পেনসিলভানিয়া, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ | ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে দলগত সম্পৃক্ততা ও ‘সমন্বয়কারী তাপস’— জাতীয় তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন চট্টগ্রাম বন্দর চালাবে বিদেশিরা, কমিশন যাবে শেখ পরিবারে বিএনপিতে যোগ দিলেন জামায়াতের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী ‘সাহস থাকলে প্লেন পাঠান, আমি চলে যাব’ ভাইরাল অডিওতে শেখ হাসিনার হুঙ্কার খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের আশ্রয় আবেদনের সিদ্ধান্ত স্থগিত ট্রাম্প প্রশাসনের খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা সমালোচনামূলক কনটেন্ট সরাতেই গুগলকে বেশি অনুরোধ অন্তর্বর্তী সরকারের যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হলো আরো ৩৯ বাংলাদেশিকে শেখ পরিবার ছাড়াও আরো ৬ জনকে কারাদণ্ড ৩ মামলায় হাসিনার ২১ বছর কারাদণ্ড ডিবি হারুন ও বেনজীর পরিবারের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ ‘কবর থেকে মানুষ যেমন ফেরে না, শেখ হাসিনাও রাজনীতিতে ফিরবেন না’ এবার নিজেকে ‘গার্ডিয়ান অব চিটাগাং’ ঘোষণা শাহজাহান চৌধুরীর নির্বাচনের জন্য বিএনপি পুরোপুরি প্রস্তুত : রিজভী

হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর কোন প্রক্রিয়ায়, জানালেন শিশির মনির

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:১৪ এএম, ২২ নভেম্বর, ২০২৫

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যে রায় হয়, এই রায় সরাসরি কার্যকর হয় না। সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আছে। আপিলে নিষ্পত্তি হবে, রিভিউর শুনানি হবে। তার পরে কার্যকরের বিষয় আসে।

সম্প্রতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উপায় নিয়ে দৈনিক যুগান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।

শিশির মনির বলেন, যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে, তারা যেহেতু আদালতে আত্মসমর্পণ করেন নাই। সেই জন্য তাদের আপিল করার ইখতেয়ার নাই। কারণ আপিল করতে গেলে জেলে থাকতে হয় অথবা বেলে থাকতে হয়, তবে আপিল করা যায়। তারাও আপিল করতে পারবেন, যদি তারা বাংলাদেশে এসে আদালতের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। সেই আপিল নিষ্পত্তির পরে ফাঁসি কার্যকরের প্রশ্ন আসে।


তিনি বলেন, যারা বলছেন কার্যকর এখনই করে ফেলতে হবে, তারা হয়তো আইনের বিধান সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখে না। যার কারণে এসব কথা বলছেন।


তাদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে শিশির মনির বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্দি বিনিময় চুক্তি আছে এটা ঠিক। কিন্তু শেখ হাসিনা তো ভারতে বন্দি না, তিনি তো সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন। ভারতে নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টার তত্ত্বাবধানে তিনি সেখানে থাকেন। এটাকে তো বন্দি বলা যায় না।


তিনি আরও বলেন, বন্দি হয় তখনই যখন এদেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন, তারা যদি অনুরোধ গ্রহণ করেন। তাহলে তারা তাদের হোম মিনিস্টারের কাছে সেটি পাঠাবেন। তারা তাকে গ্রেফতার করবেন, এর পর নিকটস্থ ম্যাজেস্ট্রেটের সামনে নিয়ে হাজির করবেন। করে তাকে জেলে পাঠাবেন। তখনই তাকে বন্দি বলে। ওই বন্দি হওয়ার পরে প্রশ্ন আসে বন্দি বিনিময়।


এই আইনজীবী আরও বলেন, বন্দি বিনিময় করতে হলে দুটি কাজ করতে হবে। একটি হলো শক্তিশালী কূটনৈতিক তৎপরতা। দ্বিতীয়টি হলো দেশের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ আইনি ফার্ম আছে, তাদেরকে নিয়োগ দিতে হবে।


তিনি বলেন, যাকে অন্যদেশ থেকে আনা হবে তিনিও আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। তিনি তো নাও আসতে পারেন, আদালতে ফাইট করতে পারেন।


সর্বশেষ তিনি বলেন, মূল বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে- আইনের নিয়মের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা মাধ্যমে এই বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে যাওয়া।

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad