অনলাইন, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
রাজারহাটে ১১ বছরের শিশু নিখোঁজ, সন্তানের সন্ধানে পরিবারের আকুতি হৃদরোগে আক্রান্ত সাংবাদিক দিলীপ কুমার দাস, অর্থাভাবে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ ঘিরে কোম্পানীগঞ্জে জামায়াতের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ জাতীয় সংসদে আরও ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন দেশের আট অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়ায় গমের বাজারে চাপ, ঝুঁকিতে বাংলাদেশ বাংলাদেশের ওষুধ নিতে আগ্রহী ফিলিপাইন আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হতে জাপানের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতির আশা কয়লা সরবরাহে সংকটে বাংলাদেশে আদানির বিদ্যুৎ কমেছে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা হরমুজ প্রণালিতে সৌদি তেলবাহী জাহাজে হামলা, নিহত দুই নাবিক নেপালের বন্যায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ কোম্পানীগঞ্জে সমস্যার শেষ নেই, উদ্যোগেরও কমতি নেই—তবু সমাধান কোথায়? গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীদের WPPF পাওনা নিয়ে আইনি লড়াই নতুন পর্যায়ে
হোম বাংলাদেশ হৃদরোগে আক্রান্ত সাংবাদিক দিলীপ কুমার দাস, অর্থাভাবে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা

হৃদরোগে আক্রান্ত সাংবাদিক দিলীপ কুমার দাস, অর্থাভাবে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৬:০১ এএম, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 41
হৃদরোগে আক্রান্ত সাংবাদিক দিলীপ কুমার দাস, অর্থাভাবে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা

নিজস্ব প্রতিবেদক॥


হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে অর্থকষ্টে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছেন সাংবাদিক দিলীপ কুমার দাস। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ সেবন ও পথ্য গ্রহণের প্রয়োজন হলেও আর্থিক সংকটের কারণে তা নিয়মিত করতে পারছেন না তিনি।


গত ১৯ আগস্ট ২০২৬, বুধবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের চতুর্থ তলায় হৃদরোগ বিভাগে ভর্তি হন দিলীপ কুমার দাস। সেখানে ৪২৮ নম্বর কক্ষে ১২ নম্বর বেডে তিনদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে গত ২২ আগস্ট শনিবার তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।


হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার সময় আগামী এক মাসের জন্য কনজারভেটিভ ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানান দিলীপ কুমার দাস। প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থাপত্রের ওষুধ সংযোজন বা বিয়োজন করা হতে পারে বলেও তিনি জানান।


দিলীপ কুমার দাসের ভাষ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা, তিনজনের খাবার এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ইতোমধ্যে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। এই অর্থও ধারকর্জ করে জোগাড় করতে হয়েছে। বর্তমানে নিয়মিত ওষুধ কেনা ও পথ্য গ্রহণের মতো প্রয়োজনীয় অর্থ তার হাতে নেই।


সংসারে অভাব-অনটনের পাশাপাশি তার মেয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ছেলে গৌরীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করছে। ফলে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তার পরিবারের জন্য আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। অর্থের অভাবে নিয়মিত ওষুধ সেবন ব্যাহত হলে ভবিষ্যতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


দিলীপ কুমার দাস জানান, তার অসুস্থতার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেন তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেবিন ফি বাবদ ৩ হাজার ৬০০ টাকা মওকুফের ব্যবস্থা করা হয়।


এ ছাড়া ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহসভাপতি ডা. মো. আব্দুস সেলিম, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডা. নাসিমসহ একদল চিকিৎসক তার চিকিৎসার বিষয়ে বিশেষভাবে খোঁজখবর নিয়েছেন বলে জানান তিনি।


অন্যদিকে গৌরীপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী মো. আবুল বাসেদ কাজলও তাকে আর্থিক সহায়তাসহ পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান সাংবাদিক দিলীপ কুমার দাস।



New York Voice Bangla