Columbus, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও নিলামে চায়ের মূল্য বাড়ছে না শীতের আমেজে ফুটবল উন্মাদনা, কুড়িগ্রামে বসছে যোগীপাড়া মিনিবার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসর আহ্বায়ক-সদস্য সচিব দুই সরকারি শিক্ষক! ফুলবাড়ী বিএনপিতে চরম ক্ষোভ, কেন্দ্রে নালিশ কুড়িগ্রামে দৈনিক কালবেলার জেলা কার্যালয় উদ্বোধন, জেলার রাজনৈতিক সাংবাদিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের মিলন মেলায় পরিনত নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাথে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ: সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বাণিজ্য সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ পলাশে সমতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও তরুণদের অধিকার বিষয়ে আলোচনা সভা প্রতিমন্ত্রীর সফরের মধ্যেই উত্তপ্ত কুমারখালী, হাতাহাতির ঘটনায় লাঞ্ছিত ৩ সাংবাদিক চিকিৎসকের বদলে অন্য ব্যক্তির সিজার করায় নবজাতকের মৃত্যু; হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার নওগাঁয় প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১, আহত ৯ জন; আটক ১ শিক্ষার্থীদের নিয়ে দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা ‎নাসিরনগরে রাতের আঁধারে ২টি সেচ পাম্পের ট্রান্সফরমার চুরি, ভোগান্তিতে কৃষকরা নওগাঁয় পাচারকালে আটক সার কৃষকদের মাঝে বিক্রি; অর্থ গেলো সরকারি কোষাগারে নওগাঁয় বাছুরে খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, হামলায় নিহত ১ কুড়িগ্রামে ছেলের ছুরিকাঘাতে মা খুন, বাবা গুরুতর আহত
হোম › রাজনীতি › হেফাজতকে কিছু নেতা দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করছেন

হেফাজতকে কিছু নেতা দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করছেন

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৬:১০ এএম, ২০ অক্টোবর, ২০২৫ 195
হেফাজতকে কিছু নেতা দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করছেন

অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এখন কয়েকটি ইসলামি দলের নেতারা নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন তরুণ ইসলামি বক্তা মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, হেফাজত যদি সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হতো তাও ভালো ছিল, তাহলে এ দোটানার মধ্যে থাকতে হতো না। হাটহাজারীর কিছু নেতাসহ হেফাজতের একটা অংশ এখনও রাজনীতিবিমুখ আছে। যারা রাজনীতির বাইরে থাকতে চান। কিন্তু যে অংশটা এখন হেফাজত নিয়ন্ত্রণ করছে, যারা সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কথাবার্তা বলে তারা সবাই সরাসরি গণতান্ত্রিক রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এরা বিভিন্ন দলের- যেমন জমিয়ত, খেলাফত মজলিশ, নেজামে ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ, খেলাফত আন্দোলন- এ অংশটার অধীনে এখন হেফাজত চলে গেছে। এ কারণে এখন বিভিন্ন বিষয়গুলো প্রকাশ হচ্ছে। 


হেফাজত কি তাহলে প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য থেকে সরে গেছে? এমন প্রশ্নে রফিকুল ইসলাম বলেন, হেফাজত প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ব্যহত হবে না হয়ে গেছে। কারণ উত্থানের সময় যে প্রভাব ও শক্তি ছিল সেটি এখন হেফাজতের নাই। এটাই বাস্তবতা। হেফাজতের প্রভাবে বিগত সরকারের প্রভাবশালী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো মানুষ সব বিষয়ে হেফাজতের প্রতিক্রিয়ার কথা ভাবতেন। তিনি একটা আইন করলে কিংবা কোন বিষয়ে চুক্তি করলে হেফাজত কি করবে বা হেফাজত এ বিষয়ে কি ভূমিকা নেবে- এটা নিয়ে চিন্তা করতেন। 


‘হেফাজত যখন অরাজনৈতিক ভূমিকায় ছিল তখন তারা আদর্শিক ও প্রভাবশালী সংগঠন হিসেবেই বিবেচিত হতো, ফলে সব রাজনৈতিক দল ওই সময় তাদের কাছে টানতে চাইতো। হেফাজত আমিরের অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য প্রধানমন্ত্রীকেও চেষ্টা করতে হতো। আর এখন হেফাজতের আমির-মহাসচিব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়।’


হেফাজতকে বিভিন্ন ইসলামি দলের নেতারা নিজেদের দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করছে মন্তব্য করে মাদানী বলেন, এখনকার হেফাজত ওই অবস্থা থেকে এ অবস্থায় কেন আসলো? এই যে রাজনৈতিক দলগুলো যারা বিভিন্ন ইসলামি দল করে আবার হেফাজতের সঙ্গেও জড়িত, তারা হেফাজতকে নিজেদের দলীয় স্বার্থে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যবহার করে। বললে অনেকে কষ্ট পাবে, হেফাজত হয়ে গেছে এখন ‘গরীবের বউ সবার ভাবী’র মতো। এটা কষ্টের কথা।


তার অভিযোগ, হেফাজতকে এখন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে, খেলাফত মজলিস নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে, খেলাফত আন্দোলন নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে, নেজামে ইসলাম পার্টি নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে এভাবে সবাই মিলে ব্যবহার করছে হেফাজতকে। হেফাজতকে তার নিজস্ব আদর্শে রেখে কাজ করা, হেফাজতের অরাজনৈতিক আদর্শ অক্ষুন্ন রেখে যেভাবে পরিচালিত হওয়ার কথা ছিল সেভাবে চলছে না। একটা অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে ইসলামবিরোধী যে কোন কর্মকাণ্ডে সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে সেই শক্তি এখন হেফাজতের নেই।