আজ ভারত-পাকিস্তান নারী টি-২০ এশিয়া কাপের হাইভোল্টেজ লড়াই
স্পোর্টস ডেস্ক ||
নারী টি-২০ এশিয়া কাপের গ্রুপ ‘এ’-এর বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচে আজ মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। বাংলাদেশ ও ভারতীয় সময় অনুযায়ী রাত ৮টায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় অনুযায়ী সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
দুই দলের এই লড়াই শুধু গ্রুপপর্বের আরেকটি ম্যাচ নয়—ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে এটি টুর্নামেন্টের অন্যতম আলোচিত ম্যাচ। এবারের আসরে ভারত ইতোমধ্যে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালের জায়গা নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে পাকিস্তান নিজেদের একমাত্র ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৫ রানে হারিয়ে আজকের ম্যাচে নামছে।
সেমিফাইনাল নিশ্চিত ভারতের
ভারত প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৯৪ রানে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে হংকংকে ১৩৭ রানে হারিয়েছে। হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে স্মৃতি মান্ধানা ৬৪ বলে ১২৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। ওই ইনিংসের মাধ্যমে তিনি নারী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের রেকর্ড নিজের করে নেন এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শতকের সংখ্যাতেও নতুন রেকর্ড গড়েন।
ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিং ইউনিটও এবারের টুর্নামেন্টে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। দলের অলরাউন্ডার দীপ্তি শর্মা পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে প্রতিপক্ষের বোলিং আক্রমণ ও নিজেদের ভারসাম্যের বিষয়ে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছেন।
পাকিস্তানের সামনে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা
পাকিস্তান থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৫ রানে জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে। ওই ম্যাচে মুনিবা আলী ৫৪ রান করেন এবং বোলিংয়ে সাদিয়া ইকবাল ও তুবা হাসান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
গ্রুপপর্বের সমীকরণে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি পাকিস্তানের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সেমিফাইনালের দৌড়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে আজকের ম্যাচে ভালো ফলের প্রয়োজন পাকিস্তানের।
দুই দলের সাম্প্রতিক লড়াই
টি-২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারত-পাকিস্তান নারী দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে ভারত এগিয়ে রয়েছে। আইসিসির তথ্য অনুযায়ী, দুই দল এখন পর্যন্ত ১৪ বার মুখোমুখি হয়েছে এবং ভারত জিতেছে ১৪টি ম্যাচ, পাকিস্তান জিতেছে ৩টি।
আজকের ম্যাচে তাই একদিকে ভারতের লক্ষ্য থাকবে গ্রুপপর্বের অপরাজিত রেকর্ড ধরে রাখা, অন্যদিকে পাকিস্তানের লক্ষ্য থাকবে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বড় জয় তুলে নিয়ে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করা।