অনলাইন | ১৯ আগস্ট, ২০২৬ | ৩ ভাদ্র, ১৪৩৩
সর্বশেষ খবর
৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট, সংসদে কাল লড়াই ঢাকার চাপে অবস্থান বদলাচ্ছে ভারত, দুই দেশের সম্পর্ক সন্ধিক্ষণে কলকাতায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু, দমকল সদর দপ্তরের পাশের হোটেলেই ছিল না অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কুনু–ফিরোজ পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে ভারতের ইতিবাচক বার্তা, সর্বোচ্চ সম্মানের আশ্বাস দিলেন দীনেশ ত্রিবেদী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ফের কূটনৈতিক অচলাবস্থা, আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করলেন ট্রাম্প সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ আর নেই ঘুমের ব্যাঘাত, ১৪ দিনের নবজাতককে ড্রামের পানিতে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ; মা আটক প্রথম দিনেই পিংক বাসে বলাকা বাসের ধাক্কা, জরিমানা মুক্তির আগেই বিশ্ববাজারে ঝড় তুলছে রণবীরের ‘রামায়ণ’, চীনে ট্রেলার পেরোল ১০ লাখ ভিউ এয়ারটেলের ১৬ বছরের অধ্যায়ের ইতি, নতুন নাম ‘সার্কেল’ মুখের দুর্গন্ধের কারণ কী? অবহেলা নয়, জেনে নিন সম্ভাব্য কারণ ও প্রতিকারের উপায় দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের স্কোয়াড ঘোষণা, নেতৃত্বে মাহিদুল আনকন তামিলনাড়ুর কৃষকদের বড় সুখবর, ৭৫ হাজার রুপি পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের ঘোষণা থালাপতি বিজয়ের ১৫ বছর পর ফিরছে ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’? সিক্যুয়েল নিয়ে বড় আপডেট জোয়া আখতারের
হোম আন্তর্জাতিক কলকাতায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু, দমকল সদর দপ্তরের পাশের হোটেলেই ছিল না অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা

কলকাতায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু, দমকল সদর দপ্তরের পাশের হোটেলেই ছিল না অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০২:২৩ এএম, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ 31
কলকাতায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু, দমকল সদর দপ্তরের পাশের হোটেলেই ছিল না অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা

কলকাতা ভারত ||

ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। নিহত ও আহতরা চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।


বুধবার (১৯ আগস্ট) দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে পাঁচতলা ভবনের তৃতীয় তলায় থাকা ‘শিখা ইন’ হোটেলে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই পুরো হোটেল ঘন ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। অধিকাংশ অতিথি তখন ঘুমিয়ে থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ হয়ে ওঠে।


দমকল সদর দপ্তরের পাশেই, তবুও ছিল না অগ্নিনিরাপত্তা, সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, হোটেলটি কলকাতার দমকল বাহিনীর সদর দপ্তরের একেবারে পাশেই অবস্থিত। আগুন লাগার পর দমকলের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।তবে হোটেলের এক অতিথি মো. রফিকুল ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, ভবনটির প্রবেশপথ ছিল সরু ও অপ্রশস্ত এবং সেখানে প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না।


ঘনধোঁয়ায় প্রাণহানি

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের বেশিরভাগের শরীরে বড় ধরনের পোড়ার চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ঘন ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। নিহতদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুইজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে।


হোটেল ভবনের বিভিন্ন তলায় বিভিন্ন নামে আরও আবাসিক হোটেল রয়েছে। এলাকাটি বাংলাদেশি রোগী ও তাঁদের স্বজনদের কাছে পরিচিত হওয়ায় সেখানে চিকিৎসার জন্য আসা অনেক বাংলাদেশি অবস্থান করতেন।


আগুনের কারণ নিয়ে তদন্ত

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে এসি বিস্ফোরণের সম্ভাবনার কথাও কিছু প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। আগুনের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত নয়; তদন্ত চলছে।


এই ঘটনায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে হোটেলটির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অনুমোদন নিয়ে। দমকল সদর দপ্তরের এত কাছে থাকা একটি হোটেলেই যদি পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ও নিরাপদ বের হওয়ার ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে শহরের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ হোটেলের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্বজন ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিচয় ও মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।


তথ্যসূত্র: ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি |