Columbus, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও নিলামে চায়ের মূল্য বাড়ছে না শীতের আমেজে ফুটবল উন্মাদনা, কুড়িগ্রামে বসছে যোগীপাড়া মিনিবার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসর আহ্বায়ক-সদস্য সচিব দুই সরকারি শিক্ষক! ফুলবাড়ী বিএনপিতে চরম ক্ষোভ, কেন্দ্রে নালিশ কুড়িগ্রামে দৈনিক কালবেলার জেলা কার্যালয় উদ্বোধন, জেলার রাজনৈতিক সাংবাদিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের মিলন মেলায় পরিনত নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাথে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ: সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বাণিজ্য সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ পলাশে সমতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও তরুণদের অধিকার বিষয়ে আলোচনা সভা প্রতিমন্ত্রীর সফরের মধ্যেই উত্তপ্ত কুমারখালী, হাতাহাতির ঘটনায় লাঞ্ছিত ৩ সাংবাদিক চিকিৎসকের বদলে অন্য ব্যক্তির সিজার করায় নবজাতকের মৃত্যু; হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার নওগাঁয় প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১, আহত ৯ জন; আটক ১ শিক্ষার্থীদের নিয়ে দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা ‎নাসিরনগরে রাতের আঁধারে ২টি সেচ পাম্পের ট্রান্সফরমার চুরি, ভোগান্তিতে কৃষকরা নওগাঁয় পাচারকালে আটক সার কৃষকদের মাঝে বিক্রি; অর্থ গেলো সরকারি কোষাগারে নওগাঁয় বাছুরে খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, হামলায় নিহত ১ কুড়িগ্রামে ছেলের ছুরিকাঘাতে মা খুন, বাবা গুরুতর আহত
হোম › জাতীয় › ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৯:০১ পিএম, ১১ মে, ২০২৪ 188
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রস্তাব জাতিসংঘে পাস হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ ১৪৩টি দেশ এর পক্ষে ভোট দিয়েছে শুক্রবার। বিরুদ্ধে ভোট পড়েছে ৯টি। এর মধ্যে ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্র অন্যতম। ভোট দানে বিরত ছিল ২৫টি দেশ। ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার এই প্রস্তাব পাস হওয়ার ফলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ইসরাইল। জাতিসংঘে নিযুক্ত তাদের রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদেই এই প্রস্তাবের নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘ সনদ ছিঁড়ে ফেলেন। তিনি বলেন, এই স্বীকৃতির মধ্যদিয়ে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রকে জাতিসংঘে স্বাগত জানানো হচ্ছে। জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূতের এমন আচরণকে ঔদ্ধত্য হিসেবে বর্ণনা করে এর নিন্দা জানিয়েছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসরাইলের এই আচরণ ঔদ্ধত্যপূর্ণ।

গাজায় আক্রমণের বিষয়ে যতক্ষণ সদস্য রাষ্ট্রগুলো নীরব থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের কাছে জাতিসংঘ সনদ মূল্যবান। তারা নারী, শিশু এবং নিরীহ মানুষ মিলিয়ে গত সাত বছরে কমপক্ষে ৩৪ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। এরপরও ইহুদি এই রাষ্ট্রটি আশা করে তাদের এই কর্মকাণ্ডে বিশ্ব সম্প্রদায় উল্লাস করবে। তারা এর মধ্যদিয়ে যুদ্ধাপরাধ করছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের আইন ভয়াবহভাবে লঙ্ঘন করছে। 


তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। ওদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আইসিসি’র কাছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আহ্বান জানিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। তিনি বলেছেন, নেতানিয়াহুর সরকার গাজা যুদ্ধে গণহত্যা চালাচ্ছে। এর আগে বামপন্থি এই নেতা গত সপ্তাহে গাজা যুদ্ধের কারণে ইসরাইলের সঙ্গে তার দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেন। এক্সে দেয়া পোস্টে তিনি বলেছেন, নেতানিয়াহু গণহত্যা বন্ধ করবে না। এর ফলে আইসিসি’র উচিত তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা। একই সঙ্গে তিনি দাবি তোলেন গাজা ভূখণ্ডে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মোতায়েনের বিষয় বিবেচনা করতে। এ জন্য তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সম্পর্ক ছিন্ন করার ফলে প্রেসিডেন্ট পেত্রোকে ইহুদিবিরোধী এবং ঘৃণায় পূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে অভিহিত করেছে ইসরাইল। তারা বলেছে, তার এই অবস্থান হামাসকে পুরস্কৃত করা। ওদিকে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো দেয়ার নিন্দা জানিয়েছে তাঞ্জানিয়া। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানুয়ারি মাকামবা বলেছেন, ফিলিস্তিনকে অধিক অধিকার ও সুবিধা দেয়ার জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রস্তাবে সমর্থন জানায় পূর্ব আফ্রিকার এই দেশ। তিনি বলেন, ১৪৩টি দেশ ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের একটি পূর্ণাঙ্গ সদস্য করার প্রস্তাবে ভোট দিয়েছে। তা সত্ত্বেও এটা এখনো স্বীকার করে নেয়া হচ্ছে না। কারণ, ইসরাইলের সমর্থনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো দেয়ার ক্ষমতা আছে যুক্তরাষ্ট্রের। 

গাজা যুদ্ধ নিয়ে যুদ্ধবিরতি চুক্তি এখনো পর্যন্ত না হওয়ায় গভীর অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জন কিরবি। তিনি বলেছেন, উভয় পক্ষকে অব্যাহতভাবে আলোচনায় যুক্ত করার কঠোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। সেই আলোচনা ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে হলেও হতে পারে। এর আগে কাতার ও মিশরের উত্থাপিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে নেয় হামাস। কিন্তু ইসরাইল তা মানতে অস্বীকৃতি জানায়। জন কিরবি বলেন, আমরা এখনো বিশ্বাস করি চুক্তি হওয়া সম্ভব। তিনি আরও বলেন, রাফায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র। গাজা ও মিশরের মধ্যে রাফা ক্রসিং মানবিক ত্রাণের জন্য অবিলম্বে খুলে দিতে তিনি ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে রাফার করুণ পরিণতির কথা বর্ণনা করেছেন গাজায় ইউনিসেফের সিনিয়র জরুরি সমন্বয়ক হামিশ ইয়াং। তিনি বলেছেন, ৩০ বছর ধরে বড় আকারে মানবিক জরুরি কাজে আমি কাজ করে আসছি। কিন্তু গাজার মতো বিপর্যয়কর, জটিল এবং গা রি রি করে উঠা পরিস্থিতির মুখোমুখি হইনি কখনো। তিনি বলেন, ইসরাইলের কথিত ‘মানবিক জোন’ আল মাওয়াসির সড়কগুলোতে শত শত ট্রাক, বাস, গাড়ি এবং গাধায় টানা গাড়ি, মানুষ আর তাদের জিনিসপত্রে বিশৃঙ্খল এক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ৫ দিন ধরে জ্বালানি নেই। কার্যত কোনো মানবিক ত্রাণ পৌঁছেনি গাজায়। এরই মধ্যে এই যুদ্ধে কমপক্ষে ১৪ হাজার শিশু নিহত হয়েছে।