Columbus, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
জালিয়াতি-অনিয়মের অভিযোগের পর ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন পুতুল সোনাইমুড়ী-চাষীরহাটে হেযবুত তওহীদের কার্যক্রম তদন্তের দাবি হেফাজতে ইসলামের সুনাগরিক গঠনে সমন্বিত সামাজিক দায়িত্ব নওগাঁয় সিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেপ্তার শিক্ষককে বাসায় ডেকে মারধরের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, নারীসহ হানিট্র্যাপ চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে হাতেনাতে দু'জনকে আটকে তিন মাসের কারাদণ্ড দুর্গাপুরে মাদকের আখড়ায় পরিণত হওয়া ৭ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বিএনপি নেতার সঙ্গে ‘গোপন আস্তানায়’ জুয়ার আসর, টাকায় চুমু খেয়ে ভাইরাল সরকারি কর্মকর্তা যুদ্ধের আঁচে জ্বালানি বাজারে উত্তাপ, ১০০ ডলার ছাড়াল অপরিশোধিত তেলের দাম বিএনপি ক্ষমতায় আসা মানেই দুর্নীতি-সংকট—সংসদে রুমিনের বিস্ফোরক বক্তব্য হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিংয়ে দুর্ঘটনা: ২ সেনাসদস্য নিহত, আহত কর্মকর্তা বুলগেরিয়ার IJSO-তে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে ৬ মেধাবী শিক্ষার্থী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ-ভারত মহারণ, ম্যাচ বৃহস্পতিবার খেলনা বিমান’ বলায় বিপাকে নোরা ফাতেহি, ৩ কোটি রুপির মানহানি মামলা ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, প্রাণ-আরএফএল, আড়ং ও মোল্লা সল্টে নতুন নিয়োগ
হোম বাংলাদেশ দুর্গাপুরে মাদকের আখড়ায় পরিণত হওয়া ৭ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

দুর্গাপুরে মাদকের আখড়ায় পরিণত হওয়া ৭ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:০৭ এএম, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 2
দুর্গাপুরে মাদকের আখড়ায় পরিণত হওয়া ৭ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

মামুন রণবীর,

নেত্রকোণা প্রতিনিধি॥


নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার সোমেশ্বরী নদীর পাড়ে সরকারি খাসজমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা দখল করে বিভিন্ন অসাধু চক্র অপরাধ ও মাদকের আখড়ায় পরিণত করেছিলো। এবার এসব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে এনেছে প্রশাসন।


বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে প্রশাসন। ফলে জনমনে স্বস্তি এসেছে।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুর্গাপুর পৌর এলাকার তেরীবাজার ঘাট সংলগ্ন সোমেশ্বরী নদীর পাড়ে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি খাসজমি দখল করে বিভিন্ন অসাধু চক্র স্থাপনা গড়ে তুলেছিল। নদীর বালুমহাল যখন চালু ছিল তখন এসব ঘর নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে বালুমহাল বন্ধ থাকায় এসব ঘর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। ব্যবহার না হওয়ায় রাতের নির্জন পরিবেশে সুযোগটি কাজে লাগায় স্থানীয় মাদক কারবারি ও মাদকসেবীরা। অপরাধ ও মাদকের নিরাপদ স্থান হয়ে ওঠে পুরো জায়গাটি। মানুষের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়ে। স্থানীয়রা এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে আসছিলেন।


স্থানীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা, এলাকার পরিবেশের মান উন্নয়ন ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় একে একে গুঁড়িয়ে দেয়া হয় নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা সাতটি অবৈধ স্থাপনা।


অভিযানের বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান বলেন, তেরীবাজার সংলগ্ন সোমেশ্বরী নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা এসব অবৈধ ও পরিত্যক্ত স্থাপনাগুলো সম্প্রতি মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। এটি সমাজের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং জনজীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। সরকারি খাসজমি উদ্ধারের পাশাপাশি মাদক নির্মূলে আমরা এই অভিযান পরিচালনা করেছি।


অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পরিত্যক্ত ওই স্থাপনাগুলোকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপরাধমূলক কর্মকান্ড ঘটতো। এখন এই এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে এলো।