পেনসিলভানিয়া, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র আজ ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফ সংক্ষিপ্ত আয়োজন, সাধারণ দর্শকদের জন্য সীমিত সুযোগ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি হলে ‘খুবই কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প বাংলাদেশের তিন দিক ঘিরে পাঁচটি বিমানঘাঁটি সচল করছে ভারত আকাশে সর্বোচ্চ সংখ্যক জাতীয় পতাকা উড়িয়ে গিনেস বিশ্বরেকর্ডে বাংলাদেশ বাংলাদেশের জন্য তিনটি সুখবর দিলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত দণ্ডিত ২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেছেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট বিক্ষোভকারীদের ‘আল্লাহর শত্রু’ ঘোষণা ইরানের, মৃত্যুদণ্ডের হুঁশিয়ারি ঋণখেলাপি হয়েও টিকেছেন ৩১ প্রার্থী, অর্ধেক বিএনপির দেশের সকল হাসপাতালের জন্য জরুরি নির্দেশনা সঙ্কটাপন্ন ওবায়দুল কাদের পররাষ্ট্র উপ‌দেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ, হলো যে কথা মনোনয়ন বাতিলের পর যা বললেন ডা. তাসনিম জারা কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে বিভক্তি ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: জামায়াত আমির বাংলাদেশ নীতিতে দিল্লির রাজনৈতিক পরাজয়

ডাকসুর ভিপি-জিএস কী সুযোগ-সুবিধা পান

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩২ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। ইতিহাস গড়ে এ নির্বাচনে অধিকাংশ পদে জয় পেয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা। ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের এই বিজয় দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ডাকসুর ভিপি ও জিএস পদ দুটি সম্মান ও ক্ষমতার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডাকসুর দুই পদ ভিপি ও জিএসকে নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের যেন শেষ নেই। সবার মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন, ডাকসু নির্বাচনে নির্বাচিত ভিপি ও জিএসের কী কী সুযোগ-সুবিধা পান?

দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিপি ও জিএস পদে থাকা ব্যক্তিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ দুই সংস্থা—সিনেট ও সিন্ডিকেটের সদস্য হওয়ার সুযোগ পান। সেখানে তারা ঢাবির হাজারো শিক্ষার্থীর প্রতিনিধিত্ব করে তাদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরতে পারেন। একই সঙ্গে ছাত্রদের স্বার্থবিরোধী কোনো বিষয় এলে সেখানেই তারা প্রতিবাদ জানানোর সুযোগ পান।

এ দুই বডিতে তারাও অন্য সদস্যদের মতো সমান ক্ষমতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মতামত দেওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা, বাজেটসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তারা ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

নীতিনির্ধারণী সভাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সব কার্যক্রমেই কোনো না কোনোভাবে ভিপি ও জিএসের সম্পৃক্ততা থাকে। সমাবর্তনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তারা প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনার কমিটিতেও তারা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এ ছাড়া সিলেকশন বোর্ডে, যেখানে নিয়োগ বা চাকরি থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত হয়, সেখানেও তাদের প্রতিনিধি হিসেবে ভূমিকা থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বিশেষ বৈঠক হলে, ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে তারাও তাতে অংশ নেন।

তবে এসব দায়িত্ব পালনের জন্য তারা নিয়মিত কোনো বেতন-ভাতা পান না। শুধু সিনেট বা সিন্ডিকেটের বৈঠকে যোগ দিলে একটি নির্দিষ্ট ভাতা দেওয়া হয়। আর সিন্ডিকেট বা অন্য কোনো বডি বিশেষ কোনো দায়িত্ব অর্পণ করলে, কর্তৃপক্ষ চাইলে তার জন্য সম্মানীও প্রদান করতে পারে। তবে এক বছরের জন্য ক্যাম্পাসে কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে তারা এককালীন অর্থ বরাদ্দ পান। এই অর্থ মূলত চা-নাস্তা ও অন্যান্য খরচের জন্য ব্যবহার করা হয়। ভিপি ও জিএসের জন্য মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকে। এর মধ্যে পাঁচ লাখ টাকা ভিপির জন্য এবং পাঁচ লাখ টাকা জিএসের জন্য।


মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad