Columbus, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
ভেনেজুয়েলার তেল দিয়ে কৌশলগত মজুত ভরাট করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প ঢাকায় IPU মহাসচিব: সংসদীয় কূটনীতি ও সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিতে নিউইয়র্কের পথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিতে নিউইয়র্কের পথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তমদ্দুন মজলিসের ৭৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সাগর-রুনি হত্যা তদন্তে নতুন মোড়: জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীকে ঘিরে তদন্ত গ্রামীণ শক্তিতে ম্যানেজার এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩১ আগস্ট নেপালের ভয়াবহ বন্যায় জরুরি সহায়তা, ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার ছাড় করল WHO “Finding Future Scientists-2026” তৃতীয়বারের মতো জাতীয় বিজ্ঞান মেলা স্বাইন ফ্লুতে আক্রান্ত ইমরান হাশমি, পিছিয়ে গেল বেঙ্গালুরুর অনুষ্ঠান শিশুর হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার আগে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ সেমিফাইনালে এক উইকেটের হৃদয়ভাঙা হার, Top End T20 থেকে বিদায় বাংলাদেশের NASA-র Roman Space Telescope উৎক্ষেপণ, ডার্ক এনার্জি ও ডার্ক ম্যাটারের রহস্য উন্মোচনে নতুন অধ্যায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১,৮৫৫ পদে নিয়োগের ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল ২০২৭ পর্যন্ত CERN-এর বিজ্ঞান প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়, বিজয়ী POLARIS
হোম জাতীয় ৯০ দশকের অসাধারন  কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “যৌথ পরিবার”

৯০ দশকের অসাধারন  কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “যৌথ পরিবার”

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:৪৩ এএম, ১১ মে, ২০২৪ 335
৯০ দশকের অসাধারন  কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা             “যৌথ পরিবার”

তানজিমা আক্তার

আমাদের যৌথ পরিবার ছিল। ৯০ দশকে যৌথ পরিবারের সংখ্যা বেশি ছিল যেখানে আনন্দ,মায়া ছিল অফুরন্ত। প্রত্যেকটা পরিবারে দাদা-দাদী পরিবারের গুরুজন থাকেন।আমাদের পরিবারের গুরুজন হলেন বড় জ্যাঠা বড় জেঠি।দাদা-দাদীর সব ভালোবাসা আমরা আমাদের জ্যাঠা জেঠি থেকে পেয়েছি।একবার বড় জ্যাঠামনি আমাদের বাসায় "টিএনটি"ফোন নিয়ে এলেন আমরা সবাই এত খুশি আমাদের বাসায় ফোন এসেছে।একটা লাল রঙের ফোন ছিল।সেই ৯০ দশকের টিএনটি ফোন আজ শুধু স্মৃতি।তখন কেউর বাসায় একটা ফোন থাকলে এলাকার সবাই ফোন করতে আসত।কারন সবার বাসায় ঐ সময় ফোন ছিল না আর এখন তো সবার হাতে হাতে ফোন তাই সেই সময়ের সেই আবেগ এখন আর কেউ বোঝেনা।স্মৃতি হয়ে রইল আমাদের বাসার সেই টিএনটি ফোনটা….আমাদের বড় জ্যাঠামনি সব সময় সবাইকে নিয়ে একসাথে বসে খাওয়া-দাওয়া করতে পছন্দ করতেন।উনি অল্প কিছু নিয়ে আসলেও সবাই কে ডেকে আনতেন।রমজানের ঠিক আগে আমার বড় জ্যাঠা ডাইনিং টেবিল তুলে রেখে দিতেন কারণ ইফতারি এবং সেহরি সবাই একসাথে পাটিতে বসে করতাম।ছোট ছোট জিনিসগুলো অনেক আনন্দ দিত আমাদের।ঈদের সময় তো আমাদের আনন্দের শেষ ছিল না।আমাদের সময় চাঁদ রাত মানে ছিল ভাই বোনদের মিলন মেলা।ঈদের আগের দিন আমি আর আমার বোন এলাকার কোন এক বাসার মেহেদী গাছ থেকে মেহেদী পেরে আনতাম।সেই মেহেদী বেটে রাখা হত।আমরা কোন রকম মাগরিব আজান দিলেই সাদে চলে যেতাম চাঁদ দেখতে।চাঁদ উঠলেই সেই মেহেদী দেওয়া শুরু হয়ে যেত কাটি দিয়ে।আমার বড় বোন আমাকে মেহেদী দিয়ে দিত।

আমরা সবাই একসাথে ঈদের অনুষ্টান দেখতাম।সেই সময় আমরা খবরের কাগজ থেকে কি কি দেখবো তার সময়সুচি কেটে রাখতাম।আমাদের জ্যাঠা জ্যাঠীরা সোফায় বোসতেন আর আমরা ভাই বোনেরা সবাই নিচে বসতাম।হয়তো একটাই হাসির নাটক দেখতাম সবাই মিলে কিন্তু কত যে আনন্দ ছিল সেই দেখায় তা ভাষায় বোঝানো যাবে না।আমাদের ছোট জ্যাঠা ছোট জ্যাঠী আমাদের সবার জন্যে ঈদের জামা আনতেন।আমরা ও লুকিয়ে রাখতাম।সবাই শুধু মা-বাবার বিশেষ করে বাবা ঈদের নামাজ পড়ে এসে সালামি দিবেন সেই অপেক্ষায় থাকেন।কিন্তু আমরা সব ভাই বোনরা আমাদের বড় জ্যাঠামনি,ছোটজ্যাঠা মনির এবং আব্বুর জন্যে অপেক্ষায় থাকতাম।আমাদের জ্যাঠারা নতুন টাকার বান্ডিল নিয়ে আসতেন।সবাইকে দিতেন।পরিবারের একজনের কষ্টে সবাই কষ্ট পেতাম তেমনি সবার সুখে সবাই সুখ পেতাম। এরই নাম যৌথ পরিবার। চলবে……