পেনসিলভানিয়া, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র আজ ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফ সংক্ষিপ্ত আয়োজন, সাধারণ দর্শকদের জন্য সীমিত সুযোগ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি হলে ‘খুবই কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প বাংলাদেশের তিন দিক ঘিরে পাঁচটি বিমানঘাঁটি সচল করছে ভারত আকাশে সর্বোচ্চ সংখ্যক জাতীয় পতাকা উড়িয়ে গিনেস বিশ্বরেকর্ডে বাংলাদেশ বাংলাদেশের জন্য তিনটি সুখবর দিলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত দণ্ডিত ২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেছেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট বিক্ষোভকারীদের ‘আল্লাহর শত্রু’ ঘোষণা ইরানের, মৃত্যুদণ্ডের হুঁশিয়ারি ঋণখেলাপি হয়েও টিকেছেন ৩১ প্রার্থী, অর্ধেক বিএনপির দেশের সকল হাসপাতালের জন্য জরুরি নির্দেশনা সঙ্কটাপন্ন ওবায়দুল কাদের পররাষ্ট্র উপ‌দেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ, হলো যে কথা মনোনয়ন বাতিলের পর যা বললেন ডা. তাসনিম জারা কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে বিভক্তি ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: জামায়াত আমির বাংলাদেশ নীতিতে দিল্লির রাজনৈতিক পরাজয়

"দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ ড্যান ব্রাউন"

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:৫৭ পিএম, ০৭ মে, ২০২৪

ঢাকা প্রতিনিধি, মো: আরিফুল ইসলাম

ড্যান ব্রাউনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডের একটি ছোট্ট শহরে।শহরটির নাম এক্সিটার, এটি নিউ হ্যাম্পশায়ারে অবস্থিত। ড্যান ব্রাউনের বাবা পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন। সেই সুবাদে ছোটবেলা থেকে একগাদা বই দেখে বড় হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন ব্রাউন। এক্সিটারের অ্যামহার্স্ট কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করে তিনি বাবার মতো শিক্ষকতায় যোগ দেন। সেখানে তিনি ইংরেজি সাহিত্য বিষয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন এবং পরবর্তীতে আত্মপ্রকাশ করেন একজন লেখক হিসেবে।‘দ্য দা ভিঞ্চি কোড’ উপন্যাস দিয়ে পুরো পৃথিবীর পাঠকমহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করলেও, তাঁর অন্য উপন্যাসগুলোও পাঠকদের মধ্যে কম জনপ্রিয়তা পায়নি। মূলত দ্য দা ভিঞ্চি কোড বইটির ব্যাপক সফলতার পর তাঁর লেখা পূর্ববর্তী বইগুলোর চাহিদা বাড়তে শুরু করে। ফলশ্রুতিতে ভিঞ্চি কোডের আগে লেখা যেসব বই সেভাবে সফলতার মুখ দেখতে পারেনি, সেগুলোও বেস্টসেলার বনে যায়। বিশ্ব জুড়ে ৫৩টি ভাষায় তাঁর উপন্যাসগুলো অনূদিত হয়েছে। বিক্রি হয়েছে ২০ কোটি কপি। দ্য দা ভিঞ্চি কোড, অ্যাঞ্জেলস অ্যাণ্ড ডিমন্স এবং ইনফার্নো উপন্যাস অবলম্বনে ইতোমধ্যে ৩টি হলিউড সিনেমা মুক্তি পেয়েছে।বিজ্ঞান ও ধর্মের মধ্যেকার চিরন্তন দ্বন্দ্ব, সংকেত, গুপ্ত সংঘ আর কুয়াশার চাদরে ঘেরা রহস্যকে উপজীব্য করে উপন্যাস লেখেন ড্যান ব্রাউন। ২০১৭ সালের অক্টোবরের ৩ তারিখে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে তাঁর নতুন বই অরিজিন। এবারের বইতেও দেখা যাবে তাঁর বিখ্যাত চরিত্র রবার্ট ল্যাংডনকে।বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এই লেখকের একটি সাক্ষাৎকার উপস্থাপন করা হলো পাঠকদের জন্য।লেখক হওয়ার পরিকল্পনা কি আপনার শুরু থেকেই ছিল? ড্যান ব্রাউন – না, ব্যাপারটা আসলে একটু অন্যরকম। বুঝিয়ে বলছি, কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর আমার সামনে দুটো রাস্তা ছিল। ১. ফিকশন লেখা, ২. গান লেখা। আমি হলিউড সিএ-তে বেশ কিছুদিন গান লেখার কাজ করেছি। কিন্তু আটলান্টা অলিম্পিক অনুষ্ঠানের বাইরে আমি মিউজিকে তেমন কোনো সফলতা পাইনি। তারপর একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে হঠাৎ করে ঠিক করে ফেললাম ফিকশন লিখব। ‘ডিজিটাল ফরট্রেস’ হলো আমার প্রথম চেষ্টার ফসল। আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি, কারণ ওটা বেশ ভালই বিক্রি হয়েছিল। প্রথম বই যদি মুখ থুবড়ে পড়তো, তাহলে দ্বিতীয় কোনো বই লেখার মতো ধৈর্য আমার থাকতো কিনা সে ব্যাপারে সন্দেহ আছে!“দ্য দা ভিঞ্চি কোড” গবেষণার কোন অংশটি আপনার কাছে ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল? এমন কোনো ঘটনা, চিহ্ন বা বিষয়বস্তু কি ছিল যা আপনি যুক্ত করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত গল্পে তা আর আসেনি?

