পেনসিলভানিয়া, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র আজ ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফ সংক্ষিপ্ত আয়োজন, সাধারণ দর্শকদের জন্য সীমিত সুযোগ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি হলে ‘খুবই কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প বাংলাদেশের তিন দিক ঘিরে পাঁচটি বিমানঘাঁটি সচল করছে ভারত আকাশে সর্বোচ্চ সংখ্যক জাতীয় পতাকা উড়িয়ে গিনেস বিশ্বরেকর্ডে বাংলাদেশ বাংলাদেশের জন্য তিনটি সুখবর দিলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত দণ্ডিত ২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেছেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট বিক্ষোভকারীদের ‘আল্লাহর শত্রু’ ঘোষণা ইরানের, মৃত্যুদণ্ডের হুঁশিয়ারি ঋণখেলাপি হয়েও টিকেছেন ৩১ প্রার্থী, অর্ধেক বিএনপির দেশের সকল হাসপাতালের জন্য জরুরি নির্দেশনা সঙ্কটাপন্ন ওবায়দুল কাদের পররাষ্ট্র উপ‌দেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ, হলো যে কথা মনোনয়ন বাতিলের পর যা বললেন ডা. তাসনিম জারা কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে বিভক্তি ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: জামায়াত আমির বাংলাদেশ নীতিতে দিল্লির রাজনৈতিক পরাজয়

জুলাই সনদ ও গণভোট ইস্যুতে যে সতর্কবার্তা দিলেন মির্জা গালিব

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:১২ পিএম, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫

ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব বলেছেন, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। 

সেই সঙ্গে, এটি বাস্তবায়ন না হলে দেশ ‘শেখ হাসিনার আমলের পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায়’ ফেরত যাবে বলেও সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।


শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে মির্জা গালিব এ সতর্কবার্তা দেন। 


তিনি বলেন, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আমাদের লাগবেই। এইটা না হইলে আমরা ফেরত যাব হাসিনার আমলের সিস্টেমে। এই সিস্টেমে হাসিনা এসে আবার দাবি করতে পারবে যে, সে নিজে অবৈধ ছিল না; বরং তার বিপক্ষে যে আন্দোলন হয়েছে, সেই আন্দোলনই অবৈধ ছিল।  


ড. গালিব বলেন, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ইচ্ছার ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না। এটি হতে হবে জনগণের সামষ্টিক ইচ্ছার প্রতিফলন। আর সেই প্রতিফলন ঘটানোর একমাত্র পদ্ধতি হলো গণভোট।


তার মতে, এই গণভোটের রায় পরবর্তী সংসদের ওপর বাধ্যতামূলক বা বাইন্ডিং হতে হবে। নতুন সংসদকে এই জনরায় বাস্তবায়ন করতে বাধ্য থাকতে হবে।


গণভোটের সময়সূচি নিয়ে তিনি বলেন, এই গণভোট ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে হবে, না একসাথে হবে—এইটা খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন না। বিএনপি যদি জাতীয় নির্বাচনের সাথে এইটা একসাথে করতে চায়, অন্যদের এতে আপত্তি করা উচিত না। মূল প্রশ্ন হলো, গণভোটের মধ্য দিয়ে সনদকে আইনি বাধ্যবাধকতায় নিয়ে যাওয়া।


তিনি আরও প্রস্তাব করেন, সনদের যেসব বিষয়ে সব দল একমত, সেগুলো এক প্যাকেজে; আর যেসব বিষয়ে মতবিরোধ আছে, সেগুলো আরেক প্যাকেজে গণভোটে নেওয়া যেতে পারে। দুইটি আলাদা প্রশ্নে জনগণ ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে পারবে, এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হবে।


ড. মির্জা গালিব বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করেই আমাদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করতে হবে। এইখানে কোনো কমপ্রোমাইজ হবে না।

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad