Columbus, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েটে শক্তিশালী EF-2 টর্নেডো, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি মার্কিন নির্বাচনে ডাক ব্যালট নিয়ে নতুন আইনি লড়াই, সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড স্পনসরশিপে নতুন নিয়ম, যাচাই হবে স্পনসরের ক্রেডিট তথ্য সহকারী জজ পদে ২৫০ নিয়োগ, আবেদন শেষ ৬ সেপ্টেম্বর ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা বেতনে পিকেএসএফে নিয়োগ, আবেদন শেষ ১৯ সেপ্টেম্বর চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের দুর্দান্ত শুরু মালয়ালমে ২৩১ কোটির ঝড়, এবার তামিল-তেলেগু দর্শকের দরজায় ‘বেথলেহেম কুদুম্বা ইউনিট’ ‘আন্ধার’ টিজারে সিয়ামের নতুন রূপ, রহস্য-ভয়ে জমল প্রথম ঝলক বড় পর্দায় ‘মির্জাপুর’, প্রথম দিনেই ২৪ কোটির বেশি আয় স্টিয়ারিং ও ব্রেক প্যাডেল ছাড়াই টেসলা সাইবারক্যাব, মার্কিন তদন্ত শুরু ভিয়েতনামে আজ মিস ওয়ার্ল্ডের ৭৫তম বর্ষপূর্তির গ্র্যান্ড ফাইনাল টাঙ্গাইলে প্রথম ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল’, চলবে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এসএসসিতে মেয়েদের এগিয়ে থাকার পেছনে বাল্যশ্রম ও পড়াশোনার অভ্যাস আজ ভারত-পাকিস্তান নারী টি-২০ এশিয়া কাপের হাইভোল্টেজ লড়াই গৌরীপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জন্মাষ্টমী উদযাপন, শোভাযাত্রার উদ্বোধন করলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
হোম বাংলাদেশ টাঙ্গাইলে প্রথম ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল’, চলবে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

টাঙ্গাইলে প্রথম ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল’, চলবে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১১:১৪ এএম, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 4
টাঙ্গাইলে প্রথম ‘সুইট ফেস্টিভ্যাল’, চলবে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ||


টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি শিল্প, টাঙ্গাইল শাড়ি ও স্থানীয় সংস্কৃতিকে দেশ-বিদেশে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে টাঙ্গাইলে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘Sweet Festival 2026’। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে উৎসবটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন।


মিষ্টি ও তাঁতশিল্পের ঐতিহ্যকে একই আয়োজনে তুলে ধরার কারণে উৎসবটি স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে। এখানে টাঙ্গাইলের বিখ্যাত পোড়াবাড়ির চমচম, জামুর্কীর কালিদাস সন্দেশসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি প্রদর্শন করা হচ্ছে। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ির বড় পরিসরের প্রদর্শনীরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।


‘ব্র্যান্ড টাঙ্গাইল’ গড়ার উদ্যোগ


জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবের অন্যতম লক্ষ্য টাঙ্গাইলের শতবর্ষের মিষ্টি তৈরির ঐতিহ্যকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরা। একই সঙ্গে স্থানীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পণ্যকে কেন্দ্র করে জেলার পর্যটন সম্ভাবনা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।


আয়োজকদের মতে, উৎসবের মাধ্যমে তরুণদের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি শিল্পে উদ্যোক্তা হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, মিষ্টি কারিগর, তাঁতি ও ব্যবসায়ীদের নতুন ক্রেতা ও বাজারের সঙ্গে সংযোগ ঘটানোর লক্ষ্য রয়েছে।


উৎসবে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন জিআই পণ্য ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে টাঙ্গাইল শাড়ি, আনারস, চমচম ও সন্দেশ।


১২ উপজেলা থেকে ২৩টি স্টল


উৎসবে জেলার ১২টি উপজেলা থেকে মোট ২৩টি স্টল অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ২০টি স্টলে বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি এবং তিনটি স্টলে টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা রয়েছে।


প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মিষ্টি তৈরির সঙ্গে যুক্ত কারিগর পরিবারের তৈরি নানা ধরনের মিষ্টি উৎসবে স্থান পেয়েছে। ফলে দর্শনার্থীরা এক জায়গায় টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির স্বাদ ও বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানার সুযোগ পাচ্ছেন।


চমচম বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ


উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইলের শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী জিআই পণ্য চমচম বিদেশে রপ্তানির বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


৪ সেপ্টেম্বর শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, টাঙ্গাইলের চমচম কীভাবে বিদেশে রপ্তানি করা যায়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।


স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী পণ্যকে বৃহত্তর বাজারে পরিচিত করার এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মিষ্টি কারিগর ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন বাজার তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। তবে বিদেশে রপ্তানির বিষয়টি বর্তমানে ঘোষিত উদ্যোগের পর্যায়ে রয়েছে; এটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ও মানদণ্ড পূরণ করতে হবে।


পর্যটন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্ব


আয়োজকদের প্রত্যাশা, মিষ্টি ও তাঁতশিল্পকে ঘিরে এমন আয়োজন টাঙ্গাইলের পর্যটন সম্ভাবনাকে আরও পরিচিত করবে। একই সঙ্গে স্থানীয় পণ্যের ব্র্যান্ডিং, উদ্যোক্তা তৈরি এবং ঐতিহ্যবাহী শিল্প সংরক্ষণেও উৎসবটি ভূমিকা রাখবে।


‘Sweet Festival 2026’ চলবে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এর মাধ্যমে টাঙ্গাইলের মিষ্টি, শাড়ি, কারুশিল্প ও স্থানীয় সংস্কৃতিকে একই প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরার পাশাপাশি জেলার ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্ম ও বৃহত্তর বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।