পেনসিলভানিয়া, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ | ১ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র আজ ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফ সংক্ষিপ্ত আয়োজন, সাধারণ দর্শকদের জন্য সীমিত সুযোগ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি হলে ‘খুবই কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প বাংলাদেশের তিন দিক ঘিরে পাঁচটি বিমানঘাঁটি সচল করছে ভারত আকাশে সর্বোচ্চ সংখ্যক জাতীয় পতাকা উড়িয়ে গিনেস বিশ্বরেকর্ডে বাংলাদেশ বাংলাদেশের জন্য তিনটি সুখবর দিলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত দণ্ডিত ২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেছেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট বিক্ষোভকারীদের ‘আল্লাহর শত্রু’ ঘোষণা ইরানের, মৃত্যুদণ্ডের হুঁশিয়ারি ঋণখেলাপি হয়েও টিকেছেন ৩১ প্রার্থী, অর্ধেক বিএনপির দেশের সকল হাসপাতালের জন্য জরুরি নির্দেশনা সঙ্কটাপন্ন ওবায়দুল কাদের পররাষ্ট্র উপ‌দেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ, হলো যে কথা মনোনয়ন বাতিলের পর যা বললেন ডা. তাসনিম জারা কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে বিভক্তি ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: জামায়াত আমির বাংলাদেশ নীতিতে দিল্লির রাজনৈতিক পরাজয়

শেখ হাসিনার হুঁশিয়ারি: আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দিলে দেশজুড়ে ভোট বয়কট হবে

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:১৩ এএম, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, আগামী বছরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণের সুযোগ না দিলে তার দলের কোটি কোটি সমর্থক ভোট বর্জন করবে। বর্তমানে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে নির্বাসনে থাকা হাসিনা বুধবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দেন।

৭৮ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা শুধু অন্যায় নয়, এটি আত্মঘাতী পদক্ষেপ।”

তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তার দলকে বাদ দিয়ে যে কোনো নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকারের অধীনে তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন না। হাসিনা বলেন, “আমি এমন কোনো সরকারের অধীনে ফিরব না, যে সরকার গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি—অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের—বিপরীতে দাঁড়ায়।”


২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্রদের নেতৃত্বে হওয়া সহিংস গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারত আশ্রয় নেন। সেই সময় থেকে বাংলাদেশ পরিচালনা করছে নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে।


রয়টার্সকে ইমেইলে পাঠানো বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগকে বাদ দেওয়া মানে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তিকে ভোটের বাইরে রাখা, যা গণতন্ত্রের জন্য “অশুভ সংকেত”।

তিনি আরও জানান, তার দল রাজনৈতিকভাবে পুনর্গঠিত হয়ে “বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসবে” এবং জনগণের সঙ্গে থাকবেই।


হাসিনার এই বক্তব্যকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক মহল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছে। কারণ আওয়ামী লীগকে নির্বাচনের বাইরে রেখে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটার অংশগ্রহণ ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad