Columbus, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
সাগর-রুনি হত্যা: সাড়ে ১৩ বছর কারাবন্দি এনামুলের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পায়নি পিবিআই, মুক্তি চায় পরিবার গোয়েন্দাদের ইউনিফর্ম দেওয়ার পরামর্শ, পুলিশের দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন- ঝুলকারনাইন সায়েরের জামায়াতের কারণে আ.লীগ বিক্ষোভ মিছিলের সাহস পাচ্ছে: রাশেদ খান দুর্নীতি-অনিয়ম প্রমাণ হলে দায়িত্ব ছেড়ে দেব: নুর ল্যাব থেকে বাজারে উদ্ভাবন—বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ; গ্রেপ্তার ৩২ তারেক রহমানের সংবর্ধনা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপিতে আগুন—নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব কি রূপ নেবে সংঘাতে? দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত সাময়িক বহিস্কৃত অধ্যক্ষের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ সেনবাগে আবারও বসছে ‘মেধা উৎসব ২০২৬’ মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশাপাশি সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও পাবে সম্মাননা চলন্ত সিএনজি থেকে নবজাতককে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, তরুণী ও চালক আটক মঈন খান ও সালাহউদ্দিন আহমদের সংসদীয় দায়িত্ব বাড়ল বাক্‌স্বাধীনতা যেন শালীনতার সীমা অতিক্রম না করে: প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ১,৪৯২ বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃদেশীয় ট্রেন চালুর বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেই চট্টগ্রামে ৬৩ বিদেশি নাগরিক আটক
হোম বিশেষ প্রতিবেদন গোয়েন্দাদের ইউনিফর্ম দেওয়ার পরামর্শ, পুলিশের দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন- ঝুলকারনাইন সায়েরের

গোয়েন্দাদের ইউনিফর্ম দেওয়ার পরামর্শ, পুলিশের দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন- ঝুলকারনাইন সায়েরের

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৪:২০ এএম, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 39
গোয়েন্দাদের ইউনিফর্ম দেওয়ার পরামর্শ, পুলিশের দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন- ঝুলকারনাইন সায়েরের

ঢাকা প্রতিনিধি | নিউইয়র্ক ভয়েস বাংলা


দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সক্ষমতা, পুলিশ ও গোয়েন্দাদের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন তুলেছেন জুলকারনাইন সায়ের।


সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক স্ট্যাটাসে দেওয়া এক দীর্ঘ লেখায় তিনি শুরুতেই ব্যঙ্গাত্মকভাবে লিখেছেন, দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের ইউনিফর্ম সরবরাহের পাশাপাশি পুলিশি দায়িত্বও দেওয়া উচিত। তাঁর যুক্তি—গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তথ্য দেওয়ার পরও পুলিশ যখন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে গড়িমসি করে, তখন যথাযথ পোশাক ছাড়া মাঠে নেমে কাজ করা ছাড়া তাঁদের আর কী-ইবা করার থাকে!


তবে তাঁর এই বক্তব্যের মূল সুর ছিল ব্যঙ্গের আড়ালে গোয়েন্দা তথ্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপারেশনাল সমন্বয়ের দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা।


সমস্যা শুধু পুলিশে নয়, গোয়েন্দা সংস্থার ভেতরেও


জুলকারনাইন সায়ের তাঁর লেখায় বলেন, দেশে পুলিশ ও পুলিশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা ইউনিটের পাশাপাশি স্পেশাল ব্রাঞ্চ, ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর, ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টসহ বিভিন্ন পর্যায়ে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বিভিন্ন বাহিনীরও নিজস্ব গোয়েন্দা কাঠামো রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


তাঁর পর্যবেক্ষণ, সাধারণ পুলিশ এবং পুলিশ-সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা ইউনিটগুলোর মধ্যে যোগাযোগ তুলনামূলকভাবে কার্যকর হলেও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে প্রয়োজনীয় ‘ব্রিজ’ বা সমন্বয়ব্যবস্থা দুর্বল।


তিনি দাবি করেন, অতীতেও এই সমন্বয় দুর্বল ছিল, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।


৫ আগস্টের পর গোয়েন্দা কাঠামোর ধাক্কার দাবি


জুলকারনাইন সায়ের তাঁর লেখায় দাবি করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত দেশের একটি প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা কার্যত অকার্যকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছিল।


তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সংস্থাটির বিভিন্ন কর্মকর্তার পতিত শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে অভ্যন্তরীণ কাঠামোতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে। বর্তমানে সংস্থাটি সেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।


তবে তিনি একই সঙ্গে উল্লেখ করেন, গোয়েন্দা সংস্থায় চাইলেই গণহারে কর্মকর্তা ছাঁটাই করে নতুন জনবল নিয়োগ করা যায় না। কারণ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থায় অন্য বাহিনী থেকে আসা কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট সময় দায়িত্ব পালন করে আবার নিজ নিজ বাহিনীতে ফিরে যান।


ফলে তাঁর মতে, দীর্ঘমেয়াদি পেশাদার গোয়েন্দা ক্যাডার বা ক্যারিয়ার ইন্টেলিজেন্স অপারেটিভ তৈরির ক্ষেত্রে কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা থেকেই যাচ্ছে।


‘গোপন কারাগার’ থেকে রাজনৈতিক অপব্যবহার—তীব্র অভিযোগ


লেখায় সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি তুলেছেন তিনি ২০০৯ থেকে ২০২৪ সময়কালে একটি গোয়েন্দা সংস্থার কথিত অপব্যবহার নিয়ে।


ঝুলকার নাইন সায়েরের দাবি, ওই সময় সংস্থাটিকে এমনভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল যে এর সদরদপ্তরে গোপন কারাগার পর্যন্ত পরিচালিত হতো।


একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের অন্যতম শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা হওয়া সত্ত্বেও সেখানে কেন দীর্ঘমেয়াদি নিজস্ব পেশাদার জনবল কাঠামো গড়ে ওঠেনি।


তাঁর বর্ণনায়, বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তারা সেখানে এসে কয়েক বছর দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে নিজ নিজ বাহিনী বা ইউনিটে ফিরে যান। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি অভিজ্ঞতা ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে বলে তিনি মনে করেন।


এগুলো তাঁর ফেসবুক পোস্টে করা গুরুতর দাবি; পোস্টে তিনি এসব দাবির বিস্তারিত প্রামাণ্য নথি উপস্থাপন করেছেন কি না, তা এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।


বিদেশে প্রশিক্ষিত কর্মকর্তাদের দক্ষতা কি কাজে লাগছে?


ঝুলকার নাইন সায়েরের লেখায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে এসেছে।


তিনি বলেন, দেশের অনেক কর্মকর্তা দেশ-বিদেশে উচ্চপর্যায়ের গোয়েন্দা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলেও প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের অনেককে আবার নিজ নিজ সামরিক বা অন্যান্য বাহিনীর প্রচলিত দায়িত্বে ফিরে যেতে হয়।


তাঁর প্রশ্ন—একজন কর্মকর্তা যখন উন্নত গোয়েন্দা প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরছেন, তখন তাঁর সেই বিশেষায়িত দক্ষতাকে দীর্ঘমেয়াদে গোয়েন্দা ব্যবস্থায় কাজে লাগানোর সুযোগ কতটা তৈরি করা হচ্ছে?


এই কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে দেশে ক্যারিয়ার গোয়েন্দা কর্মকর্তা বা অপারেটিভ তৈরির সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


‘গোয়েন্দা সক্ষমতা বনসাই হয়ে গেছে’


লেখার সবচেয়ে তীক্ষ্ণ অংশগুলোর একটি আসে দেশের গোয়েন্দা সক্ষমতার ব্যবহার নিয়ে।


জুলকারনাইন সায়েরের ভাষায়, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাঠামো ও সক্ষমতা দেখে আমরা বিস্মিত হই, অথচ দেশের গোয়েন্দাদের অনেক সময় হোটেলের লবি কিংবা পার্কের কোণে নজরদারিতে দেখা যায়।


তাঁর অভিযোগ, গোয়েন্দা সংস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর পরিবর্তে অতীতে বিদ্যমান সক্ষমতাকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও ভিন্নমত দমনে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে।


ক্যারিয়ার অপারেটিভ তৈরির বদলে কোন কর্মকর্তা কতটা কঠোর বা নির্মমভাবে রাজনৈতিক নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে পারেন—সেদিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।


তাঁর ভাষায়, এভাবে দেশের গোয়েন্দা ব্যবস্থা একটি ‘বনসাই’ কাঠামোয় পরিণত হয়েছে—যার সক্ষমতা থাকার কথা ছিল অনেক বড়, কিন্তু ব্যবহার ও বিকাশ সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে।


সাফল্যের ক্ষেত্র নিয়েও ব্যঙ্গ


জুলকারনাইন সায়ের আরও লিখেছেন, গোয়েন্দা সক্ষমতার সাফল্য অনেক সময় বিমানবন্দরে স্বর্ণের চালান, রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যক্তিগত সম্পর্ক কিংবা টেন্ডার-বাণিজ্যের মতো বিষয় শনাক্ত করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।


অন্যদিকে জাতীয় নিরাপত্তা, দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত তথ্য সংগ্রহ, বৈদেশিক গোয়েন্দা সক্ষমতা এবং পেশাদার অপারেটিভ তৈরির মতো বড় ক্ষেত্রগুলো যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি বলে তাঁর পর্যবেক্ষণ।


পুরনো কর্মকাণ্ডের দায়ে মনোবল সংকট?


গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অতীত কর্মকাণ্ড নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মতে, মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অপরাধে অতীতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এবং পুরনো নানা কর্মকাণ্ড সামনে আসায় এসব প্রতিষ্ঠানের ভেতরে মনোবল বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে।


তবে তাঁর মতে, এই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে সময় প্রয়োজন।


তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে লিখেছেন, গত দুই বছরে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ধীরে ধীরে অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো ও সক্ষমতায় পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে।


পুলিশের ক্ষেত্রে কেন চিত্রটা ভিন্ন?


গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও পুলিশ বাহিনীর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি এখনো বেশি নাজুক বলে মনে করেন ঝুলকার নাইন সায়ের।


এখানেই তাঁর শুরুতে করা ‘গোয়েন্দাদের ইউনিফর্ম দিয়ে পুলিশি দায়িত্ব দেওয়ার’ ব্যঙ্গ আবার ফিরে আসে।


তিনি মনে করেন, পুলিশের সংকটের অন্যতম কারণ হলো যোগ্য নেতৃত্বের অভাব এবং গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নে যোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় আনুগত্য ও অর্থনৈতিক লেনদেনের মতো নেতিবাচক প্রবণতা।


তাঁর দাবি, পুলিশের ভেতরে এখনো এমন কর্মকর্তা রয়েছেন, যারা অতীতে পতিত শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতা শক্তিশালী করতে ভূমিকা রেখেছেন।


পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাশ কাটিয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পুলিশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ এবং অর্থনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর জায়গায় অদক্ষ কর্মকর্তাদের পদায়নের অভিযোগও তিনি তুলেছেন।


এসব দাবির পক্ষে তাঁর পোস্টে নির্দিষ্ট ব্যক্তি, নথি বা তদন্ত প্রতিবেদনের বিস্তারিত উল্লেখ নেই।


‘পুলিশকে এখনো ঢেলে সাজানো সম্ভব হয়নি’


ঝুলকারনাইন সায়েরের মতে, পুলিশ বাহিনীকে এখনো প্রয়োজনীয়ভাবে সংস্কার ও পুনর্গঠন করা সম্ভব হয়নি। এর ফলেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ এখনো নাজুক অবস্থায় রয়েছে এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে পুলিশের সমন্বয়ও দুর্বল হয়ে আছে।


তাঁর মতে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্য যদি দ্রুত ও কার্যকরভাবে মাঠপর্যায়ের পুলিশের কাছে পৌঁছে এবং পুলিশ সেই তথ্য অনুযায়ী সময়মতো ব্যবস্থা নিতে পারে, তাহলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষমতা অনেক বাড়ানো সম্ভব।


এখন সরকারের সামনে বড় প্রশ্ন


লেখার শেষদিকে ঝুলকার নাইন সায়ের সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকে বিষয়গুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।


তাঁর বক্তব্যের সারকথা হলো—শুধু ব্যক্তিকে বদলি বা কোনো একটি সংস্থায় সাময়িক পরিবর্তন আনলেই হবে না; প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, দীর্ঘমেয়াদি পেশাদার গোয়েন্দা কাঠামো, দক্ষ নেতৃত্ব এবং পুলিশ-গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়।


কারণ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামো যদি একে অপরের তথ্য পেয়েও সময়মতো কাজে লাগাতে না পারে, তাহলে সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি বা সবচেয়ে বড় জনবলও কাঙ্ক্ষিত ফল দিতে পারবে না।


আর এখানেই শুরুতে করা তাঁর ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যটি নতুন অর্থ পায়—গোয়েন্দাদের হাতে তথ্য আছে, পুলিশের হাতে ক্ষমতা আছে; কিন্তু দুটির মধ্যে যদি কার্যকর সেতু না থাকে, তাহলে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই স্তম্ভই দুর্বল হয়ে পড়ে।


তথ্যসূত্র: সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রকাশিত বক্তব্য ও বিশ্লেষণ। তাঁর স্ট্যাটাসে উল্লিখিত বিভিন্ন অভিযোগ ও পর্যবেক্ষণকে এই প্রতিবেদনে তাঁর বক্তব্য হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়েছে; পৃথকভাবে প্রমাণিত সরকারি তথ্য হিসেবে নয়।