অনলাইন, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয় মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান, ৭টি মামলা পাঠ্যবইয়ের বাহিরে খেলার মাঠে ও থাকছে সমান ভাবে গুরুত্ব; প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট,প্যান্টপিস ওবিভিন্ন চোরাচালানী মালামালসহ ২ জন আটক সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী নাসিরনগরে স্কুলে অসুস্থ হয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু নওগাঁয় হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিসা প্রার্থীদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা, প্রতারণা এড়াতে মানতে হবে নতুন নিয়ম বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিটিএমএ নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাওর বেষ্টিত নাসিরনগরে আশ্বিন মাসের কুয়াশা জানান দিচ্ছে আগাম শীতের বার্তা ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
হোম › বাংলাদেশ › অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয়

অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয়

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৩:৫৮ এএম, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬ 4
অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে বনাঞ্চল ধ্বংসের নীরব মাধ্যম-কতৃপক্ষ নিস্ক্রিয়

তিমির বনিক,

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:


মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় অনুমোদনহীন হলেও প্রশাসনের নাকের ডগায় চারটি করাতকল (স-মিল) পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব করাতকলে বনাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থান থেকে অনুমতি পত্র বিহীন কাঠ সংগ্রহ করে দিন-রাত চেরাই করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। রয়েছে করাতকলে বিদ্যুৎ সংযোগও।


জানা গেছে, জুড়ী রেঞ্জের আওতাধীন অবৈধভাবে পরিচালিত করাতকলগুলোর নাম হলো কালীবাড়ি রোডের চৌধুরী স-মিল, পশ্চিম ভবানীপুরের মামুনুর রশিদ সাজুর স-মিল, বাছিরপুরের হোসেন মিয়ার (ভাড়ায় চালিত) স-মিল, ভবানীগঞ্জ বাজার গুদাম রোডের শেখ এন.জি জারিনের স-মিল।


এসব করাতকলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদন না থাকলেও নিয়মনীতির তুয়াককা না করে নিয়মিতভাবে কাঠ চেরাইয়ের কার্যক্রম চলছে। বিভিন্ন স্থান থেকে কাঠ এনে দিন-রাত এসব স-মিলে চেরাই করা হচ্ছে। এতে বনজ সম্পদ রক্ষায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ প্রশ্নের মুখে পড়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় পরিবেশ সংরক্ষণ সচেতন ব্যক্তিরা।


অবৈধভাবে পরিচালিত এসব করাতকলে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। বন বিভাগের সংশ্লিষ্টদের নজরদারি ও সহযোগিতা ছাড়া এভাবে দীর্ঘদিন কার্যক্রম চালানো সম্ভব নয়।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে, জুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফজলে রাব্বানী চৌধুরী বলেন, বন বিভাগকে বলেছি তারা ব্যবস্থা নিচ্ছে।


এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শ্রীমঙ্গল সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, যদি কাগজপত্র নেই এমন সেগুলো আমরা যাচাই করে ব্যবস্থা নিব। এবিষয়ে জানতে চাইলে জুড়ী ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সাদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অবৈধ স-মিলগুলোর বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। স-মিলগুলো উচ্ছেদ করতে হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রয়োজন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সময় দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি সময় দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।