অনলাইন, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
কমলগঞ্জের ধলাই নদীতে পলো বাওয়া উৎসব আপার ডার্বির সাবেক ট্রেজারারের প্রতিষ্ঠানের নামে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের মেডিকেইড পেমেন্ট, ব্যবসার নিবন্ধন খুঁজে পায়নি টাউনশিপ নওগাঁয় শালিকাকে বিয়ের ঘটনায় আইনজীবী সহকারীকে সেরেস্তা থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ভাঙ্গামোড় দারুন নাজাত ও চর কাঠগিরাই দারুন নাজাত নুরানী ও হাফেজিয়া মাদরাসার ১১ জন শিক্ষাথী জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত ‎কুড়িগ্রামে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত যশোরের বেনাপোলের বেনাপোল-খড়িডাঙ্গা পাকা সড়কে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ নাসিরনগরের ৬ নারী; চেইন স্বর্ণের চুরির অভিযোগে চট্টগ্রাম হাসপাতালে আটক আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস বন্দরের কার্যক্রম শুরু : টানা ছুটি শেষে কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে বেনাপোল বন্দরে ডেঙ্গুর ঝুঁকি সারা বছর , বছরের আট মাসে যশোরে আক্রান্ত প্রায় দুই হাজার নোয়াখালী'র কোম্পানীগঞ্জে ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরব রাজনীতি, প্রচারণায় ব্যস্ত সম্ভাব্য প্রার্থীরা নরসিংদীতে ২০ ফুট উচ্চতাসম্পুর্ন স্কৃষ্ণ মন্দিরে ব্যতিক্রমী লক্ষ্মী পূজা, ভক্তদের উপচে পড়া ভীড় নরসিংদীতে ২০ ফুট ২৩ হাত ৭০ মাথা উচ্চতাসম্পুর্ন স্কৃষ্ণ মন্দিরে ব্যতিক্রমী লক্ষ্মী পূজা, ভক্তদের উপচে পড়া ভীড় নাজিম উদ্দিনদের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ, তবে মসজিদ আল-মদিনার বোর্ড অব ট্রাস্টির বিরুদ্ধে মূল মামলা চলতে থাকে কুড়িগ্রাম পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপান্তরের প্রত্যাশা সাবেক পৌর মেয়র আবু বকর সিদ্দিকের একটার পর একটা অঘটন ঘটবে, আমরা কি বসে থাকবো? মৌলভীবাজারে বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াত আমির ডাঃ শফিকুর রহমান
হোম › আমেরিকা › আপার ডার্বির সাবেক ট্রেজারারের প্রতিষ্ঠানের নামে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের মেডিকেইড পেমেন্ট, ব্যবসার নিবন্ধন খুঁজে পায়নি টাউনশিপ

আপার ডার্বির সাবেক ট্রেজারারের প্রতিষ্ঠানের নামে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের মেডিকেইড পেমেন্ট, ব্যবসার নিবন্ধন খুঁজে পায়নি টাউনশিপ

যুক্তরাষ্ট্র ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৪:৫৪ এএম, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ 3
আপার ডার্বির সাবেক ট্রেজারারের প্রতিষ্ঠানের নামে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের মেডিকেইড পেমেন্ট, ব্যবসার নিবন্ধন খুঁজে পায়নি টাউনশিপ
NYVB
ডেস্ক রিপোর্ট

পেনসিলভেনিয়ার আপার ডার্বি টাউনশিপের সাবেক ট্রেজারার মোহাম্মদ ‘ড্যানি’ সাইদুজ্জামানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নিউ হোপ হোম কেয়ার ইনকরপোরেটেডের নামে ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাস পর্যন্ত প্রায় ৮ কোটি ৪৮ লাখ ডলারের মেডিকেইড পেমেন্টের তথ্য পাওয়া গেছে। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক নিবন্ধন বা লাইসেন্সের কোনো রেকর্ড খুঁজে পায়নি বলে জানিয়েছে আপার ডার্বি টাউনশিপ কর্তৃপক্ষ। বিপুল অঙ্কের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা-সম্পর্কিত পেমেন্ট, ব্যবসার নিবন্ধন এবং প্রতিষ্ঠানের মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পেনসিলভেনিয়ার সংবাদমাধ্যম Broad + Liberty।


সংবাদমাধ্যমটির প্রধান অনুসন্ধানী প্রতিবেদক টড শেফার্ডের লেখা প্রতিবেদনটি ২০ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত হয় এবং ২১ অক্টোবর হালনাগাদ করা হয়। পরে ডেভিড জে. হ্যারিস জুনিয়র ও লিয়া হুপসের ফেসবুক পোস্টেও বিষয়টি আলোচনায় আসে।

Broad + Liberty-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেনসিলভেনিয়া ডিপার্টমেন্ট অব হিউম্যান সার্ভিসেসের কাছ থেকে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় পাওয়া নথিতে নিউ হোপ হোম কেয়ারের পেমেন্টের হিসাব রয়েছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটি পেয়েছিল প্রায় ২৩ লাখ ডলার। ২০২১ সালে তা বেড়ে হয় ৪৪ লাখ ডলার, ২০২২ সালে ৮৬ লাখ ডলার এবং ২০২৩ সালে ১ কোটি ৩২ লাখ ডলার। ২০২৪ সালে পেমেন্টের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ৯৪ লাখ ডলারে। ২০২৫ সালে তা বেড়ে হয় ২ কোটি ৪৪ লাখ ডলার।


২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে প্রতিষ্ঠানটির নামে আরও প্রায় ১ কোটি ২৬ লাখ ডলারের পেমেন্টের তথ্য পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে মোট পেমেন্টের পরিমাণ প্রায় ৮ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। তবে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের হিসাব রিপোর্টিংয়ের বিলম্বের কারণে অসম্পূর্ণ থাকতে পারে বলে রাজ্যের সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে।


প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অর্থের প্রায় পুরোটাই এসেছে বাড়িতে গিয়ে ব্যক্তিগত পরিচর্যা দেওয়ার সেবা থেকে। এ ধরনের সেবায় কর্মীরা বয়স্ক, অসুস্থ ও দৈনন্দিন কাজে সহায়তা প্রয়োজন এমন ব্যক্তিদের পরিচর্যা করেন। প্রতিষ্ঠানটি এসব সেবার জন্য মেডিকেইড ম্যানেজড কেয়ার পরিকল্পনার আওতায় অর্থ পায়।


টাউনশিপের নথিতে নিবন্ধন নেই


নিউ হোপ হোম কেয়ারের ব্যবসায়িক নিবন্ধন নিয়ে প্রশ্নটি সামনে আসে টাউনশিপের নথি অনুসন্ধানের পর। Broad + Liberty-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আপার ডার্বির চিফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার ক্র্যান্ডাল জোন্স ১৩ অক্টোবর স্টেট অফিস অব ওপেন রেকর্ডসের একটি আপিলে দাখিল করা শপথযুক্ত বিবৃতিতে জানান, টাউনশিপের কর্মীরা তাদের নথি ও eCollect+ সিস্টেমে অনুসন্ধান করেও ৮০২ গ্যারেট রোডের ঠিকানায় নিউ হোপ হোম কেয়ারের কোনো ব্যবসায়িক লাইসেন্সের রেকর্ড পাননি।


টাউনশিপ কর্তৃপক্ষ অন্য কয়েকটি হোম কেয়ার প্রতিষ্ঠানের ২০২৬ সালের নিবন্ধনের রেকর্ড পেয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে কেয়ারফার্স্ট হোম হেলথ ও কেয়ারফার্স্ট নার্সিং রয়েছে। তবে নিউ হোপ হোম কেয়ার টাউনশিপের ব্যবসায়িক কর পরিশোধ করেছে কি না, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করেনি।


ব্যবসার নিবন্ধন খুঁজে না পাওয়া অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করে। কিন্তু এ তথ্যের ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠানটিকে অবৈধ ঘোষণা করা যায় না। নিবন্ধনের অবস্থা, প্রযোজ্য স্থানীয় বিধি এবং প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব।


ট্রেজারার নির্বাচিত হয়ে পদত্যাগ


সাইদুজ্জামান ২০২৫ সালের নভেম্বরে আপার ডার্বি টাউনশিপের ট্রেজারার নির্বাচিত হন। ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি তিনি শপথ নেন। কিন্তু জুলাইয়ের শেষ দিকে পদত্যাগ করেন। তাঁর ১৩ জুলাইয়ের পদত্যাগপত্রে নিউ হোপ হোম কেয়ারের ব্যবসায় পূর্ণ সময় ও মনোযোগ দেওয়ার কথা উল্লেখ ছিল।


Broad + Liberty জানায়, পদত্যাগের আগে সাইদুজ্জামানের আর্থিক তথ্য প্রকাশের নথি নিয়ে সংবাদমাধ্যমটি আরও দুটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। মে মাসের প্রতিবেদনে তাঁর আর্থিক ঘোষণাপত্রে কয়েকটি ব্যবসায়িক স্বার্থ ও বকেয়া কর আদায়ে সরকারের একটি আইনগত দাবির কথা উল্লেখ না থাকার বিষয়টি উঠে আসে। জুলাইয়ে প্রকাশিত আরেকটি প্রতিবেদনে সংশোধিত ঘোষণাপত্রে আটটি ব্যবসায়িক স্বার্থ তালিকাভুক্ত হওয়ার কথা বলা হয়। একই প্রতিবেদনে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি পার্টি সেন্টারের নামে ১৯টি টাউনশিপ ট্যাক্স লিয়েনের কথাও উল্লেখ করা হয়।


তবে এসব বিষয়ের প্রতিটির নিজস্ব প্রেক্ষাপট রয়েছে। আর্থিক ঘোষণাপত্রে তথ্য বাদ পড়া বা বকেয়া করের দাবি থাকা মানেই মেডিকেইডের অর্থ গ্রহণে অনিয়ম হয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।


মালিকানা হস্তান্তর ও ব্যবসা পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন


সাইদুজ্জামানের সংশোধিত আর্থিক ঘোষণাপত্রে নিউ হোপ হোম কেয়ারের মালিকানা তাঁর স্ত্রী তানজিনা হোসাইনের কাছে হস্তান্তরের তথ্য রয়েছে। তবে সাইদুজ্জামান Broad + Liberty-কে বলেছেন, তিনি এখনও প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত।


অন্যদিকে, পেনসিলভেনিয়া পাবলিক ইউটিলিটি কমিশনে প্যারাট্রানজিট সেবা পরিচালনার অনুমতি চেয়ে জমা দেওয়া একটি আবেদনে নিউ হোপ হোম কেয়ারের তিনজন শেয়ারহোল্ডারের নাম উল্লেখ রয়েছে। ৫ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত ওই আবেদনে সাইদুজ্জামানের ৫০ শতাংশ, কুতুবুল আলমের ১০ শতাংশ এবং এমএসটি হোসনেরার ৪০ শতাংশ শেয়ারের কথা বলা হয়েছে। এই আবেদনটি তাঁর সংশোধিত আর্থিক ঘোষণাপত্রের আগের সময়ে জমা দেওয়া হয়েছিল।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নিউ হোপ হোম কেয়ারের ২০২৫ সালের ৩১ জুলাইয়ের একটি ব্যালান্সশিটে নিউ হোপ প্রপার্টি এলএলসিকে প্রায় ১০ লাখ ডলার ঋণ দেওয়ার তথ্য রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে তানজিনা হোসাইনের যৌথ মালিকানার সম্পর্ক রয়েছে। একই নথিতে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রায় ১৫ লাখ ডলারের ঋণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লাইভ কমফোর্ট হোম কেয়ার, ৩ কেলি ড্রাইভ এলএলসি ও শেবা হোম কেয়ারের নাম রয়েছে।


এসব ঋণের উদ্দেশ্য কী ছিল, অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে কি না এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আর্থিক সম্পর্ক কী—তা জানতে চেয়েছিল Broad + Liberty। তবে প্রকাশিত তথ্য থেকে এসব লেনদেনে কোনো বেআইনি কার্যক্রম প্রমাণিত হয়েছে বলে জানা যায়নি।


শেয়ারহোল্ডারদের নামে প্রায় ৩ লাখ ৫৭ হাজার ডলারের বকেয়া করের দাবি


প্রতিবেদনে নিউ হোপ হোম কেয়ারের রাষ্ট্রীয় আবেদনে তালিকাভুক্ত শেয়ারহোল্ডারদের নামে ফেডারেল সরকারের বকেয়া কর আদায়ের দাবির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সাইদুজ্জামান ও তাঁর স্ত্রী তানজিনা হোসাইনের নামে একটি দাবির পরিমাণ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৪৭ ডলার। অন্যদিকে, কুতুবুল আলম ও এমএসটি হোসনেরার নামে ২০২০ ও ২০২১ সালের অনাদায়ী আয়করের জন্য ২০২৩ সালের ১২ জানুয়ারি তারিখের একটি সরকারি দাবিতে ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৫ ডলারের কথা উল্লেখ রয়েছে।


দুটি অঙ্ক মিলিয়ে মোট পরিমাণ ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৩৯২ ডলার। তবে এসব বকেয়া কর আদায়ের দাবির সঙ্গে নিউ হোপ হোম কেয়ারের মেডিকেইড পেমেন্টে কোনো অনিয়মের সরাসরি সম্পর্ক প্রমাণিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়নি।


একই খাতের অন্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় দ্রুত প্রবৃদ্ধি


নিউ হোপ হোম কেয়ারের পেমেন্ট বৃদ্ধির হার বোঝাতে Broad + Liberty একই ধরনের সেবা দেওয়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের তথ্যের সঙ্গে তুলনা করেছে। ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে নিউ হোপের পেমেন্ট প্রায় ৯৮০ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে কেয়ারফার্স্ট হোম হেলথের পেমেন্ট বেড়েছে প্রায় ১৫০ শতাংশ এবং কোয়ালিটি অ্যাঞ্জেলস হোম কেয়ার এজেন্সির প্রায় ১০০ শতাংশ। প্যাট্রিয়ট হোম কেয়ারের পেমেন্ট বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ, আর ভাইটাল সাপোর্ট হোম হেলথ কেয়ার এজেন্সির বেড়েছে প্রায় ৬ শতাংশ। কেয়ারফার্স্ট নার্সিংয়ের পেমেন্ট কমেছে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।


এই তুলনায় নিউ হোপের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি। তবে ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটির পেমেন্টের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম ছিল। ফলে প্রবৃদ্ধির হার বিবেচনার পাশাপাশি মোট পেমেন্ট, সেবার পরিমাণ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের পরিধিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।


ফেসবুক পোস্টে নতুন আলোচনা


Broad + Liberty-এর প্রতিবেদন প্রকাশের পর ডেভিড জে. হ্যারিস জুনিয়র তাঁর ফেসবুক পোস্টে প্রায় ৮৫ মিলিয়ন ডলারের মেডিকেইড পেমেন্ট, ব্যবসার নিবন্ধন না পাওয়া এবং শেয়ারহোল্ডারদের বকেয়া করের দাবির বিষয়গুলো তুলে ধরেন।


অন্যদিকে, লিয়া হুপসের ফেসবুক পোস্টে প্রতিষ্ঠানের ৬০০-এর বেশি কর্মী থাকার দাবি, সম্ভাব্য কর্মচারী আয়কর কর্তন এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তদারকি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। তাঁর পোস্টে ৬০০ কর্মী, গড় বার্ষিক বেতন ৪৫ হাজার ডলার এবং সব বেতন টাউনশিপের করের আওতায় থাকার অনুমান ধরে বছরে ২ লাখ ৭০ হাজার ডলারের সম্ভাব্য আয়কর কর্তনের হিসাব দেওয়া হয়েছে। এটি একটি অনুমানভিত্তিক হিসাব; প্রকৃত কর্মীসংখ্যা, বেতন ও করযোগ্য আয়ের তথ্য ছাড়া একে প্রকৃত করের অঙ্ক হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।


লিয়া হুপসের পোস্টে একটি অ্যাস্টন মার্টিন গাড়ির কথাও বলা হয়েছে। তবে গাড়িটির মালিকানা বা অর্থের উৎস সম্পর্কে সরবরাহ করা তথ্য থেকে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।


মন্তব্য চেয়েও উত্তর পায়নি সংবাদমাধ্যম


Broad + Liberty জানায়, ১২ অক্টোবর সাইদুজ্জামানের আইনজীবীর কাছে লিখিত প্রশ্ন পাঠানো হয়েছিল। সাইদুজ্জামান ও প্রতিষ্ঠানের ইমেইল ঠিকানায়ও প্রশ্নের অনুলিপি পাঠানো হয়। নিউ হোপ বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো টাউনশিপের ব্যবসায়িক কর নিবন্ধন ও পরিশোধ করেছে কি না, পরিচর্যাকারীদের কত শতাংশ সেবাগ্রহীতার আত্মীয় এবং তাঁদের কাজের সময় কীভাবে যাচাই করা হয়—এসব বিষয়ে জানতে চেয়েছিল সংবাদমাধ্যমটি।


সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ঋণ লেনদেনের উদ্দেশ্য, অর্থ পরিশোধের অবস্থা এবং লাইভ কমফোর্ট হোম কেয়ারের মালিকানা সম্পর্কেও প্রশ্ন করা হয়। সাইদুজ্জামান ও কুতুবুল আলমের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ১৫ অক্টোবরের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আপার ডার্বি টাউনশিপের কাছে পাঠানো মন্তব্যের অনুরোধেরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর মেলেনি।


তদন্তের প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনও গুরুত্বপূর্ণ


নিউ হোপ হোম কেয়ারের নামে প্রায় ৮ কোটি ৪৮ লাখ ডলারের পেমেন্ট, টাউনশিপে ব্যবসার নিবন্ধন খুঁজে না পাওয়া, শেয়ারহোল্ডারদের নামে বকেয়া করের দাবি এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আর্থিক লেনদেন—সব মিলিয়ে বিষয়টি এখন জনস্বার্থের আলোচনায় এসেছে।


এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে প্রয়োজন ব্যবসায়িক নিবন্ধন ও কর-সংক্রান্ত নথি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা এবং প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট বক্তব্য। বিশেষ করে মেডিকেইডের অর্থের বিনিময়ে যে সেবা দেওয়া হয়েছে, তার যথাযথ নথিপত্র ও তদারকির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।


তবে এখন পর্যন্ত প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিউ হোপ হোম কেয়ারের বিরুদ্ধে অনিয়ম করে মেডিকেইড বিল করার কোনো প্রমাণ তুলে ধরা হয়নি এবং কোনো সরকারি সংস্থাও এমন অভিযোগ করেছে বলে জানানো হয়নি। তাই নিবন্ধন-সংক্রান্ত প্রশ্ন ও আর্থিক তথ্যের যথাযথ তদন্তের দাবি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি প্রমাণ ছাড়া কাউকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন না করাও জরুরি।


সূত্র: Broad + Liberty, টড শেফার্ডের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, ২০ অক্টোবর ২০২৬; হালনাগাদ ২১ অক্টোবর ২০২৬। ডেভিড জে. হ্যারিস জুনিয়র ও লিয়া হুপসের ফেসবুক পোস্ট।