কোম্পানীগঞ্জে ১৭ জলাশয়ে ২৫০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত
মোহাম্মদ উল্যা,
নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি॥
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৭টি প্রাতিষ্ঠানিক ও উন্মুক্ত জলাশয়ে ২৫০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদের পুকুরে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ ফখরুল ইসলাম। এ সময় রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউশ প্রজাতির পোনা জলাশয়ে ছাড়া হয়।
উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, একই দিনে উপজেলার ১৭টি প্রাতিষ্ঠানিক ও উন্মুক্ত জলাশয়ে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মোট ২৫০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বাড়ানো এবং মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছে মৎস্য বিভাগ।
পোনা অবমুক্তকালে সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলাম বলেন, মৎস্য খাতের সম্প্রসারণ, স্থানীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। মৎস্য খাত কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্র উল্লেখ করে তিনি দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
এ সময় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকিম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম সরকার জানান, সরকারি জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা অবমুক্তির পাশাপাশি মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। জলাশয়ে পোনা অবমুক্তির পর মাছের অবাধ বিচরণ ও প্রজনন নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ বলেও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।