Columbus, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
শিশুর পাসপোর্টে মা-বাবার নাগরিকত্বের প্রমাণ চায় ট্রাম্প প্রশাসন নায়ক থেকে খলনায়ক, ‘হাইওয়ান’-এ অক্ষয় কুমারের নতুন চমক প্রায় ৫০ লাখ পোশাক শ্রমিককে সর্বজনীন পেনশনে আনার উদ্যোগ ইসরায়েলি অবরোধের বিরুদ্ধে ফের ফ্লোটিলা, অক্টোবরে গাজার পথে আন্তর্জাতিক কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েটে শক্তিশালী EF-2 টর্নেডো, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি মার্কিন নির্বাচনে ডাক ব্যালট নিয়ে নতুন আইনি লড়াই, সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড স্পনসরশিপে নতুন নিয়ম, যাচাই হবে স্পনসরের ক্রেডিট তথ্য সহকারী জজ পদে ২৫০ নিয়োগ, আবেদন শেষ ৬ সেপ্টেম্বর ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা বেতনে পিকেএসএফে নিয়োগ, আবেদন শেষ ১৯ সেপ্টেম্বর চাইনিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের দুর্দান্ত শুরু মালয়ালমে ২৩১ কোটির ঝড়, এবার তামিল-তেলেগু দর্শকের দরজায় ‘বেথলেহেম কুদুম্বা ইউনিট’ ‘আন্ধার’ টিজারে সিয়ামের নতুন রূপ, রহস্য-ভয়ে জমল প্রথম ঝলক বড় পর্দায় ‘মির্জাপুর’, প্রথম দিনেই ২৪ কোটির বেশি আয় স্টিয়ারিং ও ব্রেক প্যাডেল ছাড়াই টেসলা সাইবারক্যাব, মার্কিন তদন্ত শুরু ভিয়েতনামে আজ মিস ওয়ার্ল্ডের ৭৫তম বর্ষপূর্তির গ্র্যান্ড ফাইনাল
হোম আন্তর্জাতিক মার্কিন নির্বাচনে ডাক ব্যালট নিয়ে নতুন আইনি লড়াই, সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্প

মার্কিন নির্বাচনে ডাক ব্যালট নিয়ে নতুন আইনি লড়াই, সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১২:৪২ পিএম, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 3
মার্কিন নির্বাচনে ডাক ব্যালট নিয়ে নতুন আইনি লড়াই, সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ||


যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডাকযোগে ভোটের নিয়ম আরও কঠোর করার উদ্যোগ নিয়ে আইনি লড়াই নতুন মোড় নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন নতুন ডাক-ব্যালট বিধি কার্যকর করার অনুমতি চেয়ে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। এর একদিন পরই ফেডারেল বিচারক ওই বিধি বাস্তবায়নে দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা জারি করায় বিষয়টি আবারও সুপ্রিম কোর্টের সামনে গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন হিসেবে উঠেছে।


কী পরিবর্তন আনতে চায় প্রশাসন


ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের ডাক বিভাগের (USPS) মাধ্যমে পাঠানো ফেডারেল নির্বাচনের ব্যালটের ক্ষেত্রে নতুন কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।


নতুন বিধি অনুযায়ী, রাজ্যগুলোকে ডাকযোগে ব্যালট পাওয়া ভোটারদের তালিকা USPS-এর কাছে দিতে হবে। পাশাপাশি ব্যালট পাঠানোর ও ফেরত দেওয়ার খামের জন্য নির্দিষ্ট নকশা ও আলাদা বারকোড ব্যবহারের নিয়ম রাখা হয়েছে।


নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করা ব্যালট বা USPS-এর তালিকায় সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম না থাকলে ডাক বিভাগ সেই ব্যালট সরবরাহ না করার ক্ষমতা পাবে।


সুপ্রিম কোর্টে প্রশাসনের আবেদন


নতুন বিধি কার্যকর করার উদ্যোগ আটকে দেওয়ার পর গত ৩ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিচার বিভাগ জরুরি আবেদন করে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চায়।


প্রশাসনের যুক্তি, নতুন বিধির মাধ্যমে ডাক ব্যবস্থাকে নির্বাচনী জালিয়াতি থেকে সুরক্ষিত রাখা এবং নির্বাচনের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ানো সম্ভব হবে।


তবে সমালোচকরা বলছেন, নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে এত বড় পরিবর্তন বাস্তবায়ন করলে বৈধ ভোটও বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।


ফেডারেল বিচারকের নতুন নিষেধাজ্ঞা


এর মধ্যেই ৪ সেপ্টেম্বর ম্যাসাচুসেটসের ফেডারেল জেলা বিচারক ইন্দিরা টালওয়ানি USPS-এর নতুন বিধি বাস্তবায়নে দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।


বিচারকের মতে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া নির্বাহী শাখা বা USPS রাজ্যগুলোর নির্বাচনী ব্যবস্থায় এ ধরনের পরিবর্তন আরোপ করতে পারে না। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে প্রায় ১০ হাজার স্থানীয় নির্বাচনী কর্তৃপক্ষকে ব্যালটের নকশা পরিবর্তন, নতুন করে ছাপানো এবং ভোটারদের তথ্য নতুন ব্যবস্থায় দেওয়ার মতো কাজ করতে হলে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে।


রায়ের পর ট্রাম্প প্রশাসন দ্রুত আপিলের উদ্যোগ নেয়।


নভেম্বরের নির্বাচন সামনে রেখে বাড়ছে গুরুত্ব


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন আগামী ৩ নভেম্বর ২০২৬ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এরই মধ্যে নর্থ ক্যারোলাইনা প্রথম রাজ্য হিসেবে নভেম্বরের নির্বাচনের ডাক-ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে।


ফলে ডাকযোগে ভোটের নতুন নিয়ম কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কর্মকর্তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। একদিকে প্রশাসন নতুন নিয়মকে নির্বাচনী নিরাপত্তার অংশ হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে রাজ্য ও ভোটাধিকার সংগঠনগুলোর একটি জোট এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করছে।


আগেও এই বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে উঠেছিল। ২৪ আগস্ট আদালত আগের একটি নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করলেও তখন মূল বিধির সাংবিধানিক বৈধতা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করেনি। নতুন USPS বিধি প্রকাশের পর আবারও সেই আইনি লড়াই সুপ্রিম কোর্টে ফিরে এসেছে।


বর্তমানে ৪ সেপ্টেম্বরের ফেডারেল আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন কড়াকড়ি কার্যকর করার পথ আটকে আছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের নতুন আবেদনে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই এখন নির্বাচনের আগে ডাকযোগে ভোটের নিয়মের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।