কমলগঞ্জে পাঁচ অঞ্চলের কবি-লেখকদের অংশগ্রহণে ৯ম আন্তর্জাতিক মণিপুরী সাহিত্য সম্মেলন
বাংলাদেশ, ভারতের মণিপুর, আসাম, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট কবি ও লেখকদের অংশগ্রহণে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৯ম আন্তর্জাতিক মণিপুরী সাহিত্য সম্মেলন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় আদমপুর বাজারের মণিপুরী কালচারাল কমপ্লেক্সে উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ সম্মেলন শুরু হয়।
বাংলাদেশ মণিপুরী সাহিত্য সংসদ (বামসাস) সেন্ট্রাল কমিটির সহসভাপতি এল. প্রশান্ত কুমার সিংহের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নামব্রম শংকরের সঞ্চালনায় প্রথম সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারের অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব শশী কুমার সিংহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার কবি ও নাট্যকার এল. কুমার সিংহ, ভান্ডারীগাঁও হাইস্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক বীরেন্দ্র সিংহ এবং মণিপুরের গবেষক ড. অনুরাধা নোংমাইথেম। সূচনা বক্তব্য দেন বামসাস সেন্ট্রাল কমিটির সভাপতি কবি এ কে শেরাম।

সম্মেলনে উপস্থিত দর্শকদের একাংশ
দুপুর ২টায় কবি রওশন আরা বাঁশীর সভাপতিত্বে ও অয়েকপম অঞ্জুর সঞ্চালনায় কবি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সম্মানিত অতিথি ছিলেন আসামের কবি তাহির সাজবম, ত্রিপুরার কবি এল. মিনা দেবী ও কবি থৌদাম নীলকুমার।
বিকেল সাড়ে ৩টায় কবি এ কে শেরামের সভাপতিত্বে ও নীহার রঞ্জন শর্মার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আসাম বিশ্ববিদ্যালয়, শিলচরের মণিপুরী বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. হাওরোংবম রাজমনি সিংহকে ‘নীলিমা সিনহা মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ প্রদান করা হয়। এ পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক। অনুষ্ঠানে ‘মৈরা’ সাহিত্য সংকলনের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।