Columbus, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
সাগর-রুনি হত্যা তদন্তে নতুন মোড়: জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীকে ঘিরে তদন্ত গ্রামীণ শক্তিতে ম্যানেজার এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩১ আগস্ট নেপালের ভয়াবহ বন্যায় জরুরি সহায়তা, ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার ছাড় করল WHO “Finding Future Scientists-2026” তৃতীয়বারের মতো জাতীয় বিজ্ঞান মেলা স্বাইন ফ্লুতে আক্রান্ত ইমরান হাশমি, পিছিয়ে গেল বেঙ্গালুরুর অনুষ্ঠান শিশুর হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার আগে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ সেমিফাইনালে এক উইকেটের হৃদয়ভাঙা হার, Top End T20 থেকে বিদায় বাংলাদেশের NASA-র Roman Space Telescope উৎক্ষেপণ, ডার্ক এনার্জি ও ডার্ক ম্যাটারের রহস্য উন্মোচনে নতুন অধ্যায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১,৮৫৫ পদে নিয়োগের ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল ২০২৭ পর্যন্ত CERN-এর বিজ্ঞান প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়, বিজয়ী POLARIS ডলি পার্টনের প্রয়াণে বিশ্বসংগীতে শোকের ছায়া মানবাধিকার কমিশন ও সম্পত্তি হস্তান্তর বিল সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ মানবপাচারের শিকার বাংলাদেশিদের ফেরাতে নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু যাত্রাবাড়ী হত্যা মামলায় সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ ‘আয়নাঘর’ আর ফিরতে দেওয়া হবে না: রাষ্ট্রপতি
হোম জাতীয় স্বৈরাচার পতন দিবস আজ

স্বৈরাচার পতন দিবস আজ

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:১৪ এএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ 184
স্বৈরাচার পতন দিবস আজ

আজ ৬ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৯৯০ সালের এই দিনে গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদ পদত্যাগ করে অস্থায়ী সরকারের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তান্তর করেন। আর এর মধ্য দিয়ে অবসান ঘটে ৯ বছরের স্বৈরশাসনের, আবারও গণতন্ত্রের পথে হাঁটা শুরু করে দেশ।

এইচ এম এরশাদ এর আগে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক আইন জারি করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা তার শাসনের বিরুদ্ধে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন বামপন্থি দলের টানা আন্দোলন গড়ে ওঠে। এ আন্দোলনে ডা. শামসুল আলম খান মিলন, নূর হোসেনসহ অসংখ্য মানুষ জীবন উৎসর্গ করেন।


১৯৯০ সালের ২১ নভেম্বর এরশাদবিরোধী আন্দোলন যখন তীব্র আকার ধারণ করে, সে সময় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৫ দল, বিএনপির নেতৃত্বে সাত দল এবং ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদের নেতৃত্বে পাঁচটি বামপন্থি দল যৌথভাবে একটি রাজনৈতিক রূপরেখা ঘোষণা করে। যদিও জামায়াতে ইসলামী ওই তিন জোটের বাইরে ছিল, তবুও তারা এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।


স্বৈরশাসকের পতন ঘটলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তিন জোটের ঘোষিত সেই রূপরেখার পূর্ণ বাস্তবায়ন আর হয়নি। কার্যকর সংসদ, আইনের শাসন, নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও টেকসই গণতন্ত্র—এই বিষয়গুলো এখনো অনেকাংশে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে রয়েছে।


এই দিবসটি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ভিন্ন ভিন্ন নামে পালন করে থাকে। বিএনপি দিনটিকে ‘স্বৈরাচার পতন ও গণতন্ত্র মুক্তি দিবস’ নামে পালন করে থাকে।


দিবসটি উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি বলেন, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ নয় বছর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে আপসহীন নেত্রী হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। গড়ে তুলেন এক দুর্বার গণআন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় ‘৯০-এর ৬ ডিসেম্বর এই দিনে ছাত্র-জনতার মিলিত শক্তিতে স্বৈরাচারকে পরাজিত করে মুক্ত হয়েছিল গণতন্ত্র।’