়ের সাথে এখন মিমির প্যাকেট পরিবর্তন হয়ে গেছে কিন্তু স্মৃতি রয়ে গেছে।বড় জ্যাঠা ঘরে আসলেই আমাদের সাহস বেরে যেত কারন মা পড়াতে বসিয়ে আর কিছু বলতে পারবে না।আমাদের বড়জ্যাঠা আমাদের কাধেঁ করে রাখতেন।আমাদের একটু শব্দ শুনলেই জ্যাঠা বলে উঠতেন “কি হইছেরে আমার জ্যাঠার” আর আমরাও আল্লাদে বড় করে কান্না করে ফেলতাম।সেই স্মৃতিগুলো মনে হলে আজ ও চোখে পানি চলে আসে।

   অনেক স্মৃতি ভরা আমার সেই শৈশব যা ভুলার নয়।আমি আরো ছোট ছোট ৯০ দশকের স্মৃতি সবাইকে মনে করিয়ে দিতে চাই।আমার এই চেষ্টা।


মন্তব্যঃ

শবনম বলেছেন, ০৯:০৭ পিএম, ০৩ মে, ২০২৪

শৈশব টা আসলেই অনেক সুন্দর ছিলো!

Ahona বলেছেন, ০৪:০৩ এএম, ০৪ মে, ২০২৪

আমারও মনে পড়ে ড্রয়িংরুমে বসে আমার পছন্দের কমলা কালার প্লেটে তোমার হাতে ভাত খাওয়া। রাতের বেলা তোমার সাথে ঘুমানোর জন্য কান্নাকাটি করা। তারপর কলেজ থেকে আসার সময় আমার জন্য কেক নিয়ে আসা। সবকিছুই মনে পড়ে কিন্তু এগুলো শুধু এখন স্মৃতি। 😌

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad