জাতিসংঘে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষণ: ইরান, ইউক্রেন, এআই ও মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি
নিউইয়র্ক,
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দিয়েছেন। প্রায় ৩৭ মিনিটের ভাষণে তিনি ইরান, ইউক্রেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত, মাদকবিরোধী অভিযান, ভেনেজুয়েলা, কিউবা, মেক্সিকো এবং জাতিসংঘ সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান তুলে ধরেন।
ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, শান্তিচুক্তি না হলে তিনি ইরানকে ধ্বংস করার মতো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ প্রয়োজন হয়েছে। একই সঙ্গে অন্যান্য দেশকে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের নেতাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে এবং তিনি দ্রুত সমাধানের আশা করছেন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে ট্রাম্প ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ শব্দটি ব্যবহারের কথা বলেন এবং এআইয়ের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে প্রচলিত সতর্কতাকে গুরুত্ব না দেওয়ার অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে এআই প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকার দাবি করেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত নিয়েও কঠোর অবস্থান জানান ট্রাম্প। তিনি সদস্য দেশগুলোকে আদালত থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান এবং মার্কিন সামরিক সদস্যদের এর আওতার বাইরে রাখার কথা বলেন।
ভেনেজুয়েলা ও পশ্চিম গোলার্ধে মার্কিন সামরিক শক্তির ভূমিকা, কিউবার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং মেক্সিকোতে মাদক কার্টেলের কার্যক্রম নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি।
জাতিসংঘ সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসনের সংস্কার, বাজেট কমানো এবং আমলাতান্ত্রিক কাঠামো হ্রাসের পদক্ষেপ তুলে ধরেন। ভাষণের পর তাঁর একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি ছিল।