পেনসিলভানিয়া, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ | ২ মাঘ, ১৪৩২

সর্বশেষ:
ইসলামী আন্দোলনের ‘আসন’ ফাঁকা রেখেই জামায়াতসহ ১০ দলের নির্বাচনী ঐক্যের ঘোষণা বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র আজ ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফ সংক্ষিপ্ত আয়োজন, সাধারণ দর্শকদের জন্য সীমিত সুযোগ ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি হলে ‘খুবই কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প বাংলাদেশের তিন দিক ঘিরে পাঁচটি বিমানঘাঁটি সচল করছে ভারত আকাশে সর্বোচ্চ সংখ্যক জাতীয় পতাকা উড়িয়ে গিনেস বিশ্বরেকর্ডে বাংলাদেশ বাংলাদেশের জন্য তিনটি সুখবর দিলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত দণ্ডিত ২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেছেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট বিক্ষোভকারীদের ‘আল্লাহর শত্রু’ ঘোষণা ইরানের, মৃত্যুদণ্ডের হুঁশিয়ারি ঋণখেলাপি হয়েও টিকেছেন ৩১ প্রার্থী, অর্ধেক বিএনপির দেশের সকল হাসপাতালের জন্য জরুরি নির্দেশনা সঙ্কটাপন্ন ওবায়দুল কাদের পররাষ্ট্র উপ‌দেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ, হলো যে কথা মনোনয়ন বাতিলের পর যা বললেন ডা. তাসনিম জারা কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে বিভক্তি ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: জামায়াত আমির

৯০ দশকের অসাধারন  কিছু স্মৃতি নিয়ে আমার লেখা “খেলাধুলা”

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫:৪৫ পিএম, ১৭ মে, ২০২৪

তানজিমা আক্তার

"কুতকুত"

আমাদের বাসাটা জুরাইনের বাসা হিসেবে পরিচিত।আমাদের একতালা বাড়ি ছিল কিন্তু বিশাল বড়।যখন ছোট ছিলাম আমরা ভাই বোনরা ছাদে খেলতাম। আমাদের শৈশবের খেলাগুলো ছিল খুবই সুন্দর যা আজকালের বাচ্চারা জানেও না যে আমরা কি খেলাধুলা করতাম। আমাদের ছাদে আমরা খেলতাম বরফ পানি,কুতকুত ,ফুলটোক্কা,কানামাছি,চোর-পুলিশ,কাটাকাটি,আরো সময়ের সাথে ভুলে যাওয়া কত যে খেলা ছিল।আম্মু দুপুরের পর জোর করে ঘুম পারাতো কিন্তু আমরা কেউ ঘুমাতাম না।মা একটু ঘুমালেই লুকিয়ে লুকিয়ে খেলতে চলে যেতাম।মার বকুনি খেতাম কিন্তু তারপর ও বার বার এমনটাই করতাম।

  "ফুলটোক্কা"

৯০ দশকের খেলাগুলো আমরাই হয়তো শেষবারের মত এত আনন্দের সাথে উপভোগ করতে পেরেছি।আজকের বাচ্চারা শুধু বুঝে ভিডিও গেমস আর ফোন।খুব ইচ্ছে করে বাচ্চাদের যদি আমাদের শৈশবের খেলাগুলো বুঝাতে পারতাম।কিন্তু বাচ্চারা এখন খুব আপডেট তারা এগুলো শুনতে চায় না।

৯০ দশকের খেলার কথা বলতে গেলে বিশ্বকাপ ফুটবলের কথা বলতেই হবে।সেইসময় কিন্তু আমাদের বাসার সবাই আর্জেন্টিনা সাপোর্টার ছিল।আর্জেন্টিনা খেলা হলে সবাই বসার ঘরে একসাথে দেখতাম।যখন গোল হত আমার জ্যাঠারা, ভাইরা ”গোলললল”বলে সেই জোরে চিৎকার দিত।আমরা তো সেই লাফালাফি করতাম।বিশ্বকাপ ফাইনাল যখন হত তখন একটা বড় কোক নিয়ে আসা হত।একবার আর্জেন্টিনা ছয় গোল করেছিল।কি যে আনন্দ ছিল আমাদের ভাই বোনদের।

খেলাধুলার কথা আসলে নানু বাসার কথা কি করে ভুলে যাই।কলাবাগান স্টাফ কোয়াটারে ছিল নানু বাসা। আমার নানা ছিলেন সচিবালয়ের কর্মরত অফিসার। নানু বাসার ঠিক সামনেই বিরাট বড় মাঠ ছিল মাঠের সাথে ছিল বিশাল বড় মসজিদ।আমরা একই সমান খালাতো মামাতো ভাই বোন ছিলাম বেশ কয়েকজন। নানা বাসায় গেলে বোনরা সবাই মিলে একসাথে সেই মাঠে খেলার কথা কি করে ভুলে যাই।আমার নানা সবসময় বড় জুব্বা ও টুপি পরে থাকতেন।উনি সবসময় আমাদেরকে ওনার পকেট থেকে চকলেট বের করে দিতেন।নানা-নানীর আদর আমরা সবাই সমান ভাবে পেয়েছি।আজ আমার নানা-নানী নেই।কিন্তু নানা-নানীর দেওয়া আদর, কথা সবই আমাদের ভাই বোনদের মাঝে স্মৃতি হয়ে আছে।আল্লাহ ওনাদের জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক সবসময় দু’আ করি।

খুব ইচ্ছে ছিল খেলাগুলো কিভাবে খেলতাম তা কিছুটা বলার কিন্তু আজ আর হলো না হয়তো অন্য কোনদিন জানাবো অন্য কোনভাবে।

আশা করছি আমার লেখাটা পড়ে অনেকেই তার ৯০ দশকের খেলার স্মৃতি গুলো মনে করবে,আমারও এটাই প্রচেষ্টা।

চলবে…..

মন্তব্যঃ

দুঃখিত, কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি!

নতুন মন্তব্য করুন:

ad
সকল খবর জানতে ক্লিক করুন
ad