নাজিম উদ্দিনদের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ, তবে মসজিদ আল-মদিনার বোর্ড অব ট্রাস্টির বিরুদ্ধে মূল মামলা চলতে থাকে
প্রতিবেদন ২॥
মসজিদ আল-মদিনার পরিচালনা নিয়ে নাজিম উদ্দিন ও সাধারণ পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে মসজিদ আল-মদিনার বোর্ড অব ট্রাস্টির আইনি বিরোধে ২০২২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি একটি গুরুত্বপূর্ণ আদেশ আসে। ওই দিন আবেদনকারীদের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও প্রাথমিক প্রতিকার চেয়ে করা আবেদন খারিজ করেন বিচারক জে. হুইলান।
তবে এই আদেশের অর্থ বোঝার ক্ষেত্রে একটি বিষয় স্পষ্ট রাখা দরকার: আদালত ওই পর্যায়ে আবেদনকারীদের চাওয়া অন্তর্বর্তী প্রতিকার দেননি। আদেশটি “উইথআউট প্রেজুডিস” হওয়ায় একে পুরো মামলার সব অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না।
মামলার বিবাদী ছিলেন মসজিদ আল-মদিনার বোর্ড অব ট্রাস্টি (পরিচালনা পর্ষদ)। মসজিদ আল-মদিনা নিজে বিবাদী—এমনভাবে এই আদেশ বা মামলাকে বর্ণনা করা উচিত নয়। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ হওয়ার বিষয়টিও ছিল আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট আবেদনের ফলাফল; এটি বোর্ডের বিরুদ্ধে উত্থাপিত সব অভিযোগ আদালত মিথ্যা বলে ঘোষণা করেছে, এমন অর্থ বহন করে না।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২১ জুলাই মামলার কার্যক্রমের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। একই বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর তথ্য ও নথি সরবরাহে বাধ্য করার আবেদন দাখিল হয়। পরবর্তী সময়ে অভিযোগ সংশোধন এবং আবেদন খারিজের প্রশ্নেও দুই পক্ষের আইনি কার্যক্রম চলে।
অর্থাৎ, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা না পাওয়ার পরও নাজিম উদ্দিন ও অন্য সদস্যদের পক্ষের সঙ্গে বোর্ড অব ট্রাস্টির বিরোধ আদালতে চলমান ছিল। পরবর্তী সময়ে মামলার গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে মধ্যস্থতাকারী মোহাম্মদ এম. উদ্দিনের সুপারিশ কার্যকর করার প্রশ্নে।
এখানে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে দুটি বিষয় আলাদা রাখা জরুরি। প্রথমত, কোন পক্ষের কোন আবেদন খারিজ হয়েছে। দ্বিতীয়ত, মূল মামলার বিরোধের কোন কোন বিষয় আদালতের সামনে তখনো বিচারাধীন ছিল। একটি অন্তর্বর্তী আবেদন খারিজ হওয়া মানেই পুরো মামলায় কোনো পক্ষ চূড়ান্তভাবে জয়ী বা পরাজিত হয়ে গেছে—এমন নয়।
তথ্যসূত্র: ডেলাওয়্যার কাউন্টির আদালতের নথি, মামলা নম্বর ০৬০১-২০২১-ও; ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২-এর আদেশ, নথি নম্বর ২২; ২১ জুলাই ২০২২-এর সময়সূচি-সংক্রান্ত আদেশ, নথি নম্বর ২৩; ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২-এর আবেদন, নথি নম্বর ২৪।