Columbus, ০২ নভেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়েও জিপিএ-৫ পেয়ে স্বপ্নপূরণের একধাপ এগিয়ে "মৌমি" লাউয়াছড়া রেলপথ যাত্রীদের আতঙ্কের অপর নাম! মৌলভীবাজার জেলা যুবদলের উড়ানো গ্যাস বেলুন ও ব্যানার ভারতের আসামে মুঘল আমলের স্থাপত্যে গম্বুজবিশিষ্ট কেরামত আলী মসজিদ সংগ্রাম পেরিয়ে সাফল্যের শিখরে অমিত খান, বিসিএস ক্যাডার হিসেবে নতুন কর্মজীবন শুরু দুর্গাপুর উপজেলার ইতিহাসে নাঈমুরের অনন্য কৃতিত্বপূর্ণ অর্জন, হ্যাটট্রিক জিপিএ ফাইভে মেধার স্বাক্ষর নাসিরনগরে দেশীয় মাছের শুঁটকি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে জেলেরা সরকারি কলেজের ১৭ জন শিক্ষকের ১০ পরীক্ষার্থী; কেউই পাস করেনি ১ জনও নওগাঁয় নিখোঁজের একদিন পর ধানক্ষেত থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার মানবিক সেবায় তরুণদের উদ্যোগ, সরকারি নিবন্ধন পেল রাণীনগর সোশ্যাল ইয়ুথ অর্গানাইজেশন নওগাঁয় গাঁজা ও চোর চক্রের সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৬; উদ্ধার ৫১৭ মোবাইল সাংবাদিক বিশ্বজিৎ সরকার মনি আর নেই পূর্বাচল প্লট দুর্নীতি মামলায় ১৪ বছরের সাজা, আত্মসমর্পণের পর কারাগারে শওকত আজিজ রাসেল মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা, ৫২৯ কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত শ্রমিক অসন্তোষ ঘিরে গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, দায়িত্বে ২১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
হোম › জাতীয় › ফেসবুকে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার কথা স্বীকারের দাবি, রাজিব চন্দ্র দাস গ্রেপ্তার

ফেসবুকে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার কথা স্বীকারের দাবি, রাজিব চন্দ্র দাস গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০১:৪৩ এএম, ০২ নভেম্বর, ২০২৬ 34
ফেসবুকে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার কথা স্বীকারের দাবি, রাজিব চন্দ্র দাস গ্রেপ্তার
তাহিনা হোসেন প্রকৃতি
তাহিনা হোসেন প্রকৃতিনির্বাহী সম্পাদক॥

রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় রাজিব চন্দ্র দাস নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি ওই ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশের দাবি। তবে ঘটনাটির প্রকৃত কারণ, তাঁর ভূমিকা এবং এর সঙ্গে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়।


পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার রাতে রাজধানীর উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের একটি বাসা থেকে রাজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ খালিদ মনসুর জানান, ফেসবুকে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার কথা উল্লেখ করে পোস্ট দেওয়ার পর তাঁকে শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিকভাবে রাজিব একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে পল্লবী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও তিনি গাড়িতে আগুন দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।


এর আগে ১ নভেম্বর রাজধানীর মিরপুর-১০, মিরপুর-১১ ও মিরপুর-১৪ এলাকায় ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে পোশাকশ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেন। সকাল থেকে কয়েক শ শ্রমিক সড়কে অবস্থান নিলে ওই এলাকার যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড এবং লাঠিচার্জ ব্যবহার করে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে মিরপুর-১১ এলাকায় পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।


পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। শ্রমিকদের মজুরি ও জীবনযাত্রার ব্যয়সংক্রান্ত দাবির পাশাপাশি আন্দোলনের সময় সহিংসতা, সরকারি সম্পদে অগ্নিসংযোগ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযোগ বা প্রাথমিক স্বীকারোক্তির দাবি আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার সমতুল্য নয়। রাজিব চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়াতেই অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।


পোশাকশ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবি এবং আন্দোলনের আড়ালে সংঘটিত কোনো অপরাধ—এই দুই বিষয়কে পৃথকভাবে বিবেচনা করা জরুরি। শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে আলোচনার পথ খোলা রাখার পাশাপাশি সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াই এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।