ড্যান ব্রাউন – “দ্য দা ভিঞ্চি কোড” গবেষণার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো আমাদের কল্পনাতীত, ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি গোপনীয়তার দ্বার উন্মোচন। এর বাস্তব রহস্যগুলো আমাদের চারপাশেই পাওয়া যায়… শিল্পে, সংগীতে, স্থাপত্যে, রূপকথায়, এবং ইতিহাসে। রবার্ট ল্যাংডনের ভাষায়, “সর্বত্রই নিদর্শনাবলী।“বুকব্রাউজ – কোন বইটি আপনার জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে? – এবং কেন?

ড্যান ব্রাউন – আমি কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েট হওয়ার আগে প্রায় কোন আধুনিক বাণিজ্যিক কথাসাহিত্যই পড়িনি (স্কুলে থাকার সময় চিরায়ত সাহিত্যের প্রতি ঝোঁক ছিল)। ১৯৯৪ সালে, তাহিতি তে অবকাশযাপনের সময় সমুদ্রতটে সিডনি শেলডনের “ডুমস্‌ডে কন্সপিরেসি” এর একটি পুরোনো কপি খুঁজে পাই।বইটির প্রথম পৃষ্ঠা পড়লাম… এবং এর পরের পৃষ্ঠা… এবং তার পরের পৃষ্ঠা। অনেক ঘণ্টা পর, আমি বইটি পড়ে শেষ করলাম এবং ভাবলাম, “হেই, আমিও এরকম লিখতে পারি।“ ফিরে এসে আমি আমার প্রথম উপন্যাসের কাজ শুরু করি ডিজিটাল ফোর্ট্রেস যেটি ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। যদি আমি ভোর চারটার আগে আমার ডেস্কে না বসি তবে আমার মনে হয় আমি অত্যন্ত লাভজনক কিছু সময় হারাচ্ছি। আমার ডেস্কে একটি পুরোনো বালি ঘড়ি রাখি আর প্রতি ঘণ্টার বিরতি অতিবাহিত হয় পুশ-আপ, সিট-আপ, আর আড়মোড়া ভাঙার মাধ্যমে। রক্ত সঞ্চালন ও চিন্তাশক্তির জন্য এটা সহায়ক। আমি গ্র্যাভিটি বোটের একজন বড় ভক্ত। মাথা নিচে আর পা উপরে দিয়ে ঝুলে থাকাটা আমার কাজকে সহজ করে দেয় বলে মনে হয়। সম্প্রতি আমি টেনিসে আসক্ত হয়েছি এবং প্রতি বিকালে লেখালেখি শেষ করার পর টেনিস খেলি।

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad