Columbus, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ভেনেজুয়েলার তেল দিয়ে কৌশলগত মজুত ভরাট করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প ঢাকায় IPU মহাসচিব: সংসদীয় কূটনীতি ও সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিতে নিউইয়র্কের পথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিতে নিউইয়র্কের পথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তমদ্দুন মজলিসের ৭৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সাগর-রুনি হত্যা তদন্তে নতুন মোড়: জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীকে ঘিরে তদন্ত গ্রামীণ শক্তিতে ম্যানেজার এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩১ আগস্ট নেপালের ভয়াবহ বন্যায় জরুরি সহায়তা, ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার ছাড় করল WHO “Finding Future Scientists-2026” তৃতীয়বারের মতো জাতীয় বিজ্ঞান মেলা স্বাইন ফ্লুতে আক্রান্ত ইমরান হাশমি, পিছিয়ে গেল বেঙ্গালুরুর অনুষ্ঠান শিশুর হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার আগে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ সেমিফাইনালে এক উইকেটের হৃদয়ভাঙা হার, Top End T20 থেকে বিদায় বাংলাদেশের NASA-র Roman Space Telescope উৎক্ষেপণ, ডার্ক এনার্জি ও ডার্ক ম্যাটারের রহস্য উন্মোচনে নতুন অধ্যায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১,৮৫৫ পদে নিয়োগের ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল ২০২৭ পর্যন্ত
হোম আন্তর্জাতিক ইরান ও ইসরাইল, বন্ধু যখন শত্রু

ইরান ও ইসরাইল, বন্ধু যখন শত্রু

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৫:৫৯ পিএম, ১৫ এপ্রিল, ২০২৪ 275
ইরান ও ইসরাইল, বন্ধু যখন শত্রু

ইরান ও ইসরাইল অতীতে ছিল একে অপরের বন্ধু। ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়া দ্বিতীয় মুসলিম দেশও ইরান। কিন্তু কয়েক দশক আগে থেকে সেই বন্ধুত্বে ফাটল দেখা দেয়। সম্প্রতি ইসরাইল ও হামাস যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরান ও ইসরায়েল বৈরিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। সেই উত্তাপ শেষ পর্যন্ত চরম বৈরিতায় রুপ নিয়েছে। ইসরাইল দাবি করে আসছে, হামাসের প্রধান সহায়তাকারী হচ্ছে ইরান। 

প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিবেশী আরব দেশগুলোর সঙ্গে কয়েক দফায় যুদ্ধে জড়িয়েছে ইসরাইল। হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার নামেও বর্তমানে গাজায় আগ্রাসন চালাচ্ছে দেশটি। তবে এই সংঘাতে নিজেকে সরাসরি যুক্ত করেনি তেহরান। সীমাবদ্ধ ছিল হুঁশিয়ারী দেয়ার মধ্যে। তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের আশঙ্কা ছিল, ইসরাইল ও গাজা যুদ্ধ হয়তো শেষ পর্যন্ত ইসরায়েল ইরান যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। সেই আশঙ্কাই যেন সত্যিই হলো। এপ্রিলে প্রথম দিন সিরিয়ায় থাকা ইরানের কনস্যুলেটে হামলা চালায় ইসরাইল। এরপর ইরান পাল্টা হামলা চালানোর হুঁশিয়ারী দেয়।  


গত ১৪ ই এপ্রিল রাতে ইসরাইলি ভূখণ্ডে ড্রোন হামলা চালায় ইরান। এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের বৈরি সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত সরাসরি সংঘাতে রুপ নেয়। 


ইতিহাস বলছে, ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্রকে হিসেবে স্বীকৃতির পর দু দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, এমনকি সামরিক সম্পর্কও গড়ে ওঠে। এরপর ১৯৫৭ সালে ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা 'সাভাক' প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছিল ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। মূলত মার্কিন সমর্থন আদায়ের জন্য ইরান ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখায় মনোযোগী হয়।  


ইরানের সরকার ইসরাইলের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখলেও ইরানের ভেতরে আগে থেকেই ইসরাইল বিরোধিতা ছিলো। ইরানের শাহ শাসন বিরোধী বামপন্থীদের সঙ্গে ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলন ফাতাহ এবং এর নেতা ইয়াসির আরাফাতের যোগাযোগ ছিলো। অন্যদিকে, আয়াতুল্লাহ খোমেনী এবং তার অনুসারীরাও ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে ছিল। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর দু দেশের মধ্যে সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়। 


কারণ ক্ষমতায় আসা ইরানের বিপ্লবী সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ফিলিস্তিনিদের পক্ষ নেয়ার ঘোষণা দেয়। এমনকি তেহরানে ইসরাইলের দূতাবাসকে ফিলিস্তিনি দূতাবাসে পরিণত করে। এছাড়া ফিলিস্তিনে ইসরাইল রাষ্ট্রের অস্তিত্বকেও অস্বীকার করে ইরান। ১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে শীতল সম্পর্ক রূপ নেয় শত্রুতায় ।


দ্বিপাক্ষিক উত্তেজনা বাড়ার পেছনে থাকা উল্লেখযোগ্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক প্রযুক্তির উন্নয়ন, লেবাননে হিজবুল্লাহ, ফিলিস্তিনের ইসলামিক জিহাদ এবং হামাসের মতো ইসলামপন্থী দলগুলোকে ইরানের সমর্থন। সেই সাথে ইসরাইলি স্বার্থের বিরুদ্ধে পরোক্ষভাবে হামলায় ইরানের জড়িত থাকার অভিযোগ। যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে।