অনলাইন, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
চরহাজারীতে বিএনপির ৮ মনোনয়নপ্রত্যাশী, ঐক্যবদ্ধভাবে একজনকে বিজয়ী করার আহ্বান এমপি ফখরুলের প্রেমিকের বাইক চালাচ্ছিলেন প্রেমিকা, একসঙ্গে দুজনেরই মৃত্যু বেনাপোলে হরিদাস ঠাকুর পাটবাড়ী আশ্রমসহ সীমান্তের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বিজিবি'র সিও কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় লালনমেলা, পুলিশের অভিযানে গাঁজা সেবনের দুই হাজার সরঞ্জাম জব্দ। শীতের আমেজে ফুটবল উন্মাদনা, কুড়িগ্রামে বসছে যোগীপাড়া মিনিবার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসর বর্তমান সরকার পরামর্শ গ্রহণের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান কুড়িগ্রামে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, আটক ১ বদলে গেছে সেনবাগ হাসপাতালের চিত্র, আকস্মিক পরিদর্শনে সন্তোষ এমপি ফারুকের জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও নিলামে চায়ের মূল্য বাড়ছে না শীতের আমেজে ফুটবল উন্মাদনা, কুড়িগ্রামে বসছে যোগীপাড়া মিনিবার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসর আহ্বায়ক-সদস্য সচিব দুই সরকারি শিক্ষক! ফুলবাড়ী বিএনপিতে চরম ক্ষোভ, কেন্দ্রে নালিশ কুড়িগ্রামে দৈনিক কালবেলার জেলা কার্যালয় উদ্বোধন, জেলার রাজনৈতিক সাংবাদিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের মিলন মেলায় পরিনত নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাথে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ: সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বাণিজ্য সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ পলাশে সমতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও তরুণদের অধিকার বিষয়ে আলোচনা সভা
হোম › বাংলাদেশ › বকেয়া বেতন পরিশোধ ও পুরোনো শ্রমিকদের পুনর্বহালের দাবিতে পলাশে সার কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ

বকেয়া বেতন পরিশোধ ও পুরোনো শ্রমিকদের পুনর্বহালের দাবিতে পলাশে সার কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১২:৪১ পিএম, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 162
বকেয়া বেতন পরিশোধ ও পুরোনো শ্রমিকদের পুনর্বহালের দাবিতে পলাশে সার কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ

মো. আখতারুজ্জামান,

নরসিংদী প্রতিনিধি॥


মজুরি, দীর্ঘদিনের বকেয়া বেতন ও মজুরি পরিশোধ এবং কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে নরসিংদীর পলাশে ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।


মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কারখানার ব্যাগিং সেকশনের মূল ফটকের সামনে থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়। এতে ব্যাগিং শাখার প্রায় দুই শতাধিক শ্রমিক ও কর্মচারী অংশ নেন।


বিক্ষোভ মিছিলটি ব্যাগিং সেকশনের মূল ফটক থেকে শুরু হয়ে লোড-আনলোড গেটসহ কারখানার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফটক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় শ্রমিকরা দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা পরিশোধ, আকস্মিক শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ এবং পুরোনো শ্রমিকদের পুনর্বহালের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।


বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জহিরুল ইসলাম ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় কাজ করলেও শ্রমিকদের বিপুল পরিমাণ বকেয়া পাওনা রেখে চলে যায়। বর্তমানে একই প্রতিষ্ঠান নতুন করে কাজ পেলেও কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই দীর্ঘ ৪০ থেকে ৫০ বছর ধরে কারখানায় কাজ করা পুরোনো ও অভিজ্ঞ শ্রমিকদের বাদ দেওয়া হয়েছে।


শ্রমিকদের অভিযোগ, পুরোনো শ্রমিকদের পরিবর্তে আশুগঞ্জ সার কারখানা থেকে নতুন শ্রমিক এনে কাজ করানো হচ্ছে। তাদের দাবি, পূর্বের শ্রমিকরা ৫০০ টাকা মজুরিতে কাজ করলেও নতুন শ্রমিকদের মাত্র ৩০০ টাকা মজুরি দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। আন্দোলনরত শ্রমিকরা এটিকে শ্রমিকদের সঙ্গে বৈষম্য ও অনিয়ম হিসেবে উল্লেখ করেন।


তারা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কারখানায় কাজ করে আসা অভিজ্ঞ শ্রমিকদের হঠাৎ বাদ দেওয়ায় তারা বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তা ও দিশেহারা অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় ধরে কারখানার কাজে যুক্ত থাকা শ্রমিকদের অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতাকে বিবেচনায় নিয়ে তাদের পুনরায় কাজের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান তারা।


আন্দোলনরত শ্রমিকদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, বিগত দিনের সব বকেয়া মজুরি ও বেতন দ্রুত পরিশোধ এবং কোনো ধরনের বৈষম্য না করে পুরোনো ও অভিজ্ঞ শ্রমিকদের স্বপদে পুনর্বহাল করে কাজের সুযোগ দেওয়া।


শ্রমিকরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা কারখানায় কাজ করে আসছেন। তাদের পাওনা পরিশোধ না করে এবং কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই কর্মসংস্থান থেকে বাদ দেওয়া হলে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়বেন। তাই দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের দাবি জানান তারা।


বিক্ষোভ থেকে শ্রমিকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দ্রুত তাদের সমস্যার সমাধান না করলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতি দ্রুত নিরসনে কারখানা কর্তৃপক্ষ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী শ্রমিকরা। একই সঙ্গে স্থানীয় সচেতন মহলও শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।


শ্রমিকদের দাবি, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও কর্মসংস্থানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত একটি ন্যায়সংগত সমাধান করা হবে—এটাই এখন তাদের প্রত্যাশা।