এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইসমাইলের মরদেহ, বাসচালকসহ গ্রেপ্তার ৩
ঢাকা প্রতিনিধি॥
রাজধানীর বনানী এলাকায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইল হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাসচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ও পুলিশ। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালী এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বাসচালক সোহেল রানা (৪০), সুপারভাইজার সাজু (২৮) ও হেলপার মনির (১৮)। এ ঘটনায় একটি বাসও জব্দ করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার সকালে বনানী অংশে এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে মুখে সাদা স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় ইসমাইলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তার পরিচয় পাওয়া না গেলেও পরে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডার থেকে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক ধারণা, ইসমাইলকে শ্বাসরোধে হত্যার পর কোনো যানবাহন থেকে তার মরদেহ এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে জব্দ করা বাসটিই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়।
র্যাব জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়। পরে মহাখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাসচালক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে বাসের সুপারভাইজার ও হেলপারকেও আটক করা হয়।
পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, ইসমাইল জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন এবং তার সঙ্গে জমি বিক্রির প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ছিল। ঘটনার পর টাকা ও মোবাইল ফোন পাওয়া যায়নি বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার তিনজনকে বনানী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের ভূমিকা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।