সুজি ওয়াইলসের বিদায়, ট্রাম্পের নতুন চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সুজি ওয়াইলস। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব নিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা ও বর্তমান ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, মিলার সোমবার (৯ নভেম্বর) থেকে দায়িত্ব নেবেন।
ঘোষণায় ট্রাম্প মিলারকে তাঁর ‘সবচেয়ে বিশ্বস্ত উপদেষ্টাদের একজন’ বলে উল্লেখ করেন। ওয়াইলসকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তিনি ‘দারুণ কাজ করেছেন’ এবং এখন থেকে ট্রাম্পের রাজনৈতিক সংগঠনে কাজ করবেন। একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে সিবিএস জানিয়েছে, ওয়াইলস বৃহস্পতিবার রাতে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
এক বিবৃতিতে ওয়াইলস বলেন, হোয়াইট হাউসে দায়িত্ব পালন তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। শুক্রবারই ছিল চিফ অব স্টাফ হিসেবে তাঁর শেষ কর্মদিবস। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ও তাঁর লক্ষ্যের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার বদলাবে না। ওয়াইলস ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ। ২০২৪ সালে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালনা করেছিলেন তিনি। চলতি বছরের মার্চে তিনি স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন; পরে জানান, তাঁর শরীরে রোগের আর কোনো চিহ্ন নেই।
স্টিফেন মিলার ২০১৬ সালে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় বক্তৃতা লেখক হিসেবে যোগ দেন। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি ও অবৈধ অভিবাসী বিতাড়ন কর্মসূচির প্রধান রূপকার হিসেবে তিনি পরিচিত। এর আগে তিনি তৎকালীন সিনেটর জেফ সেশনসের সঙ্গে কাজ করেছেন।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কয়েক দিনের মাথায় এ পরিবর্তন এল। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো একে নির্বাচনের পর ট্রাম্পের দলে সবচেয়ে বড় রদবদল হিসেবে দেখছে। অভিবাসী-অধ্যুষিত নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন শহরের প্রবাসীদের নজর থাকবে, নতুন চিফ অব স্টাফের অধীনে অভিবাসন নীতি আরও কঠোর হয় কি না।
ফাইল ছবি: স্টিফেন মিলার — যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ দপ্তর / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)