Columbus | ২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৬ ভাদ্র, ১৪৩৩
সর্বশেষ খবর
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য: সফর হতে হবে সমতা, মর্যাদা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে জহির উদ্দিন স্বপন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিমান থেকে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল: নতুন মুখ ৫, কে পেলেন কোন মন্ত্রণালয়? দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা–চট্টগ্রাম লংমার্চ, প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পারস্পরিক আস্থা তৈরি হলেই ভারত সফর, তাড়াহুড়ো নেই: হুমায়ুন কবির সুখী-সমৃদ্ধ একটি নতুন দেশ গড়ে উঠবে, প্রত্যাশা ফখরুলের কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের ৯২তম জন্মদিন আজ তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর ঘিরে উত্তাপ, বিক্ষোভের প্রস্তুতিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ? ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট, সংসদে কাল লড়াই ঢাকার চাপে অবস্থান বদলাচ্ছে ভারত, দুই দেশের সম্পর্ক সন্ধিক্ষণে কলকাতায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু, দমকল সদর দপ্তরের পাশের হোটেলেই ছিল না অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কুনু–ফিরোজ পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে ভারতের ইতিবাচক বার্তা, সর্বোচ্চ সম্মানের আশ্বাস দিলেন দীনেশ ত্রিবেদী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ফের কূটনৈতিক অচলাবস্থা, আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করলেন ট্রাম্প
হোম বিনোদন "দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ ড্যান ব্রাউন"

"দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ ড্যান ব্রাউন"

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:৫৭ পিএম, ০৭ মে, ২০২৪ 957
"দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’  ড্যান ব্রাউন"

ঢাকা প্রতিনিধি, মো: আরিফুল ইসলাম

ড্যান ব্রাউনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডের একটি ছোট্ট শহরে।শহরটির নাম এক্সিটার, এটি নিউ হ্যাম্পশায়ারে অবস্থিত। ড্যান ব্রাউনের বাবা পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন। সেই সুবাদে ছোটবেলা থেকে একগাদা বই দেখে বড় হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন ব্রাউন। এক্সিটারের অ্যামহার্স্ট কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করে তিনি বাবার মতো শিক্ষকতায় যোগ দেন। সেখানে তিনি ইংরেজি সাহিত্য বিষয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন এবং পরবর্তীতে আত্মপ্রকাশ করেন একজন লেখক হিসেবে।‘দ্য দা ভিঞ্চি কোড’ উপন্যাস দিয়ে পুরো পৃথিবীর পাঠকমহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করলেও, তাঁর অন্য উপন্যাসগুলোও পাঠকদের মধ্যে কম জনপ্রিয়তা পায়নি। মূলত দ্য দা ভিঞ্চি কোড বইটির ব্যাপক সফলতার পর তাঁর লেখা পূর্ববর্তী বইগুলোর চাহিদা বাড়তে শুরু করে। ফলশ্রুতিতে ভিঞ্চি কোডের আগে লেখা যেসব বই সেভাবে সফলতার মুখ দেখতে পারেনি, সেগুলোও বেস্টসেলার বনে যায়। বিশ্ব জুড়ে ৫৩টি ভাষায় তাঁর উপন্যাসগুলো অনূদিত হয়েছে। বিক্রি হয়েছে ২০ কোটি কপি। দ্য দা ভিঞ্চি কোড, অ্যাঞ্জেলস অ্যাণ্ড ডিমন্স এবং ইনফার্নো উপন্যাস অবলম্বনে ইতোমধ্যে ৩টি হলিউড সিনেমা মুক্তি পেয়েছে।বিজ্ঞান ও ধর্মের মধ্যেকার চিরন্তন দ্বন্দ্ব, সংকেত, গুপ্ত সংঘ আর কুয়াশার চাদরে ঘেরা রহস্যকে উপজীব্য করে উপন্যাস লেখেন ড্যান ব্রাউন। ২০১৭ সালের অক্টোবরের ৩ তারিখে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে তাঁর নতুন বই অরিজিন। এবারের বইতেও দেখা যাবে তাঁর বিখ্যাত চরিত্র রবার্ট ল্যাংডনকে।বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এই লেখকের একটি সাক্ষাৎকার উপস্থাপন করা হলো পাঠকদের জন্য।লেখক হওয়ার পরিকল্পনা কি আপনার শুরু থেকেই ছিল? ড্যান ব্রাউন – না, ব্যাপারটা আসলে একটু অন্যরকম। বুঝিয়ে বলছি, কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর আমার সামনে দুটো রাস্তা ছিল। ১. ফিকশন লেখা, ২. গান লেখা। আমি হলিউড সিএ-তে বেশ কিছুদিন গান লেখার কাজ করেছি। কিন্তু আটলান্টা অলিম্পিক অনুষ্ঠানের বাইরে আমি মিউজিকে তেমন কোনো সফলতা পাইনি। তারপর একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে হঠাৎ করে ঠিক করে ফেললাম ফিকশন লিখব। ‘ডিজিটাল ফরট্রেস’ হলো আমার প্রথম চেষ্টার ফসল। আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি, কারণ ওটা বেশ ভালই বিক্রি হয়েছিল। প্রথম বই যদি মুখ থুবড়ে পড়তো, তাহলে দ্বিতীয় কোনো বই লেখার মতো ধৈর্য আমার থাকতো কিনা সে ব্যাপারে সন্দেহ আছে!“দ্য দা ভিঞ্চি কোড” গবেষণার কোন অংশটি আপনার কাছে ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল? এমন কোনো ঘটনা, চিহ্ন বা বিষয়বস্তু কি ছিল যা আপনি যুক্ত করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত গল্পে তা আর আসেনি?

ড্যান ব্রাউন – “দ্য দা ভিঞ্চি কোড” গবেষণার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো আমাদের কল্পনাতীত, ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি গোপনীয়তার দ্বার উন্মোচন। এর বাস্তব রহস্যগুলো আমাদের চারপাশেই পাওয়া যায়… শিল্পে, সংগীতে, স্থাপত্যে, রূপকথায়, এবং ইতিহাসে। রবার্ট ল্যাংডনের ভাষায়, “সর্বত্রই নিদর্শনাবলী।“বুকব্রাউজ – কোন বইটি আপনার জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে? – এবং কেন?

ড্যান ব্রাউন – আমি কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েট হওয়ার আগে প্রায় কোন আধুনিক বাণিজ্যিক কথাসাহিত্যই পড়িনি (স্কুলে থাকার সময় চিরায়ত সাহিত্যের প্রতি ঝোঁক ছিল)। ১৯৯৪ সালে, তাহিতি তে অবকাশযাপনের সময় সমুদ্রতটে সিডনি শেলডনের “ডুমস্‌ডে কন্সপিরেসি” এর একটি পুরোনো কপি খুঁজে পাই।বইটির প্রথম পৃষ্ঠা পড়লাম… এবং এর পরের পৃষ্ঠা… এবং তার পরের পৃষ্ঠা। অনেক ঘণ্টা পর, আমি বইটি পড়ে শেষ করলাম এবং ভাবলাম, “হেই, আমিও এরকম লিখতে পারি।“ ফিরে এসে আমি আমার প্রথম উপন্যাসের কাজ শুরু করি ডিজিটাল ফোর্ট্রেস যেটি ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। যদি আমি ভোর চারটার আগে আমার ডেস্কে না বসি তবে আমার মনে হয় আমি অত্যন্ত লাভজনক কিছু সময় হারাচ্ছি। আমার ডেস্কে একটি পুরোনো বালি ঘড়ি রাখি আর প্রতি ঘণ্টার বিরতি অতিবাহিত হয় পুশ-আপ, সিট-আপ, আর আড়মোড়া ভাঙার মাধ্যমে। রক্ত সঞ্চালন ও চিন্তাশক্তির জন্য এটা সহায়ক। আমি গ্র্যাভিটি বোটের একজন বড় ভক্ত। মাথা নিচে আর পা উপরে দিয়ে ঝুলে থাকাটা আমার কাজকে সহজ করে দেয় বলে মনে হয়। সম্প্রতি আমি টেনিসে আসক্ত হয়েছি এবং প্রতি বিকালে লেখালেখি শেষ করার পর টেনিস খেলি।