Columbus, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন 728 × 90
সর্বশেষ খবর
পদ্মার বুকে গোলাগুলি, মুখোমুখি কাকন ও কালু বাহিনী। কুষ্টিয়ায় ৩১ অক্টোবর জামায়াতের লংমার্চের সমাপনী, ভেন্যু নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ। আজ বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমানের ৫৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী নোয়াখালীতে ডিবির অভিযানে ২৫ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার কুড়িগ্রামে খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগে ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নওগাঁয় ইউপি কার্যালয়ের পাশের বাড়ি থেকে ১ হাজার ৯০০ কেজি ভিজিডব্লিউবি চাল উদ্ধার কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ৫৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হিজড়াদের দুর্ভোগ আর বঞ্চনার ‘ফাঁদ’ মেডিকেল সনদ হিজড়াদের দুর্ভোগ আর বঞ্চনার ‘ফাঁদ’ মেডিকেল সনদ নাসিরনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব়্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত । তারুণ্যের দীপ্ত পদচারণায় কুড়িগ্রামে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত শ্যালিকাকে বিয়ে; মুখে চুনকালি মাখিয়ে জুতার মালা দিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকেও বিদায় নওগাঁয় ছাত্রলীগের চার নেতাকর্মী গ্রেপ্তার বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন শিশুসহ এক দম্পতি কোম্পানীগঞ্জে দাম্পত্য কলহের জেরে থানার গেটের সামনে সংঘর্ষ, আটক ৫
হোম › রাজনীতি › ৬ দফা থেকে ৭ দফায় রূপান্তরিত ১১ দলের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ

৬ দফা থেকে ৭ দফায় রূপান্তরিত ১১ দলের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৩:৪৯ এএম, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 148
৬ দফা থেকে ৭ দফায় রূপান্তরিত ১১ দলের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ

ঢাকা প্রতিনিধি | নিউইয়র্ক ভয়েস বাংলা


গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে দ্বিতীয় লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য। রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে এ কর্মসূচির উদ্বোধন হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পথসভা ও কর্মসূচি পালন করে লংমার্চের বহর রংপুরে পৌঁছাবে।


১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানিয়েছেন, প্রথম ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চটি ছয় দফা দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবার এর সঙ্গে ‘দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি রোধ’-এর দাবি যুক্ত হওয়ায় কর্মসূচিটি সাত দফায় পরিণত হয়েছে।


জামায়াতে ইসলামীর লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠকে জানানো হয়, ১৯ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচি রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে শুরু হবে। এরপর মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে রংপুর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে মানবপ্রাচীর ও পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।


নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, গাজীপুর বাইপাস, টাঙ্গাইলের নগর জালপাই, সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল, বগুড়ার চারমাথা এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পথসভা হওয়ার কথা রয়েছে। কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।


সাত দফায় যেসব দাবি ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

১. গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন

২. জুলাই গণহত্যার বিচার

৩. বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকটের সমাধান

৪. নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ

৫. আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি

৬. প্রশাসনের সর্বস্তরে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ

৭. দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি রোধ।


জোটের নেতারা বলছেন, কর্মসূচিটি কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়; বরং জনগণের ভোটের মর্যাদা, গণভোটের রায় এবং ঘোষিত সংস্কার বাস্তবায়নের দাবিতে এই আন্দোলন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের চলমান বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সার ও দ্রব্যমূল্যের সংকট নিয়েও সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে চান তারা।


রংপুর পর্যন্ত থাকবে মানবপ্রাচীর

লংমার্চের প্রস্তুতি হিসেবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে সভা, গণসংযোগ এবং প্রচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট জেলা ও মহানগর নেতাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


জামায়াতের লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠকে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ এবং স্থানীয় পর্যায়ে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাদের সমন্বয়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে কর্মসূচি সফল করতে প্রশাসনসহ সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।


সামনে আরও কর্মসূচির ঘোষণা

১১ দলীয় ঐক্য এরই মধ্যে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ধারাবাহিক আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর লংমার্চের পর ১০ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা-সিলেট অভিমুখে লংমার্চের পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে ধারাবাহিক কর্মসূচি শেষ করার কথা রয়েছে।


১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা নেতৃত্ব দেবেন বলে জানানো হয়েছে। ফলে দ্বিতীয় এই লংমার্চকে ঘিরে বিরোধী জোটের রাজনৈতিক তৎপরতা আরও দৃশ্যমান হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।


তবে কর্মসূচি এখনো ভবিষ্যৎ নির্ধারিত রাজনৈতিক কর্মসূচি। তাই ১৯ সেপ্টেম্বর কতসংখ্যক মানুষ এতে অংশ নেবেন বা কর্মসূচির ফলে কী ধরনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হবে—এ মুহূর্তে তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।