পেনসিলভানিয়া, ০১ মার্চ, ২০২৬ | ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

সর্বশেষ:
বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখন কী হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে, কীভাবে হবে ৫ বিষয়ে ভিত্তি করে বিএনপির ইশতেহার ৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি ও মিত্ররা জুলাই বিপ্লবীদের ৩৬ দফা অঙ্গীকার ভোটের প্রচারে ফেসবুকে বিএনপির ব্যয় ৩৭ লাখ টাকা, জামায়াতের কত আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ওবায়দুল কাদের বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটে জড়িত হাসিনা-নসরুল যে ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা পটুয়াখালী-৪ আসন: বিএনপি-চরমোনাই লড়াইয়ে ফ্যাক্টর আ.লীগের ভোট আসন্ন নির্বাচনে কী ক্ষমতায় আসতে পারে জামায়াতে ইসলামী ইতালি সমর্থন জানালো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই চাটারকে: উপ-প্রতিমন্ত্রী সব আসনেই জয় চায় বিএনপি, চমক দেখাতে প্রস্তুত জামায়াত দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয় বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

রয়টার্সকে জামায়াত আমির: ভারতের কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠক হয়েছে, অনুরোধে তা গোপন রাখা হয়

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩:০৭ পিএম, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ভোটের মাধ্যমে গঠিত একটি জাতীয় সরকারে যোগ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি চলতি ২০২৫ সালের শুরুতে ভারতের একজন কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠক হওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা জানান জামায়াত আমির।


রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, নয়াদিল্লি যখন সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকারী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করছে, ঠিক সেই প্রেক্ষাপটেই একজন ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তবে তার দাবি, বৈঠকটি গোপন রাখার অনুরোধ এসেছিল ভারতীয় কূটনীতিকের পক্ষ থেকেই।


ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “অন্য দেশের কূটনীতিকরা প্রকাশ্যেই আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। কিন্তু ওই ভারতীয় কূটনীতিক বৈঠকটি গোপন রাখতে অনুরোধ করেছিলেন। সে কারণেই বিষয়টি গোপন রাখা হয়।”


জাতীয় সরকার প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, “আমাদের সবার প্রতি সবার খোলা মনোভাব রাখতে হবে। সম্পর্ক উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। আমরা অন্তত পাঁচ বছরের জন্য একটি স্থিতিশীল দেশ চাই। যদি দলগুলো একসঙ্গে আসে, তাহলে সবাই মিলে সরকার পরিচালনা করা সম্ভব।”


তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিবিরোধী কর্মসূচি একটি জাতীয় সরকারের জন্য যৌথ লক্ষ্য হওয়া উচিত।


প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যে দল সবচেয়ে বেশি আসন পাবে, সেই দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী হবেন। জামায়াত সর্বোচ্চ আসন পেলে তিনি নিজে প্রধানমন্ত্রী হবেন কি না— সে সিদ্ধান্ত দল নেবে বলেও জানান তিনি।


এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ভারত সরকারের একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।


পাকিস্তানের সঙ্গে জামায়াতের অতীত সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, “আমরা সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক চাই। কোনো একটি দেশের দিকে ঝুঁকে পড়তে চাই না। সবাইকে সম্মান করি এবং ভারসাম্য বজায় রাখতে চাই।”


বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কোনো সরকারই তাকে নিয়ে স্বস্তিতে থাকতে পারবে না। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের সমর্থনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি হন মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি নিজেও সম্প্রতি রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, প্রয়োজনে মেয়াদের মাঝপথে পদ ছাড়তে তিনি প্রস্তুত।


তবে বুধবার রয়টার্সের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, “আমি বিষয়টি আরও জটিল করতে চাই না।”

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad