Columbus, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও নিলামে চায়ের মূল্য বাড়ছে না শীতের আমেজে ফুটবল উন্মাদনা, কুড়িগ্রামে বসছে যোগীপাড়া মিনিবার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসর আহ্বায়ক-সদস্য সচিব দুই সরকারি শিক্ষক! ফুলবাড়ী বিএনপিতে চরম ক্ষোভ, কেন্দ্রে নালিশ কুড়িগ্রামে দৈনিক কালবেলার জেলা কার্যালয় উদ্বোধন, জেলার রাজনৈতিক সাংবাদিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের মিলন মেলায় পরিনত নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাথে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ: সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বাণিজ্য সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ পলাশে সমতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও তরুণদের অধিকার বিষয়ে আলোচনা সভা প্রতিমন্ত্রীর সফরের মধ্যেই উত্তপ্ত কুমারখালী, হাতাহাতির ঘটনায় লাঞ্ছিত ৩ সাংবাদিক চিকিৎসকের বদলে অন্য ব্যক্তির সিজার করায় নবজাতকের মৃত্যু; হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার নওগাঁয় প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১, আহত ৯ জন; আটক ১ শিক্ষার্থীদের নিয়ে দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা ‎নাসিরনগরে রাতের আঁধারে ২টি সেচ পাম্পের ট্রান্সফরমার চুরি, ভোগান্তিতে কৃষকরা নওগাঁয় পাচারকালে আটক সার কৃষকদের মাঝে বিক্রি; অর্থ গেলো সরকারি কোষাগারে নওগাঁয় বাছুরে খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, হামলায় নিহত ১ কুড়িগ্রামে ছেলের ছুরিকাঘাতে মা খুন, বাবা গুরুতর আহত
হোম › জাতীয় › ৯০ দশকের অসাধারন  কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “যৌথ পরিবার”

৯০ দশকের অসাধারন  কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “যৌথ পরিবার”

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:৪৩ এএম, ১১ মে, ২০২৪ 346
৯০ দশকের অসাধারন  কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা             “যৌথ পরিবার”

তানজিমা আক্তার

আমাদের যৌথ পরিবার ছিল। ৯০ দশকে যৌথ পরিবারের সংখ্যা বেশি ছিল যেখানে আনন্দ,মায়া ছিল অফুরন্ত। প্রত্যেকটা পরিবারে দাদা-দাদী পরিবারের গুরুজন থাকেন।আমাদের পরিবারের গুরুজন হলেন বড় জ্যাঠা বড় জেঠি।দাদা-দাদীর সব ভালোবাসা আমরা আমাদের জ্যাঠা জেঠি থেকে পেয়েছি।একবার বড় জ্যাঠামনি আমাদের বাসায় "টিএনটি"ফোন নিয়ে এলেন আমরা সবাই এত খুশি আমাদের বাসায় ফোন এসেছে।একটা লাল রঙের ফোন ছিল।সেই ৯০ দশকের টিএনটি ফোন আজ শুধু স্মৃতি।তখন কেউর বাসায় একটা ফোন থাকলে এলাকার সবাই ফোন করতে আসত।কারন সবার বাসায় ঐ সময় ফোন ছিল না আর এখন তো সবার হাতে হাতে ফোন তাই সেই সময়ের সেই আবেগ এখন আর কেউ বোঝেনা।স্মৃতি হয়ে রইল আমাদের বাসার সেই টিএনটি ফোনটা….আমাদের বড় জ্যাঠামনি সব সময় সবাইকে নিয়ে একসাথে বসে খাওয়া-দাওয়া করতে পছন্দ করতেন।উনি অল্প কিছু নিয়ে আসলেও সবাই কে ডেকে আনতেন।রমজানের ঠিক আগে আমার বড় জ্যাঠা ডাইনিং টেবিল তুলে রেখে দিতেন কারণ ইফতারি এবং সেহরি সবাই একসাথে পাটিতে বসে করতাম।ছোট ছোট জিনিসগুলো অনেক আনন্দ দিত আমাদের।ঈদের সময় তো আমাদের আনন্দের শেষ ছিল না।আমাদের সময় চাঁদ রাত মানে ছিল ভাই বোনদের মিলন মেলা।ঈদের আগের দিন আমি আর আমার বোন এলাকার কোন এক বাসার মেহেদী গাছ থেকে মেহেদী পেরে আনতাম।সেই মেহেদী বেটে রাখা হত।আমরা কোন রকম মাগরিব আজান দিলেই সাদে চলে যেতাম চাঁদ দেখতে।চাঁদ উঠলেই সেই মেহেদী দেওয়া শুরু হয়ে যেত কাটি দিয়ে।আমার বড় বোন আমাকে মেহেদী দিয়ে দিত।

আমরা সবাই একসাথে ঈদের অনুষ্টান দেখতাম।সেই সময় আমরা খবরের কাগজ থেকে কি কি দেখবো তার সময়সুচি কেটে রাখতাম।আমাদের জ্যাঠা জ্যাঠীরা সোফায় বোসতেন আর আমরা ভাই বোনেরা সবাই নিচে বসতাম।হয়তো একটাই হাসির নাটক দেখতাম সবাই মিলে কিন্তু কত যে আনন্দ ছিল সেই দেখায় তা ভাষায় বোঝানো যাবে না।আমাদের ছোট জ্যাঠা ছোট জ্যাঠী আমাদের সবার জন্যে ঈদের জামা আনতেন।আমরা ও লুকিয়ে রাখতাম।সবাই শুধু মা-বাবার বিশেষ করে বাবা ঈদের নামাজ পড়ে এসে সালামি দিবেন সেই অপেক্ষায় থাকেন।কিন্তু আমরা সব ভাই বোনরা আমাদের বড় জ্যাঠামনি,ছোটজ্যাঠা মনির এবং আব্বুর জন্যে অপেক্ষায় থাকতাম।আমাদের জ্যাঠারা নতুন টাকার বান্ডিল নিয়ে আসতেন।সবাইকে দিতেন।পরিবারের একজনের কষ্টে সবাই কষ্ট পেতাম তেমনি সবার সুখে সবাই সুখ পেতাম। এরই নাম যৌথ পরিবার। চলবে……