Columbus, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
কুলাউড়ায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার, ৬ মাসের কারাদণ্ড কুলাউড়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশ-এলাকাবাসীর হানায় ডাকাত গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় গুদামে ৬৮৩ বস্তা চাল উদ্ধার, নিখোঁজ ১১৭ বস্তা গ্রাম আদালত সক্রিয় হলে সহজে বিচার পাবেন গ্রামের মানুষ: নোয়াখালীতে সমন্বয় সভা মুসাপুর ক্লোজার প্রকল্প অনুমোদন: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সংবাদ ব্রিফিং নওগাঁয় উৎসবমূখর পরিবেশে সমতলের আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসব রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাৎ, জাতিসংঘ সফর নিয়ে আলোচনা কুড়িগ্রামে মানসিক প্রতিবন্ধী নারী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ধর্ষণের অভিযোগ দৌলতপুরে সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির সতর্কতায় ব্যর্থ বিএসএফ। পেনসিলভেনিয়ায় লাইসেন্স পেল সোনালী এক্সচেঞ্জ, তবে এখনো প্রকাশ হয়নি কোনো শাখার ঠিকানা চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের বিদায়ী সাক্ষাৎ, ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা ইরানকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়ার কথা অস্বীকার ট্রাম্পের, পরমাণু ইস্যুতে নতুন উত্তেজনা সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের হয়রানি করা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে চাঁদাবাজির বিস্তার, ৮৫ শতাংশ মামলায় অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার দাবি রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের ইউরেনিয়াম পরিবহনে বাধা, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে আসার কথা
হোম › বাংলাদেশ › সুদানে গণহত্যা নিয়ে যে প্রশ্ন তুললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

সুদানে গণহত্যা নিয়ে যে প্রশ্ন তুললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১১:২০ পিএম, ০১ নভেম্বর, ২০২৫ 213
সুদানে গণহত্যা নিয়ে যে প্রশ্ন তুললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

আফ্রিকার দেশ সুদানে গণহত্যা নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা ও আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।

শনিবার রাতে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সংকটে পড়েছে আফ্রিকার দেশ সুদান। গত তিন দিনে অন্তত দেড় হাজার মানুষকে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা, যার মধ্যে হাসপাতালের প্রায় ৫০০ রোগী এবং তাদের স্বজনও রয়েছে।


‘শুধু তা-ই নয়, ২০২৩ সালে শুরু হওয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত দেড় লাখের বেশি মানুষ মারা গেছে। এ ছাড়া সন্ত্রাসীদের ভয়ে দেশটির প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।’


দরিদ্র দেশটিতে এতবড় মানবিক বিপর্যয় চলছে অথচ বিপর্যয়ের তুলনায় মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কার্যকর কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আফ্রিকায় শান্তিরক্ষা মিশনের উদ্দেশ্য নিয়ে সচেতন মানুষের মনে নানামুখী প্রশ্ন রয়েছে। সেই প্রশ্নই কি তবে সত্য? শান্তিরক্ষার নামে আফ্রিকায় তাদের কাজ কি তবে শুধুই নিজেদের আখের গোছানো?



তিনি বলেন, শান্তিরক্ষা নামের সার্থকতা রক্ষার্থেও কি তারা সুদানের সহিংসতা বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেবে না? এই একই ঘটনা উন্নত কোনো দেশে সংঘটিত হলে পৃথিবীজুড়ে যে তোলপাড় শুরু হতো এবং যে পরিমাণ মিডিয়া কাভারেজ পেত, তার সিকিভাগ মনোযোগও কি পাচ্ছে সুদান? গরিব এবং মুসলমান বলেই কি কথিত সভ্যদের কাছে তাদের জীবনের কোনো দাম নেই?