Columbus, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা ২০২৫ অনুষ্ঠিত উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও নিলামে চায়ের মূল্য বাড়ছে না শীতের আমেজে ফুটবল উন্মাদনা, কুড়িগ্রামে বসছে যোগীপাড়া মিনিবার টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসর আহ্বায়ক-সদস্য সচিব দুই সরকারি শিক্ষক! ফুলবাড়ী বিএনপিতে চরম ক্ষোভ, কেন্দ্রে নালিশ কুড়িগ্রামে দৈনিক কালবেলার জেলা কার্যালয় উদ্বোধন, জেলার রাজনৈতিক সাংবাদিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের মিলন মেলায় পরিনত নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাথে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ: সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বাণিজ্য সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ পলাশে সমতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও তরুণদের অধিকার বিষয়ে আলোচনা সভা প্রতিমন্ত্রীর সফরের মধ্যেই উত্তপ্ত কুমারখালী, হাতাহাতির ঘটনায় লাঞ্ছিত ৩ সাংবাদিক চিকিৎসকের বদলে অন্য ব্যক্তির সিজার করায় নবজাতকের মৃত্যু; হাসপাতাল মালিক গ্রেপ্তার নওগাঁয় প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১, আহত ৯ জন; আটক ১ শিক্ষার্থীদের নিয়ে দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা ‎নাসিরনগরে রাতের আঁধারে ২টি সেচ পাম্পের ট্রান্সফরমার চুরি, ভোগান্তিতে কৃষকরা নওগাঁয় পাচারকালে আটক সার কৃষকদের মাঝে বিক্রি; অর্থ গেলো সরকারি কোষাগারে নওগাঁয় বাছুরে খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, হামলায় নিহত ১ কুড়িগ্রামে ছেলের ছুরিকাঘাতে মা খুন, বাবা গুরুতর আহত
হোম › জাতীয় › ডাকসুর ভিপি-জিএস কী সুযোগ-সুবিধা পান

ডাকসুর ভিপি-জিএস কী সুযোগ-সুবিধা পান

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১২:৩২ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ 178
ডাকসুর ভিপি-জিএস কী সুযোগ-সুবিধা পান

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। ইতিহাস গড়ে এ নির্বাচনে অধিকাংশ পদে জয় পেয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা। ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের এই বিজয় দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ডাকসুর ভিপি ও জিএস পদ দুটি সম্মান ও ক্ষমতার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডাকসুর দুই পদ ভিপি ও জিএসকে নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের যেন শেষ নেই। সবার মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন, ডাকসু নির্বাচনে নির্বাচিত ভিপি ও জিএসের কী কী সুযোগ-সুবিধা পান?

দৈনিক যুগান্তরের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিপি ও জিএস পদে থাকা ব্যক্তিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ দুই সংস্থা—সিনেট ও সিন্ডিকেটের সদস্য হওয়ার সুযোগ পান। সেখানে তারা ঢাবির হাজারো শিক্ষার্থীর প্রতিনিধিত্ব করে তাদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরতে পারেন। একই সঙ্গে ছাত্রদের স্বার্থবিরোধী কোনো বিষয় এলে সেখানেই তারা প্রতিবাদ জানানোর সুযোগ পান।

এ দুই বডিতে তারাও অন্য সদস্যদের মতো সমান ক্ষমতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মতামত দেওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা, বাজেটসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তারা ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

নীতিনির্ধারণী সভাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সব কার্যক্রমেই কোনো না কোনোভাবে ভিপি ও জিএসের সম্পৃক্ততা থাকে। সমাবর্তনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তারা প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনার কমিটিতেও তারা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এ ছাড়া সিলেকশন বোর্ডে, যেখানে নিয়োগ বা চাকরি থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত হয়, সেখানেও তাদের প্রতিনিধি হিসেবে ভূমিকা থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বিশেষ বৈঠক হলে, ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে তারাও তাতে অংশ নেন।

তবে এসব দায়িত্ব পালনের জন্য তারা নিয়মিত কোনো বেতন-ভাতা পান না। শুধু সিনেট বা সিন্ডিকেটের বৈঠকে যোগ দিলে একটি নির্দিষ্ট ভাতা দেওয়া হয়। আর সিন্ডিকেট বা অন্য কোনো বডি বিশেষ কোনো দায়িত্ব অর্পণ করলে, কর্তৃপক্ষ চাইলে তার জন্য সম্মানীও প্রদান করতে পারে। তবে এক বছরের জন্য ক্যাম্পাসে কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে তারা এককালীন অর্থ বরাদ্দ পান। এই অর্থ মূলত চা-নাস্তা ও অন্যান্য খরচের জন্য ব্যবহার করা হয়। ভিপি ও জিএসের জন্য মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকে। এর মধ্যে পাঁচ লাখ টাকা ভিপির জন্য এবং পাঁচ লাখ টাকা জিএসের জন্য।