Columbus, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
লন্ডনে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কারি শিল্পের জয়গান: সেরা রেস্তোরাঁ ও শেফদের বিসিএ সম্মাননা অনুষ্ঠিত প্রেম-বিয়ে-বিচ্ছেদের পর মৃত্যুকে আলিঙ্গণ করলেন তারা, আর্তনাদে কাতর পরিবার নাজিরপুর পল্লী জাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়কে কলেজে উন্নীত করার উদ্যোগ ডেপুটি স্পিকারের শিক্ষা অফিসে ঢুকে প্রধান শিক্ষককে মারধর করেন সহকারি শিক্ষক শ্রীমঙ্গলে ডিবির জালে ১০৮ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা আটক-৮ মহিষ ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত সর্দারসহ-৫ জন গ্রেপ্তার ব্রিজ সাড় দাঁড়িয়ে মাটির অভাবে দশ গ্রামের মানুষের চলাচলে বাঁধা সরকারি চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, দৌলতপুর খাদ্যগুদামে দুদকের অভিযান ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের উন্নয়নে নানা অঙ্গীকার, চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল গনি মিয়ার কাঁঠালবাড়ী-হলোখানায় জামাল সীড ও জুয়েল সীডের উদ্যোগে কৃষক-ব্যবসায়ীদের মতবিনিময় সভা কুড়িগ্রাম ভোগডাঙ্গায় গণসংযোগে ব্যস্ত মেম্বার প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম নয়ন, চাইছেন দোয়া ও সমর্থন কুড়িগ্রামে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে রান্নার সরঞ্জাম ও বিশ্রামের বিছানা, অফিস নাকি বাসাবাড়ি? কুড়িগ্রামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ নিয়ে অপপ্রচার, তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এলাকাবাসী
হোম › বাংলাদেশ › কুড়িগ্রামে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে রান্নার সরঞ্জাম ও বিশ্রামের বিছানা, অফিস নাকি বাসাবাড়ি?

কুড়িগ্রামে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে রান্নার সরঞ্জাম ও বিশ্রামের বিছানা, অফিস নাকি বাসাবাড়ি?

বাংলাদেশ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:৪১ পিএম, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬ 3
কুড়িগ্রামে পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে রান্নার সরঞ্জাম ও বিশ্রামের বিছানা, অফিস নাকি বাসাবাড়ি?
সাইফুর রহমান
সাইফুর রহমানকুড়িগ্রাম প্রতিনিধি॥

সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপপরিচালকের কার্যালয় যেন পরিণত হয়েছে ব্যক্তিগত বাসাবাড়িতে। অফিসের কক্ষগুলোতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও দাপ্তরিক সরঞ্জামের পাশাপাশি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে রান্না ও খাবার পরিবেশনের নানা উপকরণ। এমনকি রয়েছে খাবার টেবিল এবং বিশ্রামের জন্য বিছানাও। এ নিয়ে সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি কার্যালয়টি ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন কক্ষে অফিসের প্রয়োজনীয় ফাইলপত্র ও দাপ্তরিক সরঞ্জামের পাশাপাশি রাইস কুকার, প্রেসার কুকার, কারি কুকার, থালা-বাসনসহ রান্না ও খাবারদাবারের নানা সামগ্রী রাখা হয়েছে। কোথাও খাবার তৈরির সরঞ্জাম, আবার কোথাও খাওয়ার জন্য আধুনিক টেবিল ও চেয়ার রয়েছে। এমনকি খাবার শেষে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বিছানার ব্যবস্থাও চোখে পড়ে।

একটি সরকারি দপ্তরের ভেতরে এ ধরনের ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রীর উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সরকারি কার্যালয়ের কক্ষগুলো কী প্রয়োজনে এভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, এসব সরঞ্জাম কার এবং সরকারি অফিসের জায়গায় এগুলো রাখার অনুমতি কে দিয়েছেন—এমন প্রশ্নও তুলছেন সচেতন নাগরিকেরা।

সরকারি অফিস মূলত জনগণকে সেবা প্রদান এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার স্থান। সেখানে ব্যক্তিগত আবাসিক ব্যবহারের মতো পরিবেশ তৈরি হলে স্বাভাবিকভাবেই দাপ্তরিক শৃঙ্খলা, সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার এবং কর্মপরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।

সচেতন মহলের মতে, সরকারি কার্যালয়ের প্রতিটি কক্ষ ও আসবাবপত্র জনগণের অর্থে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের সম্পদ। তাই এসব স্থানের ব্যবহার অবশ্যই সরকারি বিধিবিধান ও দাপ্তরিক প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপপরিচালকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,বিষয় টা তেমন না, তবে মাঝে মধ্যে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।

সরকারি একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের এমন পরিবেশ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।