Columbus, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
বিলিয়ন ডলারের বোয়িং কিনছে বাংলাদেশ, চুক্তিকে ‘অসাধারণ’ বললেন সার্জিও গোর রামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান # ৩৮ বছর পর ফিরছেন টম ক্রুজ, ‘ডেজ অব থান্ডার’ সিক্যুয়েলে অ্যান হ্যাথাওয়ে # ৩৮ বছর পর ফিরছেন টম ক্রুজ, ‘ডেজ অব থান্ডার’ সিক্যুয়েলে অ্যান হ্যাথাওয়ে লর্ডসে পাকিস্তানকে ১৯৪ রানে হারিয়ে টেস্ট সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড চট্টগ্রাম বন্দরে ৫৫০ মিলিয়ন ডলারের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের নির্মাণ শুরু হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ভেনেজুয়েলার তেল দিয়ে কৌশলগত মজুত ভরাট করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প ঢাকায় IPU মহাসচিব: সংসদীয় কূটনীতি ও সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিতে নিউইয়র্কের পথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিতে নিউইয়র্কের পথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তমদ্দুন মজলিসের ৭৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সাগর-রুনি হত্যা তদন্তে নতুন মোড়: জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীকে ঘিরে তদন্ত গ্রামীণ শক্তিতে ম্যানেজার এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩১ আগস্ট নেপালের ভয়াবহ বন্যায় জরুরি সহায়তা, ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার ছাড় করল WHO
হোম আন্তর্জাতিক ১৩শ’ বছর পার করলো বিশ্বের প্রাচীনতম হোটেল

১৩শ’ বছর পার করলো বিশ্বের প্রাচীনতম হোটেল

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৪:৫০ পিএম, ২২ এপ্রিল, ২০২৪ 159
১৩শ’ বছর পার করলো বিশ্বের প্রাচীনতম হোটেল

৭০৫ সালের কথা! তখনকার জাপানের সম্রাট তেনজির ঘনিষ্ঠ এক সহযোগীর একমাত্র সন্তান ছিলেন ফুজিওয়ারা মাহিতো। বাবার কাজের কারণে রাজদরবারে ছিল তার যাওয়া-আসা। হঠাৎ একদিন তিনি দেখলেন, পান্থশালায় বিশ্রাম নেওয়া কয়েকজন মুসাফির গল্প করছেন। সেই সাথে প্রকৃতির অবিরাম সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। মাহিতো ভাবলেন, ভ্রমণপিপাসুদের জন্য ফুজি পর্বতের অদূরে একটি পান্থশালা নির্মাণ করলে কেমন হয়?

সেই ভাবনা নিয়ে মাহিতো একদিন সময় করে বাবার সঙ্গে আলোচনা করলেন বিষয়টি নিয়ে। সম্মতি পেলেন বাবার। তবে লাগবে সম্রাটেরও অনুমতি। কিছুদিন যেতে না যেতেই পেলেন সম্রাটের অনুমতি। এরপর যেমন কথা, তেমনি কাজ। কিছুদিনের মধ্যে সেখানে গড়ে ওঠলো মনোমুগ্ধকর ছোট্ট এক সরাইখানা। প্রকৃতির মনোরম রূপ-লাবণ্যে মুগ্ধ ভ্রমণপিপাসু পর্যটকদের আনাগোনা বাড়তে থাকলো এ হোটেলে। সেই সাথে জাপানের ধনী অভিজাত ব্যক্তিবর্গ এমনকি সম্রাটও এসে হাজির হোটেলে। ধীরে ধীরে হোটেলটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠলো।


সময়ের সাথে সাথে এগিয়ে চলে নিশিয়ামা ওনসেন কিওনকান হোটেল। কিয়ান যুগে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এ হোটেলের একপাশ দিয়ে বয়ে চলা সুন্দরী নদী যেন কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে হোটেলের মোহনীয়তা। অন্যপাশে পাহাড় ও ঘন জঙ্গল বিভিন্ন ঋতুতে পরিবর্তন আনে তাদের মোহনীয় রূপে। বাহারি রঙের বিকিরণে ঝলসে দেয় হোটেলে আগত পর্যটকদের চোখ ও হৃদয়।


হোটেলটির নির্মাতা ফুজিওয়ারা মাহিতোর মৃত্যুর পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫২ প্রজন্মের হাতে পরিবর্তিত হয়েছে হোটেলের কার্যভার। এভাবে এখনো চলমান রয়েছে ঐতিহ্যের ধারক এই হোটেলের পরিচালনার কাজ। নবীনদের হাতে হোটেলের দায়িত্বভার আসার পর সংস্কারও হয়েছে বেশ কয়েকবার।


শেষবার হোটেলটির সংস্কার কাজ হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। সেসময় নতুন রূপে সংযোজন হয় বেশকিছু সুযোগ-সুবিধা। যেমন, হোটেলের গরম পানির ঝর্ণার গোসলখানা, মেডিটেশন কক্ষ, অতিথিদের হাঁটা ও বসার জায়গায় প্রদান করা হয় আধুনিকতার ছোঁয়া। তবে, বেশিরভাগ স্থান এখনো রাখা হয়েছে পূর্বসূরিদের তৈরি করা অভিন্ন আকৃতিতে।


২০১১ সালে প্রায় ১৩১৮ বছর পূর্বে তৈরি হওয়া এ হোটেলটি পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন হোটেল হিসেবে জায়গা করে নেয় গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে। ঐতিহাসিক এ হোটেলে এখনো পর্যটকরা আসে অবসর-বিনোদনে, রোমাঞ্চকর কক্ষে রাত্রিযাপনে।


অতিথিদের জন্য হোটেলে মোট ৩৭টি ঘর আছে। কয়েক বছর আগে এমন ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে প্রতি ঘরেই আলাদা করে উষ্ণ প্রস্রবণের পানির যোগান দেয়া যায়। যাতে অতিথিরা ‘হট স্প্রিং বাথ’-এর সুবিধে নিতে পারেন নিজেদের ঘরে থেকেই। বর্তমানে এই হোটেলে এক রাত কাটাবার জন্য ন্যূনতম খরচ বাংলাদেশী টাকায় ৪০ থেকে ৪২ হাজার টাকা। তবে ফেব্রুয়ারি মাসে দাম কম থাকলেও, জুন মাসে বাড়তে পারে টাকার অঙ্ক।