অনলাইন, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হোম › বিনোদন › "দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ ড্যান ব্রাউন"

"দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ ড্যান ব্রাউন"

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:৫৭ পিএম, ০৭ মে, ২০২৪ 984
"দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’  ড্যান ব্রাউন"

ঢাকা প্রতিনিধি, মো: আরিফুল ইসলাম

ড্যান ব্রাউনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডের একটি ছোট্ট শহরে।শহরটির নাম এক্সিটার, এটি নিউ হ্যাম্পশায়ারে অবস্থিত। ড্যান ব্রাউনের বাবা পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন। সেই সুবাদে ছোটবেলা থেকে একগাদা বই দেখে বড় হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন ব্রাউন। এক্সিটারের অ্যামহার্স্ট কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করে তিনি বাবার মতো শিক্ষকতায় যোগ দেন। সেখানে তিনি ইংরেজি সাহিত্য বিষয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন এবং পরবর্তীতে আত্মপ্রকাশ করেন একজন লেখক হিসেবে।‘দ্য দা ভিঞ্চি কোড’ উপন্যাস দিয়ে পুরো পৃথিবীর পাঠকমহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করলেও, তাঁর অন্য উপন্যাসগুলোও পাঠকদের মধ্যে কম জনপ্রিয়তা পায়নি। মূলত দ্য দা ভিঞ্চি কোড বইটির ব্যাপক সফলতার পর তাঁর লেখা পূর্ববর্তী বইগুলোর চাহিদা বাড়তে শুরু করে। ফলশ্রুতিতে ভিঞ্চি কোডের আগে লেখা যেসব বই সেভাবে সফলতার মুখ দেখতে পারেনি, সেগুলোও বেস্টসেলার বনে যায়। বিশ্ব জুড়ে ৫৩টি ভাষায় তাঁর উপন্যাসগুলো অনূদিত হয়েছে। বিক্রি হয়েছে ২০ কোটি কপি। দ্য দা ভিঞ্চি কোড, অ্যাঞ্জেলস অ্যাণ্ড ডিমন্স এবং ইনফার্নো উপন্যাস অবলম্বনে ইতোমধ্যে ৩টি হলিউড সিনেমা মুক্তি পেয়েছে।বিজ্ঞান ও ধর্মের মধ্যেকার চিরন্তন দ্বন্দ্ব, সংকেত, গুপ্ত সংঘ আর কুয়াশার চাদরে ঘেরা রহস্যকে উপজীব্য করে উপন্যাস লেখেন ড্যান ব্রাউন। ২০১৭ সালের অক্টোবরের ৩ তারিখে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে তাঁর নতুন বই অরিজিন। এবারের বইতেও দেখা যাবে তাঁর বিখ্যাত চরিত্র রবার্ট ল্যাংডনকে।বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এই লেখকের একটি সাক্ষাৎকার উপস্থাপন করা হলো পাঠকদের জন্য।লেখক হওয়ার পরিকল্পনা কি আপনার শুরু থেকেই ছিল? ড্যান ব্রাউন – না, ব্যাপারটা আসলে একটু অন্যরকম। বুঝিয়ে বলছি, কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর আমার সামনে দুটো রাস্তা ছিল। ১. ফিকশন লেখা, ২. গান লেখা। আমি হলিউড সিএ-তে বেশ কিছুদিন গান লেখার কাজ করেছি। কিন্তু আটলান্টা অলিম্পিক অনুষ্ঠানের বাইরে আমি মিউজিকে তেমন কোনো সফলতা পাইনি। তারপর একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে হঠাৎ করে ঠিক করে ফেললাম ফিকশন লিখব। ‘ডিজিটাল ফরট্রেস’ হলো আমার প্রথম চেষ্টার ফসল। আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি, কারণ ওটা বেশ ভালই বিক্রি হয়েছিল। প্রথম বই যদি মুখ থুবড়ে পড়তো, তাহলে দ্বিতীয় কোনো বই লেখার মতো ধৈর্য আমার থাকতো কিনা সে ব্যাপারে সন্দেহ আছে!“দ্য দা ভিঞ্চি কোড” গবেষণার কোন অংশটি আপনার কাছে ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল? এমন কোনো ঘটনা, চিহ্ন বা বিষয়বস্তু কি ছিল যা আপনি যুক্ত করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত গল্পে তা আর আসেনি?

ড্যান ব্রাউন – “দ্য দা ভিঞ্চি কোড” গবেষণার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো আমাদের কল্পনাতীত, ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি গোপনীয়তার দ্বার উন্মোচন। এর বাস্তব রহস্যগুলো আমাদের চারপাশেই পাওয়া যায়… শিল্পে, সংগীতে, স্থাপত্যে, রূপকথায়, এবং ইতিহাসে। রবার্ট ল্যাংডনের ভাষায়, “সর্বত্রই নিদর্শনাবলী।“বুকব্রাউজ – কোন বইটি আপনার জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে? – এবং কেন?

ড্যান ব্রাউন – আমি কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েট হওয়ার আগে প্রায় কোন আধুনিক বাণিজ্যিক কথাসাহিত্যই পড়িনি (স্কুলে থাকার সময় চিরায়ত সাহিত্যের প্রতি ঝোঁক ছিল)। ১৯৯৪ সালে, তাহিতি তে অবকাশযাপনের সময় সমুদ্রতটে সিডনি শেলডনের “ডুমস্‌ডে কন্সপিরেসি” এর একটি পুরোনো কপি খুঁজে পাই।বইটির প্রথম পৃষ্ঠা পড়লাম… এবং এর পরের পৃষ্ঠা… এবং তার পরের পৃষ্ঠা। অনেক ঘণ্টা পর, আমি বইটি পড়ে শেষ করলাম এবং ভাবলাম, “হেই, আমিও এরকম লিখতে পারি।“ ফিরে এসে আমি আমার প্রথম উপন্যাসের কাজ শুরু করি ডিজিটাল ফোর্ট্রেস যেটি ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। যদি আমি ভোর চারটার আগে আমার ডেস্কে না বসি তবে আমার মনে হয় আমি অত্যন্ত লাভজনক কিছু সময় হারাচ্ছি। আমার ডেস্কে একটি পুরোনো বালি ঘড়ি রাখি আর প্রতি ঘণ্টার বিরতি অতিবাহিত হয় পুশ-আপ, সিট-আপ, আর আড়মোড়া ভাঙার মাধ্যমে। রক্ত সঞ্চালন ও চিন্তাশক্তির জন্য এটা সহায়ক। আমি গ্র্যাভিটি বোটের একজন বড় ভক্ত। মাথা নিচে আর পা উপরে দিয়ে ঝুলে থাকাটা আমার কাজকে সহজ করে দেয় বলে মনে হয়। সম্প্রতি আমি টেনিসে আসক্ত হয়েছি এবং প্রতি বিকালে লেখালেখি শেষ করার পর টেনিস খেলি।