পেনসিলভানিয়া, ০২ মার্চ, ২০২৬ | ১৭ ফাল্গুন, ১৪৩২

সর্বশেষ:
বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখন কী হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে, কীভাবে হবে ৫ বিষয়ে ভিত্তি করে বিএনপির ইশতেহার ৪৬ আসনে বিদ্রোহীদের চাপে বিএনপি ও মিত্ররা জুলাই বিপ্লবীদের ৩৬ দফা অঙ্গীকার ভোটের প্রচারে ফেসবুকে বিএনপির ব্যয় ৩৭ লাখ টাকা, জামায়াতের কত আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ওবায়দুল কাদের বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটে জড়িত হাসিনা-নসরুল যে ইশতেহার ঘোষণা করলেন তাসনিম জারা পটুয়াখালী-৪ আসন: বিএনপি-চরমোনাই লড়াইয়ে ফ্যাক্টর আ.লীগের ভোট আসন্ন নির্বাচনে কী ক্ষমতায় আসতে পারে জামায়াতে ইসলামী ইতালি সমর্থন জানালো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই চাটারকে: উপ-প্রতিমন্ত্রী সব আসনেই জয় চায় বিএনপি, চমক দেখাতে প্রস্তুত জামায়াত দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয় বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

সুশীলা কার্কি হলেন নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩৫ এএম, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বিক্ষোভগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞা, সরকারি দুর্নীতি ও রাজনৈতিক nepotism-এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া হিসাবে শুরু হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞাটি তুলে নেওয়া হলেও উত্তেজনা থামেনি, বিক্ষোভ দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অন্তত ৫১ জন মারা যান, ও হাজারের বেশি আহত হয় বিক্ষোভকালে।

প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি জাতির মনোজগতে বিশ্বাস ও স্বচ্ছতার এক প্রতীক। বিচার বিভাগে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দুর্নীতিবিরোধী মামলায় যুক্ত ছিলেন, যার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তার ইমেজ ইতিমধ্যেই দৃঢ় একটি নৈতিক অবস্থানের অধিকারী হিসেবে গড়ে উঠেছে।

নেপালের রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পাউডেল ও সেনাপ্রধান আশোক রাজ সিগ্দেল, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে এই অন্তর্বর্তী সরকারের গঠনকে অনুমোদন দেন। পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হয়েছে ৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে নতুন সাধারণ নির্বাচন করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কার্জকর্তা সরকারের কাজ হবে শান্তি ও স্থিতি ফিরিয়ে দেওয়া, আন্দোলনে হতাহতদের জন্য বিচার নিশ্চিত করা, এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া দক্ষ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পাদন করা।

সুশীলা কার্কি ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ শপথ নেন রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে। শপথ গ্রহণের আগের দিন থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া নিয়ে কিছু বিভেদ ছিল – তবে রাষ্ট্র ও সেনা বাহিনীর মধ্যস্থতায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহনযোগ্য হয়ে ওঠে।

এবারের পরিস্থিতিতে অনেকের মনে হচ্ছে, এই পরিবর্তন শুধু একটি প্রশাসনিক প্রয়োজনেই নয়, বরং দেশের তরুণ প্রজন্মের (‘Gen Z’)-এর প্রত্যাশার একটা প্রতিফলন। আন্দোলনকারীদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে নির্ধারিত রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর স্বার্থ, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান বিরোধ প্রদর্শন করেছে। নিউজ বিশ্লেষকদের মতে, প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে — নতুন সরকার কত দ্রুত জনগণের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারবে, পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর অপব্যবহার ও বিক্ষোভ চলাকালীন মৃত্যুর জন্য তদন্ত ও বিচার কিভাবে হবে, এবং নির্বাচন সময়ে যথেষ্ট সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা যাবে কি না। দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে শান্তি ও স্থিতি ফিরিয়ে আনা হবে কি না, সেটাও আগামী মাসগুলোর বড় পরীক্ষা।

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad