পেনসিলভানিয়া, ০১ জুন, ২০২৬ | ১৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

সর্বশেষ:
ফিলাডেলফিয়া ও আশপাশের এলাকায় ঈদুল আযহার জামাতের সময়সূচি প্রকাশ Philadelphia-এ ডেমোক্র্যাটিক কমিটি পার্সন নির্বাচিত হওয়ায় মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ঐতিহাসিক জয়: টানা ৫ম বারের মতো জর্জিয়া স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হলেন শেখ রহমান ডেমোক্রেটিক প্রাইমারিতে বাংলাদেশিদের ঐতিহাসিক বিজয় পেনসেলভেনিয়া উইমেন ফোরাম আয়োজিত মা দিবস উদযাপন পেনসিলভেনিয়ার আপার ডারবিতে বিশ্ব মা দিবস উদযাপন সারম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর পূর্তি: বিশেষ পাসপোর্ট ঘিরে আলোচনা ও বিতর্ক আইভি লিগে ইতিহাস গড়ল আপার ডার্বির বাংলাদেশি শিক্ষার্থী প্রেসিডেনশিয়াল এআই চ্যালেঞ্জে নর্থইস্ট আঞ্চলিক বিজয়ী আপার ডারবি হাই স্কুলের মাহিন ট্রাম্পের নৈশভোজ গুলি: হামলাকারী আটক, নিরাপত্তা জোরদার ফ্লোরিডায় ১৫ দিনের ব্যবধানে ৩ বাংলাদেশির রহস্যজনক মৃত্যু, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ফ্লোরিডায় দুই ডক্টরাল শিক্ষার্থীর মৃত্যু: রুমমেটের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখন কী হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কবে, কীভাবে হবে ৫ বিষয়ে ভিত্তি করে বিএনপির ইশতেহার

ভাষাসৈনিক, কবি ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিক আর নেই

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬:৩৬ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২৫

ঢাকা প্রতিনিধি:

ভাষাসৈনিক, কবি, প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিক আর নেই। বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)


১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্ম নেওয়া আহমদ রফিক দীর্ঘদিন নিউ ইস্কাটনের গাউসনগরের একটি ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করছিলেন। ২০০৬ সালে স্ত্রীকে হারান তিনি। নিঃসন্তান এই ভাষাসৈনিক জীবনের শেষভাগ কাটিয়েছেন একাকীত্বে। তাঁর একমাত্র সম্পদ ছিল বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিগত বইয়ের সংগ্রহ।



ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস রচনায় তিনি ছিলেন অন্যতম প্রাবন্ধিক। শতাধিক গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন আহমদ রফিক। বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন। দুই বাংলার রবীন্দ্রচর্চায় তার ভূমিকা বিশেষভাবে স্বীকৃত। কলকাতার টেগর রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাকে ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধি প্রদান করে।



২০১৯ সাল থেকে তার দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হতে শুরু করে। অস্ত্রোপচার করেও আশানুরূপ ফল পাননি তিনি। ২০২১ সালে পা ভেঙে যাওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থা আরও অবনতির দিকে যেতে থাকে। ২০২৩ সাল থেকে তিনি প্রায় সম্পূর্ণ দৃষ্টিহীন ছিলেন। সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে তার অসামান্য অবদান বিবেচনায় দেশের বুদ্ধিজীবীরা তার উন্নত চিকিৎসা ও রাষ্ট্রীয় সহায়তার দাবি তুলেছিলেন।



মৃত্যুর আগে আহমদ রফিক তার দেহ ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল মেডিকেল কলেজে দান করে যান—যা তার মানবিক ও জ্ঞানপিপাসু দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন।

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad