অনলাইন | ১৮ আগস্ট, ২০২৬ | ৩ ভাদ্র, ১৪৩৩
সর্বশেষ খবর
দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের স্কোয়াড ঘোষণা, নেতৃত্বে মাহিদুল আনকন তামিলনাড়ুর কৃষকদের বড় সুখবর, ৭৫ হাজার রুপি পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের ঘোষণা থালাপতি বিজয়ের ১৫ বছর পর ফিরছে ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’? সিক্যুয়েল নিয়ে বড় আপডেট জোয়া আখতারের বিদ্যুতের বেহাল দশা: ৩৩ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার দেশেও কেন অন্ধকার? শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল: হাজার হাজার কোটি টাকার অনিয়ম, জবাবদিহি কোথায়? আজিজকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ চায় ট্রাইব্যুনাল প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে জাতীয় সংসদের দেয়ালে কালেমা তাইয়্যেবা ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধস, অনুমোদন নেমে ৩৩ শতাংশে অরুণাচল সীমান্তে চীনা অনুপ্রবেশের অভিযোগ, ফের উত্তপ্ত ভারত–চীন সম্পর্ক ধীরে ধীরে গণতন্ত্র সংকুচিত হয়ে আসছে: নাহিদ ইসলাম ‘আওয়ামী লীগ কোনো দিনই পরিবর্তন হবে না’: ডা. সায়মা আফরোজ কয়েকটি রাস্তা-ব্রিজ বানিয়ে দেশ বানানোর দাবি নয়, প্রয়োজন সামগ্রিক উন্নয়ন: তারেক রহমান দোয়া ও স্মৃতিচারণে বাফেলোতে খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন ব্রেন টিউমারের চিকিৎসায় ইলিয়াস কাঞ্চন, দেড় বছর পর দেশে ফিরে আবার লন্ডনে ইনফান্তিনোর চতুর্থ মেয়াদের পথে বাধা, প্রার্থিতা ঠেকাতে ফিফার কাছে ফেয়ারস্কয়ারের চিঠি
হোম আমেরিকা মিশিগানে পুলিশের গুলিতে আরেক বাংলাদেশি নিহত

মিশিগানে পুলিশের গুলিতে আরেক বাংলাদেশি নিহত

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৮:২৬ পিএম, ১৪ এপ্রিল, ২০২৪ 252
মিশিগানে পুলিশের গুলিতে আরেক বাংলাদেশি নিহত

স্টাফ রিপোর্টারঃ সামসুল হুদা টুটুল॥

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে ওয়ারেন সিটি পুলিশের গুলিতে হোসেন আল রাজি (১৮) নামে এক বাংলাদেশি তরুণ নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১২ এপ্রিল) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওয়ারেন সিটি পুলিশের এক কর্মকর্তা স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, মধ্য দুপুরে ৯১১ এ পরিবারের পক্ষ থেকে একটা ফোন আসে। সঙ্গে সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তা সেখানে পৌঁছান। পুলিশ কর্মকর্তারা ওই যুবকের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখতে পান এবং অস্ত্র ফেলে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু ওই যুবক তাদের অনুরোধ উপেক্ষা করে পুলিশ কর্মকর্তাদের দিকে অস্ত্র নিয়ে তেড়ে আসেন।


পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান, উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা আত্মরক্ষার্থে ১০ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। পরে আহত অবস্থায় যুবককে হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্য ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নিহতের বাবা মোহাম্মদ আতিক হোসেন জানান, আমার দুই ছেলে ও আমি সকালে একসঙ্গে ফজরের নামাজ পড়ার পর সবাই ঘুমিয়ে পড়ি। দুপুরের দিকে ওর মা ও আমার মেজো ছেলে আমাকে বলছে হোসেন আল রাজি অসংলগ্ন আচরণ করছে। আমিও দেখি ও তার আচরন অস্বাভাবিক। আমার মেজো ছেলেকে দিয়ে ৯১১ এ কল দেই। অ্যাম্বুলেন্সের সহযোগিতায় আমার ছেলেকে হাসপাতালে নেওয়া যায় কিনা। কিছুক্ষণের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স ও পুলিশ আসলে আমরা নিরাপদ স্থানে আছি কি না জানতে চাওয়া হয়।


তিনি জানান, আমরা গ্যারেজের গাড়ির ভেতর আছি বলার কিছু সময়ের মধ্যে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পাই। আবার কিছুক্ষণ পরেই পুলিশ কর্মকর্তারা আমাদের ডেকে সবাইকে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে নিয়ে সবার জবানবন্দি নেন। আমরা সবাই বাসায় ফিরে আসলে বিকেল ৪টার দিকে খবর আসে আমার ছেলে মারা গেছে। আমি অ্যাম্বুলেন্সের সাহায্য চাইলাম ছেলেকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য আর পুলিশ আমার ছেলেকে গুলি করে মেরে ফেললো। কি এমন অপরাধ করলো আমার ছেলে, যে কারণে ওকে গুলি করে মারতে হলো। তিনি মিশিগানে বসবাসরত বাংলাদেশি-আমেরিকান সবার সাহায্য-সহযোগিতা চেয়েছেন।


নিহতের বাবা জানান, আমার ছেলের মরদেহ এখনো হাসপাতালে পড়ে আছে। দেখতেও পারছি না। তবে সোমবার মরদেহ হস্তান্তর করার সম্ভাবনা আছে। হস্তান্তর করা হলে ওই দিনই ইসলামিক সেন্টার অফ ওয়ারেনে দুপুরে জানাজার নামাজ শেষে ওখানেই দাফন করা হবে। জানা গেছে, নিহত হোসেন আল রাজি হলেন মোহাম্মদ আতিক হোসেনের বড় ছেলে। দেশের বাড়ি সিলেটের বিয়ানিবাজার পৌরসভার সুপাতলায়। প্রায় ১৬ বছর আগে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে ও দ্বিতীয় ছিল।


এ ঘটনায় দ্বিতীয় বৃহত্তম বাংলাদেশি অধ্যুষিত মিশিগানে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং কমিউনিটিতে চরম উদ্বেগ-উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।

উল্লেখ্য,গত ২৭ মার্চ নিউইয়র্কের ওজনপার্কে ১৯ বছরের যুবক উইন রোজারিও পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। উভয় ঘটনা তদন্তাধীন আছে।