Columbus, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিতে নিউইয়র্কের পথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিতে নিউইয়র্কের পথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তমদ্দুন মজলিসের ৭৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সাগর-রুনি হত্যা তদন্তে নতুন মোড়: জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীকে ঘিরে তদন্ত গ্রামীণ শক্তিতে ম্যানেজার এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন পদে নিয়োগ, আবেদন শেষ ৩১ আগস্ট নেপালের ভয়াবহ বন্যায় জরুরি সহায়তা, ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার ছাড় করল WHO “Finding Future Scientists-2026” তৃতীয়বারের মতো জাতীয় বিজ্ঞান মেলা স্বাইন ফ্লুতে আক্রান্ত ইমরান হাশমি, পিছিয়ে গেল বেঙ্গালুরুর অনুষ্ঠান শিশুর হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার আগে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ সেমিফাইনালে এক উইকেটের হৃদয়ভাঙা হার, Top End T20 থেকে বিদায় বাংলাদেশের NASA-র Roman Space Telescope উৎক্ষেপণ, ডার্ক এনার্জি ও ডার্ক ম্যাটারের রহস্য উন্মোচনে নতুন অধ্যায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১,৮৫৫ পদে নিয়োগের ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল ২০২৭ পর্যন্ত CERN-এর বিজ্ঞান প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়, বিজয়ী POLARIS ডলি পার্টনের প্রয়াণে বিশ্বসংগীতে শোকের ছায়া মানবাধিকার কমিশন ও সম্পত্তি হস্তান্তর বিল সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ
হোম জাতীয় ডাকসুর ভিপি-জিএস কী সুযোগ-সুবিধা পান

ডাকসুর ভিপি-জিএস কী সুযোগ-সুবিধা পান

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১২:৩২ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ 164
ডাকসুর ভিপি-জিএস কী সুযোগ-সুবিধা পান

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। ইতিহাস গড়ে এ নির্বাচনে অধিকাংশ পদে জয় পেয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা। ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের এই বিজয় দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ডাকসুর ভিপি ও জিএস পদ দুটি সম্মান ও ক্ষমতার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডাকসুর দুই পদ ভিপি ও জিএসকে নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের যেন শেষ নেই। সবার মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন, ডাকসু নির্বাচনে নির্বাচিত ভিপি ও জিএসের কী কী সুযোগ-সুবিধা পান?

দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিপি ও জিএস পদে থাকা ব্যক্তিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ দুই সংস্থা—সিনেট ও সিন্ডিকেটের সদস্য হওয়ার সুযোগ পান। সেখানে তারা ঢাবির হাজারো শিক্ষার্থীর প্রতিনিধিত্ব করে তাদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরতে পারেন। একই সঙ্গে ছাত্রদের স্বার্থবিরোধী কোনো বিষয় এলে সেখানেই তারা প্রতিবাদ জানানোর সুযোগ পান।

এ দুই বডিতে তারাও অন্য সদস্যদের মতো সমান ক্ষমতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মতামত দেওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা, বাজেটসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তারা ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

নীতিনির্ধারণী সভাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সব কার্যক্রমেই কোনো না কোনোভাবে ভিপি ও জিএসের সম্পৃক্ততা থাকে। সমাবর্তনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তারা প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনার কমিটিতেও তারা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এ ছাড়া সিলেকশন বোর্ডে, যেখানে নিয়োগ বা চাকরি থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত হয়, সেখানেও তাদের প্রতিনিধি হিসেবে ভূমিকা থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বিশেষ বৈঠক হলে, ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে তারাও তাতে অংশ নেন।

তবে এসব দায়িত্ব পালনের জন্য তারা নিয়মিত কোনো বেতন-ভাতা পান না। শুধু সিনেট বা সিন্ডিকেটের বৈঠকে যোগ দিলে একটি নির্দিষ্ট ভাতা দেওয়া হয়। আর সিন্ডিকেট বা অন্য কোনো বডি বিশেষ কোনো দায়িত্ব অর্পণ করলে, কর্তৃপক্ষ চাইলে তার জন্য সম্মানীও প্রদান করতে পারে। তবে এক বছরের জন্য ক্যাম্পাসে কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে তারা এককালীন অর্থ বরাদ্দ পান। এই অর্থ মূলত চা-নাস্তা ও অন্যান্য খরচের জন্য ব্যবহার করা হয়। ভিপি ও জিএসের জন্য মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকে। এর মধ্যে পাঁচ লাখ টাকা ভিপির জন্য এবং পাঁচ লাখ টাকা জিএসের জন্য।